নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিদর্শন
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা নগরের নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আজ শুক্রবার ছুটির দিনে লাকসামে নওয়াব ফয়জুন্নেছার বাড়ি পরিদর্শনে যান।
ডাকাতিয়া নদীর তীরে লাকসাম পৌরসভার পশ্চিমগাঁও এলাকায় নওয়াব বাড়ি। উপমহাদেশের একমাত্র মুসলিম নারী নওয়াব, সমাজসেবক, সংস্কারক ও দানবীর ফয়জুন্নেছার দক্ষিণমুখী তিনতলা বাড়ি। এই বাড়ি এখন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর দেখভাল করছে। পুরাকীর্তি হিসেবে এই বাড়ি এখন পরিচিত। এই বাড়ি দেখাতেই কুমিল্লা থেকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তারের নেতৃত্বে ১০টি বাসে করে প্রভাতি শাখার তৃতীয় থেকে দশম শ্রেণির ৫৫০ জন ছাত্রী ও ৩০ জন শিক্ষক ও শিক্ষিকা লাকসামে আসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক প্রভাতী শাখার সেলিনা আক্তার রোজী।

নওয়াব ফয়জুন্নেছার বাড়ি গিয়ে প্রথমে তাঁর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এ সময়ে তাঁরা ফয়জুন্নেছার কবর জিয়ারত ও মোনাজাত করেন।
পরে তারা বাড়ির বিভিন্ন কক্ষ, স্থাপনা, পুকুর, অন্দর মহল ঘুরে দেখেন। নওয়াব ফয়জুন্নেছার বৈঠকখানা দেখেন। ছবি তোলেন।
শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে নওয়াব বাড়ি। খুদে নবাব নন্দিনীদের উপস্থিতি নওয়াব বাড়িতে ভিন্ন আমেজ তৈরি করে। স্কুল ড্রেস পরে ছাত্রীরা বাড়ির একেকটি আঙিনা ঘুরে দেখেন। তারা লাকসাম নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজও ঘুরে দেখেন।
অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী জান্নাতুল মাওয়া বলেন, সবাই মিলে এসেছি ভালো লাগছে। যাঁর নামে স্কুল, যিনি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন তাঁর বাড়ি দেখতে এসেছি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তার বলেন, ১৮৩৪ সালে নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানীর জন্ম লাকসামের পম্চিমগাঁও এলাকায়। ১৮৭৩ সালে তিনি কুমিল্লা নগরের বাদুরতলা এলাকায় ফয়জুন্নেছা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। পরে তা বাংলা মিডিয়াম স্কুল হয়। ১৯০৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি মারা যান।

তিনি বলেন, ফয়জুন্নেছার দর্শন ও সমাজসেবামূলক কাজ ছাত্রীদের অন্তরে ছড়িয়ে দিতে ওদের নিয়ে আসছি। ফয়জুন্নেছা বই লিখেছেন, সৌদি আরব, ভারত মহাদেশে কুমিল্লায়, লাকসামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দান করেছেন।
এদিকে বিকেল চারটায় নবাব বাড়িতে নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী: বহুমাত্রিক মানবিক ঐশ^র্য সেমিনার এবং ভিডিও কনটেন্ট নির্মাণ পুরস্কার অনুষ্ঠান হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের সচিব মো. সাদেকুল ইসলাম, প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তার। এতে সভাপতিত্ব করেন লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নার্গিস সুলতানা। সেমিনারে শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

কুমিল্লা নগরের নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আজ শুক্রবার ছুটির দিনে লাকসামে নওয়াব ফয়জুন্নেছার বাড়ি পরিদর্শনে যান।
ডাকাতিয়া নদীর তীরে লাকসাম পৌরসভার পশ্চিমগাঁও এলাকায় নওয়াব বাড়ি। উপমহাদেশের একমাত্র মুসলিম নারী নওয়াব, সমাজসেবক, সংস্কারক ও দানবীর ফয়জুন্নেছার দক্ষিণমুখী তিনতলা বাড়ি। এই বাড়ি এখন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর দেখভাল করছে। পুরাকীর্তি হিসেবে এই বাড়ি এখন পরিচিত। এই বাড়ি দেখাতেই কুমিল্লা থেকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তারের নেতৃত্বে ১০টি বাসে করে প্রভাতি শাখার তৃতীয় থেকে দশম শ্রেণির ৫৫০ জন ছাত্রী ও ৩০ জন শিক্ষক ও শিক্ষিকা লাকসামে আসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক প্রভাতী শাখার সেলিনা আক্তার রোজী।

নওয়াব ফয়জুন্নেছার বাড়ি গিয়ে প্রথমে তাঁর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এ সময়ে তাঁরা ফয়জুন্নেছার কবর জিয়ারত ও মোনাজাত করেন।
পরে তারা বাড়ির বিভিন্ন কক্ষ, স্থাপনা, পুকুর, অন্দর মহল ঘুরে দেখেন। নওয়াব ফয়জুন্নেছার বৈঠকখানা দেখেন। ছবি তোলেন।
শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে নওয়াব বাড়ি। খুদে নবাব নন্দিনীদের উপস্থিতি নওয়াব বাড়িতে ভিন্ন আমেজ তৈরি করে। স্কুল ড্রেস পরে ছাত্রীরা বাড়ির একেকটি আঙিনা ঘুরে দেখেন। তারা লাকসাম নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজও ঘুরে দেখেন।
অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী জান্নাতুল মাওয়া বলেন, সবাই মিলে এসেছি ভালো লাগছে। যাঁর নামে স্কুল, যিনি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন তাঁর বাড়ি দেখতে এসেছি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তার বলেন, ১৮৩৪ সালে নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানীর জন্ম লাকসামের পম্চিমগাঁও এলাকায়। ১৮৭৩ সালে তিনি কুমিল্লা নগরের বাদুরতলা এলাকায় ফয়জুন্নেছা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। পরে তা বাংলা মিডিয়াম স্কুল হয়। ১৯০৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি মারা যান।

তিনি বলেন, ফয়জুন্নেছার দর্শন ও সমাজসেবামূলক কাজ ছাত্রীদের অন্তরে ছড়িয়ে দিতে ওদের নিয়ে আসছি। ফয়জুন্নেছা বই লিখেছেন, সৌদি আরব, ভারত মহাদেশে কুমিল্লায়, লাকসামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দান করেছেন।
এদিকে বিকেল চারটায় নবাব বাড়িতে নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী: বহুমাত্রিক মানবিক ঐশ^র্য সেমিনার এবং ভিডিও কনটেন্ট নির্মাণ পুরস্কার অনুষ্ঠান হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের সচিব মো. সাদেকুল ইসলাম, প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তার। এতে সভাপতিত্ব করেন লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নার্গিস সুলতানা। সেমিনারে শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।