লালমাই প্রতিনিধি

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে লালমাই উপজেলা বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাওলানা মো. জাকির হোসেনের দোকানের কাঁচ ভাঙচুর করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সোয়া চারটায় বাগমারা দক্ষিণ বাজার রেলগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় বিএনপির বিবদমান পক্ষ ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, সিটি করপোরেশন ও সেনানিবাস এলাকা) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী ও কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার অনুসারীদের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জন্য দুই সংসদ সদস্যের অনুসারীরা পরস্পরকে দায়ী করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লালমাই উপজেলা একসময় বিএনপির বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মনিরুল হক চৌধুরীর নির্বাচনী এলাকা ছিল। লালমাই উপজেলা বিএনপির বর্তমান কমিটিও মনিরুল হক চৌধুরীর অনুসারীদের কাছে। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনিরুল হক চৌধুরী কুমিল্লা-৬ আসনে নির্বাচন করেন। কিন্তু নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পরও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মনিরুল হক চৌধুরী লালমাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে যান। এতে ক্ষুব্ধ হন সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। এ নিয়ে একাধিকবার প্রকাশ্যে বক্তব্য দেন মোবাশ্বের। গতকাল ছিল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে লালমাই উপজেলার বেলঘর থেকে অটোরিকশা করে বিএনপির নেতাকর্মীরা বাগমারা বাজারে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে আসছিলেন। এ সময় মোবাশ্বেরের অনুসারী মাওলানা মো. জাকির হোসেনের কর্মীরা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ আলী মীর পিন্টুর কর্মীদের উপর হামলা করে। খবর পেয়ে পিন্টুর অনুসারীরা জাকির মাওলানার অনুসারীদের ধাওয়া করে। এ সময় দুই পক্ষের অনুসারীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এ সময় বাগমারা বাজারে মোবাশ্বেরের অনুসারী জাকির মাওলানার দোকানের কাঁচ ভাঙচুর করা হয়।
জানতে চাইলে জাকির মাওলানা গতকাল রাতে আমার শহরকে বলেন, ওরা আমার দোকান ভেঙেছে। আমি থানায় আছি। পরে কথা বলব।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ আলী মীর পিন্টু বলেন, আমাদের কর্মীরা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বেলঘর থেকে বাগমারা বাজারে আসছিলেন। পথে জাকির মাওলানার লোকজন বাধা দেয়। এরপর আমরা গিয়ে তাদের উদ্ধার করি। জাকির মাওলানা বিএনপির কোনো পদে নেই। মোবাশ্বের এমপি মহোদয়ের লোক তিনি।
লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে একটি ধাওয়া হয়েছে। জাকির মাওলানার দোকানের কাঁচ ভাঙচুর হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে লালমাই উপজেলা বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাওলানা মো. জাকির হোসেনের দোকানের কাঁচ ভাঙচুর করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সোয়া চারটায় বাগমারা দক্ষিণ বাজার রেলগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় বিএনপির বিবদমান পক্ষ ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, সিটি করপোরেশন ও সেনানিবাস এলাকা) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী ও কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার অনুসারীদের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জন্য দুই সংসদ সদস্যের অনুসারীরা পরস্পরকে দায়ী করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লালমাই উপজেলা একসময় বিএনপির বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মনিরুল হক চৌধুরীর নির্বাচনী এলাকা ছিল। লালমাই উপজেলা বিএনপির বর্তমান কমিটিও মনিরুল হক চৌধুরীর অনুসারীদের কাছে। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনিরুল হক চৌধুরী কুমিল্লা-৬ আসনে নির্বাচন করেন। কিন্তু নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পরও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মনিরুল হক চৌধুরী লালমাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে যান। এতে ক্ষুব্ধ হন সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। এ নিয়ে একাধিকবার প্রকাশ্যে বক্তব্য দেন মোবাশ্বের। গতকাল ছিল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে লালমাই উপজেলার বেলঘর থেকে অটোরিকশা করে বিএনপির নেতাকর্মীরা বাগমারা বাজারে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে আসছিলেন। এ সময় মোবাশ্বেরের অনুসারী মাওলানা মো. জাকির হোসেনের কর্মীরা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ আলী মীর পিন্টুর কর্মীদের উপর হামলা করে। খবর পেয়ে পিন্টুর অনুসারীরা জাকির মাওলানার অনুসারীদের ধাওয়া করে। এ সময় দুই পক্ষের অনুসারীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এ সময় বাগমারা বাজারে মোবাশ্বেরের অনুসারী জাকির মাওলানার দোকানের কাঁচ ভাঙচুর করা হয়।
জানতে চাইলে জাকির মাওলানা গতকাল রাতে আমার শহরকে বলেন, ওরা আমার দোকান ভেঙেছে। আমি থানায় আছি। পরে কথা বলব।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ আলী মীর পিন্টু বলেন, আমাদের কর্মীরা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বেলঘর থেকে বাগমারা বাজারে আসছিলেন। পথে জাকির মাওলানার লোকজন বাধা দেয়। এরপর আমরা গিয়ে তাদের উদ্ধার করি। জাকির মাওলানা বিএনপির কোনো পদে নেই। মোবাশ্বের এমপি মহোদয়ের লোক তিনি।
লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে একটি ধাওয়া হয়েছে। জাকির মাওলানার দোকানের কাঁচ ভাঙচুর হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।