মুরাদনগর প্রতিনিধি

কুমিল্লার মুরাদনগরে পাওনা টাকার বিরোধের জেরে রুবেল ইসলাম নামের এক নির্মাণ শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আক্কাশ আলী ওরফে আকাশ নামের আরেক নির্মাণ শ্রমিককে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার দুপুরে জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহত রুবেল ইসলাম চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার বেলপুকুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের একমাত্র ছেলে। অভিযুক্ত আক্কাশ আলী একই উপজেলার চন্দনা উজিরপুর গ্রামের সাহাদাতের ছেলে।
পুলিশ ও মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কাজের সূত্রে রুবেল ও আকাশসহ আরও কয়েকজন শ্রমিক নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নর গুঞ্জুর গ্রামের বেলতলী বাজার এলাকায় একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পাওনা টাকা নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্ত আকাশ লোহার তৈরি বস্তু দিয়ে রুবেলের মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করে। ঘটনার সময় সহকর্মী কামাল মিয়া বাইরে থেকে ঘরে ঢোকার পথে আকাশকে দ্রুত বেরিয়ে যেতে দেখেন। পরে ঘরে ঢুকে রুবেলকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত পার্শ্ববর্তী দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় বুধবার রাতে রুবেলের বাবা সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
নিহতের বাবা সাইফুল ইসলাম বলেন, রুবেল আমার একমাত্র সন্তান। কৃষিকাজ করে কোনোমতে সংসার চালাই। দুই মাস আগে সংসারের সচ্ছলতার আশায় ছেলেকে কাজের জন্য মুরাদনগরে পাঠিয়েছিলাম। এখন সে লাশ হয়ে ফিরেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক আব্বাস কবির চৌধুরী জানান, স্থানীয়দের সহযোগিতায় বুধবার রাতে গুঞ্জুর গ্রাম থেকে অভিযুক্ত আকাশকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের কথা স্বীকার করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

কুমিল্লার মুরাদনগরে পাওনা টাকার বিরোধের জেরে রুবেল ইসলাম নামের এক নির্মাণ শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আক্কাশ আলী ওরফে আকাশ নামের আরেক নির্মাণ শ্রমিককে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার দুপুরে জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহত রুবেল ইসলাম চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার বেলপুকুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের একমাত্র ছেলে। অভিযুক্ত আক্কাশ আলী একই উপজেলার চন্দনা উজিরপুর গ্রামের সাহাদাতের ছেলে।
পুলিশ ও মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কাজের সূত্রে রুবেল ও আকাশসহ আরও কয়েকজন শ্রমিক নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নর গুঞ্জুর গ্রামের বেলতলী বাজার এলাকায় একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পাওনা টাকা নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্ত আকাশ লোহার তৈরি বস্তু দিয়ে রুবেলের মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করে। ঘটনার সময় সহকর্মী কামাল মিয়া বাইরে থেকে ঘরে ঢোকার পথে আকাশকে দ্রুত বেরিয়ে যেতে দেখেন। পরে ঘরে ঢুকে রুবেলকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত পার্শ্ববর্তী দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় বুধবার রাতে রুবেলের বাবা সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
নিহতের বাবা সাইফুল ইসলাম বলেন, রুবেল আমার একমাত্র সন্তান। কৃষিকাজ করে কোনোমতে সংসার চালাই। দুই মাস আগে সংসারের সচ্ছলতার আশায় ছেলেকে কাজের জন্য মুরাদনগরে পাঠিয়েছিলাম। এখন সে লাশ হয়ে ফিরেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক আব্বাস কবির চৌধুরী জানান, স্থানীয়দের সহযোগিতায় বুধবার রাতে গুঞ্জুর গ্রাম থেকে অভিযুক্ত আকাশকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের কথা স্বীকার করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।