নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে নিখোঁজের ৫দিন পর ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক মেহেদি হাসানের (১৮) অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ।
আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়নের আটিয়াবাড়ি গ্রামের একটি বাগানের বরই গাছের নিচে বাঁধা অবস্থায় তার লাশটি উদ্ধার করা হয়। মেহেদি উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের পাটোয়ার তিনানি বাড়ির প্রয়াত ইব্রাহিমের ছেলে। মেহেদি গত ৯মাস পূর্বে নিজে পছন্দ করে পার্শ্ববর্তী বাড়ির আবুল কালামের মেয়ে নাদিয়াকে বিয়ে করেন।
আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়নের আটিয়াবাড়ি গ্রামে একটি বাগানে স্থানীয় শিশুরা খেলতে গিয়ে তীব্র গন্ধ পান। এসময় শিশুরা বিষয়টি গ্রামের লোকজনকে জানান। পরে স্থানীয় লোকজন বাগানে গিয়ে মেহেদির লাশের সন্ধান পান। পরে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি নাঙ্গলকোট থানা পুলিশকে জানান। পরে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মেহেদির লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।
মেহেদির মামা শাহ আলম বলেন, মেহেদি গত ৭ আগস্ট তার অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয়। ওইদিন তাকে না পেয়ে পরেরদিন ৮ আগস্ট আমার বোন কুসুম বেগম তার নিখোঁজে বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। গত ৪দিন কুমিল্লা এবং নোয়াখালীর বিভিন্ন হাসপাতালে তার খোঁজ করা হয়। এছাড়া নাঙ্গলকোটের চিলপাড়া, বক্সগঞ্জ অষ্টগ্রামসহ বিভিন্নস্থানে খুঁজেও তাকে পাওয়া যায়নি। আজ বুধবার দুপুরে ঢাকা থেকে আমার ফুফাতো ভাই শামীমের মাধ্যমে আটিয়াবাড়ি এলাকায় মেহেদির লাশ পাওয়ার বিষয়টি জানতে পারি। এক পর্যায়ে ঘটনাস্থালে গিয়ে মেহেদির লাশ শনাক্ত করি। ঘটনাস্থলে তার অটোরিকশার চাবি পাওয়া গেছে। কিন্তু অটোরিকশাটি পাওয়া যায়নি। তার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এলাকার সন্দেহভাজন ২-৩জন জড়িত থাকতে পারে।
নাঙ্গলকোট থানার উপ-পরিদর্শক আশ্রাফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে মেহেদির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা মেহেদির মাথার বাম পাশে আঘাত করে মাথার খুলি ভেঙে এবং মাথার ডান পাশে ছিদ্র করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে তার প্যান্টের ব্যাল্ট দিয়ে বেঁধে একটি বড়ই গাছের নিছে বসিয়ে রাখেন। আমরা আলামত হিসেবে তার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চাবি এবং পরিধেয় বস্ত্র উদ্ধার করেছি। এ ব্যাপারে থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে নিখোঁজের ৫দিন পর ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক মেহেদি হাসানের (১৮) অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ।
আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়নের আটিয়াবাড়ি গ্রামের একটি বাগানের বরই গাছের নিচে বাঁধা অবস্থায় তার লাশটি উদ্ধার করা হয়। মেহেদি উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের পাটোয়ার তিনানি বাড়ির প্রয়াত ইব্রাহিমের ছেলে। মেহেদি গত ৯মাস পূর্বে নিজে পছন্দ করে পার্শ্ববর্তী বাড়ির আবুল কালামের মেয়ে নাদিয়াকে বিয়ে করেন।
আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়নের আটিয়াবাড়ি গ্রামে একটি বাগানে স্থানীয় শিশুরা খেলতে গিয়ে তীব্র গন্ধ পান। এসময় শিশুরা বিষয়টি গ্রামের লোকজনকে জানান। পরে স্থানীয় লোকজন বাগানে গিয়ে মেহেদির লাশের সন্ধান পান। পরে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি নাঙ্গলকোট থানা পুলিশকে জানান। পরে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মেহেদির লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।
মেহেদির মামা শাহ আলম বলেন, মেহেদি গত ৭ আগস্ট তার অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয়। ওইদিন তাকে না পেয়ে পরেরদিন ৮ আগস্ট আমার বোন কুসুম বেগম তার নিখোঁজে বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। গত ৪দিন কুমিল্লা এবং নোয়াখালীর বিভিন্ন হাসপাতালে তার খোঁজ করা হয়। এছাড়া নাঙ্গলকোটের চিলপাড়া, বক্সগঞ্জ অষ্টগ্রামসহ বিভিন্নস্থানে খুঁজেও তাকে পাওয়া যায়নি। আজ বুধবার দুপুরে ঢাকা থেকে আমার ফুফাতো ভাই শামীমের মাধ্যমে আটিয়াবাড়ি এলাকায় মেহেদির লাশ পাওয়ার বিষয়টি জানতে পারি। এক পর্যায়ে ঘটনাস্থালে গিয়ে মেহেদির লাশ শনাক্ত করি। ঘটনাস্থলে তার অটোরিকশার চাবি পাওয়া গেছে। কিন্তু অটোরিকশাটি পাওয়া যায়নি। তার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এলাকার সন্দেহভাজন ২-৩জন জড়িত থাকতে পারে।
নাঙ্গলকোট থানার উপ-পরিদর্শক আশ্রাফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে মেহেদির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা মেহেদির মাথার বাম পাশে আঘাত করে মাথার খুলি ভেঙে এবং মাথার ডান পাশে ছিদ্র করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে তার প্যান্টের ব্যাল্ট দিয়ে বেঁধে একটি বড়ই গাছের নিছে বসিয়ে রাখেন। আমরা আলামত হিসেবে তার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চাবি এবং পরিধেয় বস্ত্র উদ্ধার করেছি। এ ব্যাপারে থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।