সাইফুল ইসলাম, দাউদকান্দি

কুমিল্লার হোমনা উপজেলার এক তরুণ মেহেদী হাসান। আর্থিক সংকটের কারণে লেখাপড়া এগিয়ে নিতে না পারলেও ফুটবল খেলাকে ঘিরে তাঁর রয়েছে এক ভিন্ন ধরনের প্রতিভা। বিশ্বকাপ ফুটবলের ধারাভাষ্য শুনে শুনেই তিনি এমনভাবে খেলার ধারা বর্ণনা করেন, যা অনেকের কাছেই বিস্ময় জাগায়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মাঠে কোনো ফুটবল খেলা হলেই মেহেদী সেখানে উপস্থিত থাকেন। ছোটবেলা থেকেই খেলার প্রতি তাঁর গভীর আগ্রহ। বিশেষ করে বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার সময় ধারাভাষ্যকারদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং পরে নিজেও সেই ভঙ্গিতে খেলার বর্ণনা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
মুখের কিছু জড়তা ও অন্যান্য অসুবিধার কারণে তাঁর কথা অনেক সময় পুরোপুরি স্পষ্ট না হলেও খেলার ধারাভাষ্যের ধরন এতটাই বাস্তবসম্মত যে শুনলে মনে হয় যেন আন্তর্জাতিক কোনো ম্যাচের ধারাভাষ্য চলছে। এ কারণেই বিভিন্ন স্থানীয় খেলায় দর্শকরা তাঁর ধারা বর্ণনা উপভোগ করেন এবং অনেক সময় তাঁকে আমন্ত্রণও জানান।
মেহেদী হাসান হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দী গ্রামের বাসিন্দা ইউনুস মিয়ার ছেলে। তিন ভাইবোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। তাঁর ছোট ভাইয়ের নাম ইসহাক এবং এক বোন শ্রাবণী। পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে মেহেদী নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি বলে জানান।
সম্প্রতি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজার এলাকায় তাঁকে মানুষের কাছে আর্থিক সহায়তা চাইতে দেখা গেছে। জীবনের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও ফুটবলের ধারাভাষ্যের প্রতি তাঁর আগ্রহ ও প্রতিভা স্থানীয় মানুষের দৃষ্টি কাড়ছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, যথাযথ সহায়তা ও সুযোগ পেলে মেহেদী হাসানের এই অনন্য প্রতিভা আরও বিকশিত হতে পারে। তাই সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের কাছে তাঁরা এই তরুণের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

কুমিল্লার হোমনা উপজেলার এক তরুণ মেহেদী হাসান। আর্থিক সংকটের কারণে লেখাপড়া এগিয়ে নিতে না পারলেও ফুটবল খেলাকে ঘিরে তাঁর রয়েছে এক ভিন্ন ধরনের প্রতিভা। বিশ্বকাপ ফুটবলের ধারাভাষ্য শুনে শুনেই তিনি এমনভাবে খেলার ধারা বর্ণনা করেন, যা অনেকের কাছেই বিস্ময় জাগায়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মাঠে কোনো ফুটবল খেলা হলেই মেহেদী সেখানে উপস্থিত থাকেন। ছোটবেলা থেকেই খেলার প্রতি তাঁর গভীর আগ্রহ। বিশেষ করে বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার সময় ধারাভাষ্যকারদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং পরে নিজেও সেই ভঙ্গিতে খেলার বর্ণনা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
মুখের কিছু জড়তা ও অন্যান্য অসুবিধার কারণে তাঁর কথা অনেক সময় পুরোপুরি স্পষ্ট না হলেও খেলার ধারাভাষ্যের ধরন এতটাই বাস্তবসম্মত যে শুনলে মনে হয় যেন আন্তর্জাতিক কোনো ম্যাচের ধারাভাষ্য চলছে। এ কারণেই বিভিন্ন স্থানীয় খেলায় দর্শকরা তাঁর ধারা বর্ণনা উপভোগ করেন এবং অনেক সময় তাঁকে আমন্ত্রণও জানান।
মেহেদী হাসান হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দী গ্রামের বাসিন্দা ইউনুস মিয়ার ছেলে। তিন ভাইবোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। তাঁর ছোট ভাইয়ের নাম ইসহাক এবং এক বোন শ্রাবণী। পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে মেহেদী নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি বলে জানান।
সম্প্রতি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজার এলাকায় তাঁকে মানুষের কাছে আর্থিক সহায়তা চাইতে দেখা গেছে। জীবনের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও ফুটবলের ধারাভাষ্যের প্রতি তাঁর আগ্রহ ও প্রতিভা স্থানীয় মানুষের দৃষ্টি কাড়ছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, যথাযথ সহায়তা ও সুযোগ পেলে মেহেদী হাসানের এই অনন্য প্রতিভা আরও বিকশিত হতে পারে। তাই সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের কাছে তাঁরা এই তরুণের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।