নিহতদের দুইজন মুরাদনগরের বাসিন্দা, দেখতে যাচ্ছিলেন নতুন বাড়ি
নিজস্ব প্রতিবেদক

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলেসহ তিন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুজন।
আজ বুধবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিউইয়র্ক প্রবাসী মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। সোমবার (৬ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নিউইয়র্কের আলবানি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নিহতরা হলেন- কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কড়ইবাড়ি গ্রামের মো. হীরামন (৬০) এবং তার ছেলে নাজমুল রোবেল (৩০), ফাহিম আলিম (২৭)। ফাহিম নাজমুলের বন্ধু। তারা নিউইয়র্কের লাউডনভিলে বসবাস করতেন।
আহতরা হলেন- হীরামনের বড় মেয়ে রত্না (৩৩) এবং নাতনী ইকরা (১)। তাদের নিউইয়র্কের আলবানি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিহত হীরামনের ছোট বোন রাজিয়া বেগম ঘটনার সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন।
নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কমিউনিটি সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্ক সময় সোমবার সন্ধ্যায় একটি প্রাইভেটকারে চড়ে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন হতাহতরা। নাজমুল রোবেল নিজে গাড়িটি চালাচ্ছিলেন। আলবানির রুট ৯-এইচ সড়কের ভ্যান ওয়াইক লেনে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের মাঝের লাইন অতিক্রম করে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি টয়োটা ক্রাউন গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিউইয়র্ক কমিউনিটির মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
রাজিয়া বেগম বলেন, বুধবার নিউইয়র্ক সময় জোহরের নামাজের পর বাইতুল আমান ইসলামিক সেন্টারে (২৩৫১, এভিনিউ, ব্রনক্স, নিউইয়র্ক) নিহতদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে নিউ জার্সির মার্লবুরো মুসলিম সিমেটেরিতে তাদের দাফন করা হয়।
রোবেলের নতুন বাড়ি দেখতে যাচ্ছিলেন সবাই
নিহত নাজমুল রোবেলের নিকটাত্মীয় নিউইয়র্কে বসবাস করা ফারহানা পাপড়ি। তিনি জানান, নিহত নাজমুল রোবেলরা দুই ভাই দুই বোন। বাবা-মাসহ পরিবারের সবাই ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যান তাঁরা। রোবেলের ছোট ফুফু রাজিয়া বেগম ১৯৯৫ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন। ২০০৪ সালে রাজিয়া তাঁর ভাইয়ের পরিবারের সবার ভিসার জন্য আবেদন করেন। ২০১৮ সালে তাদের ভিসা অনুমোদন পায়। সেখানে যাওয়ার পর যে যার মতো যে কাজ পাচ্ছিলেন করছিলেন।
ফারহানা পাপড়ি বলেন, নাজমুল রোবেল সেখানে একটি কোম্পানিতে চাকরি নেন। রোবেল অনেক সাহসী ছেলে ছিলেন। জীবনে অনেক কিছু করার স্বপ্ন ছিল তাঁর। অনেক দেশ ভ্রমণের ইচ্ছে ছিল। সেই চিন্তা থেকে নিউইয়র্কের আলবানিতে ‘হলি বার্গার’ নামে একটি রেস্টুরেন্ট প্রতিষ্ঠা করেন। ২০২৪ সালের জুনে বিয়ে করেন রোবেল। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে পরিবারের সবাইবাংলাদেশে এসে বিয়ের অনুষ্ঠান করেন ধুমধাম করে। পরে আবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যান। তাঁর স্ত্রী বাংলাদেশেই থাকেন।
তিনি বলেন, সম্প্রতি নিউইয়র্কের আলবানি এলাকায় ‘১১ বিল হির্চ রোডে’ একটি বাড়ি কেনেন রোবেল। সোমবার সেই বাড়িটি দেখতে বাবা-মা ভাই-বোন, ভাগ্নি এবং বন্ধু ফাহিমকে নিয়ে দুটি গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন সবাই। রোবেলের গাড়িতে বাবা হেরামন, বোন রত্না, ভাগ্নি ইকরা এবং বন্ধু ফাহিম ছিলেন। অন্য গাড়িতে মা, ছোট ভাই এবং বোন ছিলেন। রোবেল তার গাড়িটা নিজেই চালাচ্ছিলেন। নিউইয়র্ক সময় সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটের দিকে আলবানির রুট ৯-এইচ সড়কের ভ্যান ওয়াইক লেনে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের মাঝের লাইন অতিক্রম করে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি টয়োটা ক্রাউন গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাদের।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলেসহ তিন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুজন।
আজ বুধবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিউইয়র্ক প্রবাসী মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। সোমবার (৬ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নিউইয়র্কের আলবানি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নিহতরা হলেন- কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কড়ইবাড়ি গ্রামের মো. হীরামন (৬০) এবং তার ছেলে নাজমুল রোবেল (৩০), ফাহিম আলিম (২৭)। ফাহিম নাজমুলের বন্ধু। তারা নিউইয়র্কের লাউডনভিলে বসবাস করতেন।
আহতরা হলেন- হীরামনের বড় মেয়ে রত্না (৩৩) এবং নাতনী ইকরা (১)। তাদের নিউইয়র্কের আলবানি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিহত হীরামনের ছোট বোন রাজিয়া বেগম ঘটনার সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন।
নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কমিউনিটি সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্ক সময় সোমবার সন্ধ্যায় একটি প্রাইভেটকারে চড়ে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন হতাহতরা। নাজমুল রোবেল নিজে গাড়িটি চালাচ্ছিলেন। আলবানির রুট ৯-এইচ সড়কের ভ্যান ওয়াইক লেনে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের মাঝের লাইন অতিক্রম করে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি টয়োটা ক্রাউন গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিউইয়র্ক কমিউনিটির মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
রাজিয়া বেগম বলেন, বুধবার নিউইয়র্ক সময় জোহরের নামাজের পর বাইতুল আমান ইসলামিক সেন্টারে (২৩৫১, এভিনিউ, ব্রনক্স, নিউইয়র্ক) নিহতদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে নিউ জার্সির মার্লবুরো মুসলিম সিমেটেরিতে তাদের দাফন করা হয়।
রোবেলের নতুন বাড়ি দেখতে যাচ্ছিলেন সবাই
নিহত নাজমুল রোবেলের নিকটাত্মীয় নিউইয়র্কে বসবাস করা ফারহানা পাপড়ি। তিনি জানান, নিহত নাজমুল রোবেলরা দুই ভাই দুই বোন। বাবা-মাসহ পরিবারের সবাই ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যান তাঁরা। রোবেলের ছোট ফুফু রাজিয়া বেগম ১৯৯৫ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন। ২০০৪ সালে রাজিয়া তাঁর ভাইয়ের পরিবারের সবার ভিসার জন্য আবেদন করেন। ২০১৮ সালে তাদের ভিসা অনুমোদন পায়। সেখানে যাওয়ার পর যে যার মতো যে কাজ পাচ্ছিলেন করছিলেন।
ফারহানা পাপড়ি বলেন, নাজমুল রোবেল সেখানে একটি কোম্পানিতে চাকরি নেন। রোবেল অনেক সাহসী ছেলে ছিলেন। জীবনে অনেক কিছু করার স্বপ্ন ছিল তাঁর। অনেক দেশ ভ্রমণের ইচ্ছে ছিল। সেই চিন্তা থেকে নিউইয়র্কের আলবানিতে ‘হলি বার্গার’ নামে একটি রেস্টুরেন্ট প্রতিষ্ঠা করেন। ২০২৪ সালের জুনে বিয়ে করেন রোবেল। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে পরিবারের সবাইবাংলাদেশে এসে বিয়ের অনুষ্ঠান করেন ধুমধাম করে। পরে আবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যান। তাঁর স্ত্রী বাংলাদেশেই থাকেন।
তিনি বলেন, সম্প্রতি নিউইয়র্কের আলবানি এলাকায় ‘১১ বিল হির্চ রোডে’ একটি বাড়ি কেনেন রোবেল। সোমবার সেই বাড়িটি দেখতে বাবা-মা ভাই-বোন, ভাগ্নি এবং বন্ধু ফাহিমকে নিয়ে দুটি গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন সবাই। রোবেলের গাড়িতে বাবা হেরামন, বোন রত্না, ভাগ্নি ইকরা এবং বন্ধু ফাহিম ছিলেন। অন্য গাড়িতে মা, ছোট ভাই এবং বোন ছিলেন। রোবেল তার গাড়িটা নিজেই চালাচ্ছিলেন। নিউইয়র্ক সময় সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটের দিকে আলবানির রুট ৯-এইচ সড়কের ভ্যান ওয়াইক লেনে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের মাঝের লাইন অতিক্রম করে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি টয়োটা ক্রাউন গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাদের।