মনোহরগঞ্জ প্রতিনিধি

ঈদের বাকি আর ৮দিন। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। আর ঈদের আনন্দ পরিপূর্ণ করতে শহর ও গ্রামের সব বয়সের মানুষের চাই নতুন পোশাক। শুধু নতুন পোশাক হলেই চলবে না, তা হতে হবে সময়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও পছন্দনীয়। এরই মধ্যে ভিড় বেড়ে গেছে মনোহরগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মনোহরগঞ্জ বাজারের মার্কেটগুলোতে। পোশাকের পাশাপাশি জুতা, কসমেটিক্স নানা কিছু কেনাকাটা চলছে। প্রতিদিন তারা ছুটে আসছেন নিজেদের পছন্দের বিভিন্ন ধরনের পোশাক ক্রয়ের জন্য। সব মিলিয়ে পোশাক, কসমেটিক্স জুতার পাশাপাশি মুদি দোকানেও জমে উঠেছে ঈদ বাজারের কেনাকাটা।
ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, যারা ঈদে পরিবারের সদস্যদের কেনাকাটার ঝামেলা এড়িয়ে স্বস্তিতে থাকতে চাচ্ছেন তারা রমজানের শুরুতেই কেনাকাটা করতে দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে মার্কেটে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের সরব উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার মনোহরগঞ্জ লক্ষণপুর বাজার, নাথেরপেটুয়া বাজার, বিপুলাসর বাজার, হাসনাবাদ বাজার, খিলা বাজার, মনোহরগঞ্জ উপজেলা সদর বাজার আব্দুল আলী প্লাজা মার্কেট, সওদাগর মার্কেট, হাজী আলী আস্বাদ টাওয়ার, মারুফা লেডিস মার্কেট, তালুকদার সুপার মার্কেট, মোল্লা ম্যানশনসহ বেশ কয়েকটি মার্কেটের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, সকাল ১০টা হতে বিকেল পর্যন্ত এবং ইফতারের পর হতে রাত পর্যন্ত মানুষ বেশি বেছে নিয়েছে ঈদের কেনাকাটার জন্য। বিশেষ করে মহিলা, যুবক, তরুণ তরুণীদের পদচারণায় এসব মার্কেটগুলো বেশ মুখর হয়ে উঠেছে। ঈদকে কেন্দ্র করে উপজেলার ব্যবসায়ীরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। মালিক ও কর্মচারীদের দম ফেলার ফুরসত নেই।
সাহা ক্লথ স্টোর এন্ড জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী বিধান সাহা বলেন, শাড়ি, কাপড়, লুঙ্গি, পাঞ্জাবি, থ্রি-পিস ১ হাজার, ১২০০-১৮০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। সবকিছু ক্রয় ক্ষমতার ভেতরে রয়েছে।
বিক্রেতা শেখ ফরিদ মানিক বলেন, দামী মালের প্রতি এবছর গ্রাহকের চাহিদা রয়েছে। ভালো উন্নতমানের থ্রি-পিস এবার ঈদ মার্কেটে এসেছে। প্রতিটি থ্রি পিসের দাম ১৮০০ থেকে শুরু করে ৩৫০০ টাকা। আমাদের বেচাকেনা ভালো হচ্ছে ।
মো. ইয়াছিন শরীফ নামে আরেক বিক্রেতা জানান, শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবির দাম এ বছর সীমিত রয়েছে। ক্রেতারা স্বাচ্ছন্দ্যে ক্রয় করতে পারছে।
মনোহরগঞ্জ বাজারের মুদি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী নয়ন ও সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন টিপু বলেন, চাল, ডাল, সেমাই, চিনি, পেঁয়াজ, তেল, রসুন, হলুদ, মরিচ, বুট, মুড়ি, খেজুরসহ মুদি মালামালের দাম এ রমজানে স্বাভাবিক রয়েছে ।

ঈদের বাকি আর ৮দিন। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। আর ঈদের আনন্দ পরিপূর্ণ করতে শহর ও গ্রামের সব বয়সের মানুষের চাই নতুন পোশাক। শুধু নতুন পোশাক হলেই চলবে না, তা হতে হবে সময়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও পছন্দনীয়। এরই মধ্যে ভিড় বেড়ে গেছে মনোহরগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মনোহরগঞ্জ বাজারের মার্কেটগুলোতে। পোশাকের পাশাপাশি জুতা, কসমেটিক্স নানা কিছু কেনাকাটা চলছে। প্রতিদিন তারা ছুটে আসছেন নিজেদের পছন্দের বিভিন্ন ধরনের পোশাক ক্রয়ের জন্য। সব মিলিয়ে পোশাক, কসমেটিক্স জুতার পাশাপাশি মুদি দোকানেও জমে উঠেছে ঈদ বাজারের কেনাকাটা।
ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, যারা ঈদে পরিবারের সদস্যদের কেনাকাটার ঝামেলা এড়িয়ে স্বস্তিতে থাকতে চাচ্ছেন তারা রমজানের শুরুতেই কেনাকাটা করতে দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে মার্কেটে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের সরব উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার মনোহরগঞ্জ লক্ষণপুর বাজার, নাথেরপেটুয়া বাজার, বিপুলাসর বাজার, হাসনাবাদ বাজার, খিলা বাজার, মনোহরগঞ্জ উপজেলা সদর বাজার আব্দুল আলী প্লাজা মার্কেট, সওদাগর মার্কেট, হাজী আলী আস্বাদ টাওয়ার, মারুফা লেডিস মার্কেট, তালুকদার সুপার মার্কেট, মোল্লা ম্যানশনসহ বেশ কয়েকটি মার্কেটের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, সকাল ১০টা হতে বিকেল পর্যন্ত এবং ইফতারের পর হতে রাত পর্যন্ত মানুষ বেশি বেছে নিয়েছে ঈদের কেনাকাটার জন্য। বিশেষ করে মহিলা, যুবক, তরুণ তরুণীদের পদচারণায় এসব মার্কেটগুলো বেশ মুখর হয়ে উঠেছে। ঈদকে কেন্দ্র করে উপজেলার ব্যবসায়ীরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। মালিক ও কর্মচারীদের দম ফেলার ফুরসত নেই।
সাহা ক্লথ স্টোর এন্ড জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী বিধান সাহা বলেন, শাড়ি, কাপড়, লুঙ্গি, পাঞ্জাবি, থ্রি-পিস ১ হাজার, ১২০০-১৮০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। সবকিছু ক্রয় ক্ষমতার ভেতরে রয়েছে।
বিক্রেতা শেখ ফরিদ মানিক বলেন, দামী মালের প্রতি এবছর গ্রাহকের চাহিদা রয়েছে। ভালো উন্নতমানের থ্রি-পিস এবার ঈদ মার্কেটে এসেছে। প্রতিটি থ্রি পিসের দাম ১৮০০ থেকে শুরু করে ৩৫০০ টাকা। আমাদের বেচাকেনা ভালো হচ্ছে ।
মো. ইয়াছিন শরীফ নামে আরেক বিক্রেতা জানান, শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবির দাম এ বছর সীমিত রয়েছে। ক্রেতারা স্বাচ্ছন্দ্যে ক্রয় করতে পারছে।
মনোহরগঞ্জ বাজারের মুদি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী নয়ন ও সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন টিপু বলেন, চাল, ডাল, সেমাই, চিনি, পেঁয়াজ, তেল, রসুন, হলুদ, মরিচ, বুট, মুড়ি, খেজুরসহ মুদি মালামালের দাম এ রমজানে স্বাভাবিক রয়েছে ।