• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> কুমিল্লা জেলা
> সদর দক্ষিণ

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যার ২ বছর পর রহস্য উদঘাটন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৬, ২১: ১৪
logo

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যার ২ বছর পর রহস্য উদঘাটন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৬, ২১: ১৪
Photo

কুমিল্লার সদর দক্ষিণে সালিশে যুক্ত থাকায় মাদরাসার শ্রেণিকক্ষে ঢুকে শিক্ষক মো. গোলাম রসুল মজুমদার লিটনকে (৪৮) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। দুই বছর পর চাঞ্চল্যকর হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। থানা পুলিশ এই মামলার চার্জশিট দিলেও আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি না থাকা এবং এজাহারনামীয় অপর আসামির সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত না হওয়ায় মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে বাদীর নারাজির প্রেক্ষিতে পিবিআই মামলার তদন্ত শুরু করে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা মামলার আসামি সাফায়েত আলী ওরফে সাফুকে (৩৫) রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের পর হত্যার রহস্য বের হয়। তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

আজ শুক্রবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক দিদারুল ফেরদাউস সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন।

মামলার অভিযোগ ও পিবিআই সূত্রে জানা যায়, নিহত গোলাম রসুল মজুমদার লিটন জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা দক্ষিণ ইউনিয়নের নলকুড়ি গ্রামের প্রয়াত তফাজ্জল হোসেনের ছেলে। তিনি নলকুড়ি ফোরকানীয়া মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন। ২০২৪ সালের ৬ মার্চ তিনি যখন মাদ্রাসায় পাঠদান করছিলেন, তখন একই গ্রামের শাহ আলমের ছেলে ঘাতক সাফায়েত আলী শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পেছন থেকে এসে ধারালো দা দিয়ে তাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে হত্যা নিশ্চিত করে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে পাশের গ্রাম থেকে তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

পিবিআই জানায়, এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মাহমুদা হেলেন চৌধুরী বাদী হয়ে সাফায়েত আলী ও তার বড় ভাই কেরামত আলীসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। থানা পুলিশ আসামিকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি। পরে পুলিশ সাফায়েতের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

থানা পুলিশের তদন্তে হত্যাকাÐের মূল রহস্য ও অন্য আসামিদের সম্পৃক্ততা স্পষ্ট না হওয়ায় মামলার বাদী আদালতে নারাজি আবেদন করেন। এর প্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর আদালত মামলাটির অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক দিদারুল ফেরদাউস জানান, কারাবন্দি আসামি সাফায়েত আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গত বুধবার আসামিকে পিবিআই হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি হত্যাকাণ্ডের রোমহর্ষক বর্ণনা দেন। পরদিন বৃহস্পতিবার ওই আসামি হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। তিনি একাই এই হত্যার সঙ্গে জড়িত।

পিবিআই কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. মতিয়ার রহমান সাংবাদিকদের জানান, ঘাতক সাফায়েত আলী একসময় সিঙ্গাপুর প্রবাসী ছিলেন। দেশে ফিরে বিয়ে করার পর তিনি মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। মাদকের কারণে স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে না পারায় স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যায়। পরবর্তীতে নিজের ভাইয়ের কাছে জমি বিক্রি করে তিনি সম্পূর্ণ নিঃস্ব ও হতাশ হয়ে পড়েন। এসব পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্থানীয়ভাবে বেশ কয়েকবার সালিশ-বিচার করেছিলেন প্রতিবেশী মাদ্রাসা শিক্ষক গোলাম রসুল মজুমদার লিটন। এসব সামাজিক বিচার ও বিভিন্ন বিষয়ের প্রতি ক্ষোভ থেকেই শিক্ষক লিটনের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে সাফায়েত মাদ্রাসার শ্রেণিকক্ষে ঢুকে শিক্ষক লিটনকে কুপিয়ে হত্যা করেন।

Thumbnail image

কুমিল্লার সদর দক্ষিণে সালিশে যুক্ত থাকায় মাদরাসার শ্রেণিকক্ষে ঢুকে শিক্ষক মো. গোলাম রসুল মজুমদার লিটনকে (৪৮) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। দুই বছর পর চাঞ্চল্যকর হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। থানা পুলিশ এই মামলার চার্জশিট দিলেও আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি না থাকা এবং এজাহারনামীয় অপর আসামির সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত না হওয়ায় মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে বাদীর নারাজির প্রেক্ষিতে পিবিআই মামলার তদন্ত শুরু করে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা মামলার আসামি সাফায়েত আলী ওরফে সাফুকে (৩৫) রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের পর হত্যার রহস্য বের হয়। তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

আজ শুক্রবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক দিদারুল ফেরদাউস সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন।

মামলার অভিযোগ ও পিবিআই সূত্রে জানা যায়, নিহত গোলাম রসুল মজুমদার লিটন জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা দক্ষিণ ইউনিয়নের নলকুড়ি গ্রামের প্রয়াত তফাজ্জল হোসেনের ছেলে। তিনি নলকুড়ি ফোরকানীয়া মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন। ২০২৪ সালের ৬ মার্চ তিনি যখন মাদ্রাসায় পাঠদান করছিলেন, তখন একই গ্রামের শাহ আলমের ছেলে ঘাতক সাফায়েত আলী শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পেছন থেকে এসে ধারালো দা দিয়ে তাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে হত্যা নিশ্চিত করে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে পাশের গ্রাম থেকে তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

পিবিআই জানায়, এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মাহমুদা হেলেন চৌধুরী বাদী হয়ে সাফায়েত আলী ও তার বড় ভাই কেরামত আলীসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। থানা পুলিশ আসামিকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি। পরে পুলিশ সাফায়েতের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

থানা পুলিশের তদন্তে হত্যাকাÐের মূল রহস্য ও অন্য আসামিদের সম্পৃক্ততা স্পষ্ট না হওয়ায় মামলার বাদী আদালতে নারাজি আবেদন করেন। এর প্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর আদালত মামলাটির অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক দিদারুল ফেরদাউস জানান, কারাবন্দি আসামি সাফায়েত আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গত বুধবার আসামিকে পিবিআই হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি হত্যাকাণ্ডের রোমহর্ষক বর্ণনা দেন। পরদিন বৃহস্পতিবার ওই আসামি হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। তিনি একাই এই হত্যার সঙ্গে জড়িত।

পিবিআই কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. মতিয়ার রহমান সাংবাদিকদের জানান, ঘাতক সাফায়েত আলী একসময় সিঙ্গাপুর প্রবাসী ছিলেন। দেশে ফিরে বিয়ে করার পর তিনি মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। মাদকের কারণে স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে না পারায় স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যায়। পরবর্তীতে নিজের ভাইয়ের কাছে জমি বিক্রি করে তিনি সম্পূর্ণ নিঃস্ব ও হতাশ হয়ে পড়েন। এসব পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্থানীয়ভাবে বেশ কয়েকবার সালিশ-বিচার করেছিলেন প্রতিবেশী মাদ্রাসা শিক্ষক গোলাম রসুল মজুমদার লিটন। এসব সামাজিক বিচার ও বিভিন্ন বিষয়ের প্রতি ক্ষোভ থেকেই শিক্ষক লিটনের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে সাফায়েত মাদ্রাসার শ্রেণিকক্ষে ঢুকে শিক্ষক লিটনকে কুপিয়ে হত্যা করেন।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

নওয়াব ফয়জুন্নেছার বাড়ি সংরক্ষণে আরও যত্নবার হওয়ার তাগিদ

২

বরুড়ায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের বহিরাঙ্গন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

৩

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যার ২ বছর পর রহস্য উদঘাটন

৪

চৌদ্দগ্রামে দুই বাসের সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত

৫

নির্মাণাধীন সড়ক ও সীমানা প্রাচীর গুঁড়িয়ে দিল শিক্ষার্থীরা

সম্পর্কিত

নওয়াব ফয়জুন্নেছার বাড়ি সংরক্ষণে আরও যত্নবার হওয়ার তাগিদ

নওয়াব ফয়জুন্নেছার বাড়ি সংরক্ষণে আরও যত্নবার হওয়ার তাগিদ

১ ঘণ্টা আগে
বরুড়ায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের বহিরাঙ্গন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

বরুড়ায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের বহিরাঙ্গন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

৩ ঘণ্টা আগে
চৌদ্দগ্রামে দুই বাসের সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত

চৌদ্দগ্রামে দুই বাসের সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত

৩ ঘণ্টা আগে
নির্মাণাধীন সড়ক ও সীমানা প্রাচীর গুঁড়িয়ে দিল শিক্ষার্থীরা

নির্মাণাধীন সড়ক ও সীমানা প্রাচীর গুঁড়িয়ে দিল শিক্ষার্থীরা

৩ ঘণ্টা আগে