মেঘনা প্রতিনিধি

নতুন রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের তুলাতলী গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত তিনজন। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন রাস্তা নির্মাণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল বাতেন মৃধা ও চন্দনপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নাছির উদ্দিন মেম্বারের পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার রাতে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি মীমাংসার জন্য বিচার বসালেও এক পক্ষ উপস্থিত না হওয়ায় কোনো সমাধান হয়নি। পরে বিচার শেষে বাড়ি ফেরার পথে তুলাতলী মৃধা বাড়ির নতুন মাটির রাস্তার ওপর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে আব্দুল বাতেন মৃধার পক্ষের আজিজ (৪৫) ও তাঁর ছোট ভাই দেলোয়ার হোসেন গুরুতর আহত হন।
এলাকাবাসীর দাবি, দেলোয়ার হোসেনের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আহতদের প্রথমে মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে দেলোয়ার হোসেনের অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ৪টার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। দেলোয়ার হোসেন প্রয়াত আব্দুর রহমানের ছেলে।
অন্যদিকে নাছির উদ্দিন মেম্বার (৪৫) ও তাঁর সহযোগী হালিম (৩৮) আহত হয়েছেন বলে সূত্র জানিয়েছে। সূত্র জানায়, তাদের শরীরেও ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এ ঘটনায় তুলাতলী গ্রামে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সংঘর্ষের পর আব্দুল বাতেন মৃধার বাড়িঘরে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
মেঘনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম বলেন, দেলোয়ার হোসেন নামের একজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

নতুন রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের তুলাতলী গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত তিনজন। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন রাস্তা নির্মাণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল বাতেন মৃধা ও চন্দনপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নাছির উদ্দিন মেম্বারের পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার রাতে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি মীমাংসার জন্য বিচার বসালেও এক পক্ষ উপস্থিত না হওয়ায় কোনো সমাধান হয়নি। পরে বিচার শেষে বাড়ি ফেরার পথে তুলাতলী মৃধা বাড়ির নতুন মাটির রাস্তার ওপর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে আব্দুল বাতেন মৃধার পক্ষের আজিজ (৪৫) ও তাঁর ছোট ভাই দেলোয়ার হোসেন গুরুতর আহত হন।
এলাকাবাসীর দাবি, দেলোয়ার হোসেনের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আহতদের প্রথমে মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে দেলোয়ার হোসেনের অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ৪টার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। দেলোয়ার হোসেন প্রয়াত আব্দুর রহমানের ছেলে।
অন্যদিকে নাছির উদ্দিন মেম্বার (৪৫) ও তাঁর সহযোগী হালিম (৩৮) আহত হয়েছেন বলে সূত্র জানিয়েছে। সূত্র জানায়, তাদের শরীরেও ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এ ঘটনায় তুলাতলী গ্রামে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সংঘর্ষের পর আব্দুল বাতেন মৃধার বাড়িঘরে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
মেঘনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম বলেন, দেলোয়ার হোসেন নামের একজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।