নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের মতোই জঘন্য কাজ করছে জামায়াতে ইসলামী। বিশেষ করে নির্বাচন ঘিরে আওয়ামী লীগের জুলুমও হার মানাচ্ছে এ জামায়াত। তাঁরা টার্গেট করে আমাদের বিএনপি নেতাদের হেয় প্রতিপন্ন করছে। ওরা বলে ওনারা নাকি আল্লাহর আইন কায়েম করতে চায়। তাহলে ওরা মানুষের ক্ষতি করে কেন?
গতকাল শনিবার দুপুরে মুরাদনগরের বাঙ্গরা সীমানারপাড়ে 'মরহুম হাজী রুহুল আমিন ও হাজী মোমেনা বেগম ফাউন্ডেশন'-এর উদ্যোগে আয়োজিত হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, রাসুল (সা.) তো বলেছেন, প্রকৃত মুসলমান সেই ব্যক্তি, যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলমানরা নিরাপদ থাকে।
আর মিথ্যা প্রোপাগান্ডা প্রচার ও মানুষের সম্মানহানি বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, মিরাজের রাতে আমি এমন এক দল মানুষের পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলাম, যাদের নখগুলো তামার তৈরি এবং তা দিয়ে তাঁরা অনবরত তাদের মুখমণ্ডলে ও বুকে আঁচড় মারছে। আমি বললাম, হে জিবরিল! এরা কারা? তিনি বললেন, এরা সেসব লোক, যারা মানুষের গোশত খেত (গিবত করত) এবং তাদের মানসম্মানে আঘাত হানত।'
সুতরাং যাদের হাত দিয়ে মানুষ জুলুমের শিকার হয় এবং যাদের মিথ্যা কথা ও অপবাদের মাধ্যমে মানুষের সম্মানহানি হয়, তারা কখনো পূর্ণাঙ্গ ও আদর্শ মুসলমান হতে পারে না।
তিনি বলেন, আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে। আওয়ামী লীগের মতো জামায়াতে ইসলামী অপপ্রচার আর কুৎসা রটিয়ে বিএনপিকে কলঙ্কিত করতে চায়। ইনশাআল্লাহ এরা সফল হবে না। আল্লাহ জালিম আওয়ামী লীগ থেকে যেভাবে দেশকে বাঁচিয়েছে, নব্য জালিম জামায়াতে ইসলামীর হাত থেকেও দেশকে রক্ষা করে বিএনপিকে বিজয়ী করবে ইনশাআল্লাহ।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু বক্কর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে এবং শ্রমিক নেতা গোলাম মোস্তফা ও পল্লী চিকিৎসক জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের ছোট ভাই কাজী জুন্নুন বসরী।
প্রতিযোগিতায় উপজেলার মোট ৩৮টি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। কয়েক ধাপের বাছাই শেষে চূড়ান্ত পর্বে ২০টি মাদ্রাসার হাফেজরা স্থান পায়। ৫ পারা ও ১০ পারা-এই দুই ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাওলানা হাফেজ বেলাল হোছাইন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সভাপতি মাওলানা অলিউল্লাহ আতিকুর রহমান, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন অঞ্জন ও যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, নজরুল ইসলাম, কুমিল্লা উত্তর জেলা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী তাহমিনা আক্তার মিনা।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম সিদ্দিকী, বিএনপি নেতা আনিসুর রহমান খান, ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি গাজী আব্দুল বাছির, সমাজসেবক ওবায়দুল হক সরকার।

আওয়ামী লীগের মতোই জঘন্য কাজ করছে জামায়াতে ইসলামী। বিশেষ করে নির্বাচন ঘিরে আওয়ামী লীগের জুলুমও হার মানাচ্ছে এ জামায়াত। তাঁরা টার্গেট করে আমাদের বিএনপি নেতাদের হেয় প্রতিপন্ন করছে। ওরা বলে ওনারা নাকি আল্লাহর আইন কায়েম করতে চায়। তাহলে ওরা মানুষের ক্ষতি করে কেন?
গতকাল শনিবার দুপুরে মুরাদনগরের বাঙ্গরা সীমানারপাড়ে 'মরহুম হাজী রুহুল আমিন ও হাজী মোমেনা বেগম ফাউন্ডেশন'-এর উদ্যোগে আয়োজিত হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, রাসুল (সা.) তো বলেছেন, প্রকৃত মুসলমান সেই ব্যক্তি, যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলমানরা নিরাপদ থাকে।
আর মিথ্যা প্রোপাগান্ডা প্রচার ও মানুষের সম্মানহানি বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, মিরাজের রাতে আমি এমন এক দল মানুষের পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলাম, যাদের নখগুলো তামার তৈরি এবং তা দিয়ে তাঁরা অনবরত তাদের মুখমণ্ডলে ও বুকে আঁচড় মারছে। আমি বললাম, হে জিবরিল! এরা কারা? তিনি বললেন, এরা সেসব লোক, যারা মানুষের গোশত খেত (গিবত করত) এবং তাদের মানসম্মানে আঘাত হানত।'
সুতরাং যাদের হাত দিয়ে মানুষ জুলুমের শিকার হয় এবং যাদের মিথ্যা কথা ও অপবাদের মাধ্যমে মানুষের সম্মানহানি হয়, তারা কখনো পূর্ণাঙ্গ ও আদর্শ মুসলমান হতে পারে না।
তিনি বলেন, আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে। আওয়ামী লীগের মতো জামায়াতে ইসলামী অপপ্রচার আর কুৎসা রটিয়ে বিএনপিকে কলঙ্কিত করতে চায়। ইনশাআল্লাহ এরা সফল হবে না। আল্লাহ জালিম আওয়ামী লীগ থেকে যেভাবে দেশকে বাঁচিয়েছে, নব্য জালিম জামায়াতে ইসলামীর হাত থেকেও দেশকে রক্ষা করে বিএনপিকে বিজয়ী করবে ইনশাআল্লাহ।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু বক্কর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে এবং শ্রমিক নেতা গোলাম মোস্তফা ও পল্লী চিকিৎসক জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের ছোট ভাই কাজী জুন্নুন বসরী।
প্রতিযোগিতায় উপজেলার মোট ৩৮টি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। কয়েক ধাপের বাছাই শেষে চূড়ান্ত পর্বে ২০টি মাদ্রাসার হাফেজরা স্থান পায়। ৫ পারা ও ১০ পারা-এই দুই ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাওলানা হাফেজ বেলাল হোছাইন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সভাপতি মাওলানা অলিউল্লাহ আতিকুর রহমান, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন অঞ্জন ও যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, নজরুল ইসলাম, কুমিল্লা উত্তর জেলা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী তাহমিনা আক্তার মিনা।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম সিদ্দিকী, বিএনপি নেতা আনিসুর রহমান খান, ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি গাজী আব্দুল বাছির, সমাজসেবক ওবায়দুল হক সরকার।