নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ঘরের আসবাবপত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ মালামাল ধ্বংস হয়ে অন্তত ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।
রোববার দিবাগত রাত তিনটার দিকে উপজেলার বাকই উত্তর ইউনিয়নের হাতিলোটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গভীর রাতে হাতিলোটা গ্রামের হাবিবুর রহমান ও মোজাম্মেলের বসতঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালালেও তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে লাকসাম থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে তিনটি বসতঘর ও ঘরের সব মালামাল পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য সাইফুদ্দিন শাকিল বলেন, আগুন লাগার বিষয়টি টের পেয়ে প্রথমে পরিবারের সদস্যদের ঘর থেকে বের করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
পরে মোটরসাইকেলটি অন্য বাড়িতে সরিয়ে রাখা হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা আগুনে তিনটি ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এতে অন্তত ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, লালমাই উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় পাশের উপজেলা থেকে গাড়ি আসতে সময় লেগেছে।
উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থাকলে ক্ষয়ক্ষতি কম হতে পারত।
স্থানীয় বাসিন্দা ও লালমাই প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন বলেন, আগুনের খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। তবে অন্য উপজেলা থেকে আসতে এক ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে। আগুনে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে লালমাই উপজেলায় দ্রুত ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন জরুরি।

কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ঘরের আসবাবপত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ মালামাল ধ্বংস হয়ে অন্তত ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।
রোববার দিবাগত রাত তিনটার দিকে উপজেলার বাকই উত্তর ইউনিয়নের হাতিলোটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গভীর রাতে হাতিলোটা গ্রামের হাবিবুর রহমান ও মোজাম্মেলের বসতঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালালেও তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে লাকসাম থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে তিনটি বসতঘর ও ঘরের সব মালামাল পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য সাইফুদ্দিন শাকিল বলেন, আগুন লাগার বিষয়টি টের পেয়ে প্রথমে পরিবারের সদস্যদের ঘর থেকে বের করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
পরে মোটরসাইকেলটি অন্য বাড়িতে সরিয়ে রাখা হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা আগুনে তিনটি ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এতে অন্তত ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, লালমাই উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় পাশের উপজেলা থেকে গাড়ি আসতে সময় লেগেছে।
উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থাকলে ক্ষয়ক্ষতি কম হতে পারত।
স্থানীয় বাসিন্দা ও লালমাই প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন বলেন, আগুনের খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। তবে অন্য উপজেলা থেকে আসতে এক ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে। আগুনে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে লালমাই উপজেলায় দ্রুত ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন জরুরি।