নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে নির্মাণ শ্রমিক মোস্তাফিজুর রহমানের (২৩) মৃত্যু হয়েছে। তিনি নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছাপানী ইউনিয়নের কাকরা গ্রামের সাইদুল ইসলামের ছেলে। গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বদরপুর গ্রামের কাজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বদরপুর গ্রামের কাজী বাড়ির সৌদিআরব প্রবাসী কাজী ওসমান ও লোকমান হোসেনের নির্মাণাধীন ৫তলা ভবনে মোস্তাফিজুর রহমান গত দুই বছর থেকে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন। রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মোস্তাফিজুর রহমান নির্মাণাধীন ৫ তলা ভবনের ছাদের সেন্টারিংয়ের বাঁশ খুলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যান। এসময় তাঁর মাথা এবং শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এক পর্যায়ে অন্যান্য নির্মাণ শ্রমিকরা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এসময় হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, নির্মাণাধীন ভবনটির ঠিকাদার কোনো ধরনের নিরাপত্তা ছাড়া শ্রমিকদের দিয়ে ভবনের কাজ করাচ্ছেন। যার ফলে নিরাপত্তার অভাবে একজন শ্রমিককে অকালে জীবন দিয়ে হয়েছে।
নিহত মোস্তাফিজুর রহমানে মামা আবদুর রাজ্জাক বলেন, ভবনের মালিকের সঙ্গে আমাদের এ ব্যাপারে কথা হচ্ছে। আমরা চাই। লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়া দেশের বাড়িতে নিয়ে যেতে।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্র্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, নির্মাণ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছি। ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে নির্মাণ শ্রমিক মোস্তাফিজুর রহমানের (২৩) মৃত্যু হয়েছে। তিনি নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছাপানী ইউনিয়নের কাকরা গ্রামের সাইদুল ইসলামের ছেলে। গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বদরপুর গ্রামের কাজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বদরপুর গ্রামের কাজী বাড়ির সৌদিআরব প্রবাসী কাজী ওসমান ও লোকমান হোসেনের নির্মাণাধীন ৫তলা ভবনে মোস্তাফিজুর রহমান গত দুই বছর থেকে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন। রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মোস্তাফিজুর রহমান নির্মাণাধীন ৫ তলা ভবনের ছাদের সেন্টারিংয়ের বাঁশ খুলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যান। এসময় তাঁর মাথা এবং শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এক পর্যায়ে অন্যান্য নির্মাণ শ্রমিকরা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এসময় হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, নির্মাণাধীন ভবনটির ঠিকাদার কোনো ধরনের নিরাপত্তা ছাড়া শ্রমিকদের দিয়ে ভবনের কাজ করাচ্ছেন। যার ফলে নিরাপত্তার অভাবে একজন শ্রমিককে অকালে জীবন দিয়ে হয়েছে।
নিহত মোস্তাফিজুর রহমানে মামা আবদুর রাজ্জাক বলেন, ভবনের মালিকের সঙ্গে আমাদের এ ব্যাপারে কথা হচ্ছে। আমরা চাই। লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়া দেশের বাড়িতে নিয়ে যেতে।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্র্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, নির্মাণ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছি। ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।