নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি

পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে হাত পায়ের রগ কেটে ও গুলি করে দুইজনকে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের আলিয়ারা গ্রামে।
নিহতরা হলেন- আলিয়ারা গ্রামের সালেহ আহমেদ (৬০) ও দেলোয়ার হোসেন নয়ন (৪৫)। এসময় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। নিহত ব্যক্তিরা চাচা-ভাতিজা।
নিহত সাবেক ইউপি সদস্য সালেহ আহমেদ বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের আলিয়ারা গ্রামের প্রয়াত সালামত উল্লাহর ছেলে এবং ব্রুনাই প্রবাসী দেলোয়ার হোসেন নয়ন একই গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান।
তিনি জানান, সংঘর্ষের পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
উল্লেখ, গত বছরের ৩ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আলাউদ্দিন মেম্বারকে তাঁর বাড়ির সামনে থেকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা। এরপর থেকে ওই এলাকায় বিরোধ শুরু হয়।
এদিকে হতাহতের ঘটনায় এখনও কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে রয়েছেন ।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত দেলোয়ার হোসেন নয়নের ছেলে ফয়সাল আহমেদ জয় অভিযোগ করে বলেন, তাঁর বাবাকে আলাউদ্দিন মেম্বারের ছেলে মো. রমিজ উদ্দিন, মনা মিয়ার ছেলে মো. তৌহিদ, মিন্টুর ছেলে মো. অনিক, মকজুল মেম্বারের ছেলে সামছু উদ্দিন, আওয়ামীলীগ নেতা তোতা মিয়াসহ ২ শতাধিক লোকজন প্রথমে পায়ে গুলি করে মাটিতে পড়ে গেলে দুই হাত ও দুই পায়ের রগ কেটে এবং মাথায় আঘাত করে হত্যা করেছে। এ হত্যাকারীদের দৃষ্টান্ত বিচার দাবি করেন তিনি।
সুত্র জানায় গত বছরের ৩ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আলাউদ্দিন মেম্বারকে তাঁর বাড়ির সামনে থেকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা। ঘটনার পর পর আলাউদ্দিন মেম্বারের লোকজন সালেহ আহমেদ গংদের দায়ী করে পুরো গ্রামে ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও তান্ডব চালায়। এরপর সালেহ আহমেদ গংদের এলাকা ছাড়া করে তাঁরা।
গত ২ জানুয়ারি সালেহ আহমেদ মেম্বারের লোকজন বাড়ির পাশে তাঁবু টাঙিয়ে অস্থায়ী ভাবে বসবাস করেন। এরপর আলাউদ্দিন মেম্বার গ্রুপের লোকজন তাদেরকে এলাকা ছাড়া করতে গেলে সংঘর্ষ বাঁধে। পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেন।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, সালেহ আহমেদ মেম্বার ও আবুল খায়ের দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ রয়েছে। ওই বিরোধের জের ধরে আজ খুনোখুনি হয়। পাল্টাপাল্টি প্রতিশোধ নিতে এই ঘটনা ঘটে।
বক্সগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুর রশীদ ভূঁইয়া জানান, গত চারদিন ধরে বিবদমান দুইপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে আসছি। শুক্রবার সকালেও তাদের বারণ করেছি, যেন সংঘাতে না জড়ায়। কিন্তু তারা আমার কথা শোনেনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতবছরের জুন মাসে গরুর ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে আলাউদ্দিন মেম্বার গ্রুপ ও সালেহ আহমেদ মেম্বার গ্রুপের মধ্যে কয়েকদফা সংঘর্ষ হয়। এতে বহু আহত হন এবং অর্ধশতাধিক বাড়িঘর আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। সর্বশেষ ওই বছরের ৩ আগস্ট আলাউদ্দিন মেম্বারকে অপহরণ করে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। এই হত্যার ঘটনার পর সালেহ আহমেদ মেম্বার গ্রুপ দীর্ঘদিন এলাকা ছেড়ে বাইরে অবস্থান করেন। ৩ জানুয়ারি সালেহ আহমেদ মেম্বার গ্রুপ এলাকায় প্রবেশের চেষ্টা করলে আলাউদ্দিন মেম্বার গ্রুপের লোকজন বাধা প্রদান করেন এবং বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকেন।
নিহত দেলোয়ার হোসেন নয়নের বড় বোন হাজেরা আক্তার রিংকি জানান, আমাদের বাড়িঘর সব জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে অনেক আগেই। তারপরও আমরা বাড়িতে গিয়ে তাঁবু টানিয়ে থাকতে শুরু করি। শুক্রবার সকালে আলাউদ্দিন মেম্বারের ছেলে রাজিবসহ ২শতাধিক সন্ত্রাসী এক সঙ্গে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমার ভাই নয়ন ও আমার চাচা সালেহ আহমেদ মেম্বার গুলিবিদ্ধ হয়। মৃত্যু নিশ্চিত করতে তাদের হাত ও পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়।
নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সৈয়দা ফারহানা ইসলাম বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে কয়েকজনকে আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুইজন মারা গেছেন। প্রাথমিকভাবে বলা যাচ্ছে, গুলিবিদ্ধ ও হাত-পায়ের রগ কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে।
কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়া বলেন, দুইপক্ষের মধ্যে আগেই বিরোধ ছিল। তাঁরা আমার কাছে এসেছিল। দুইপক্ষকে আমি বলেছিলাম শান্ত থাকতে। নির্বাচন গেলে আমি তাদের নিয়ে বসব, বিষয়টি মিটমাট করে দিব। তাঁরা আমার কথা শুনেননি।

পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে হাত পায়ের রগ কেটে ও গুলি করে দুইজনকে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের আলিয়ারা গ্রামে।
নিহতরা হলেন- আলিয়ারা গ্রামের সালেহ আহমেদ (৬০) ও দেলোয়ার হোসেন নয়ন (৪৫)। এসময় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। নিহত ব্যক্তিরা চাচা-ভাতিজা।
নিহত সাবেক ইউপি সদস্য সালেহ আহমেদ বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের আলিয়ারা গ্রামের প্রয়াত সালামত উল্লাহর ছেলে এবং ব্রুনাই প্রবাসী দেলোয়ার হোসেন নয়ন একই গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান।
তিনি জানান, সংঘর্ষের পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
উল্লেখ, গত বছরের ৩ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আলাউদ্দিন মেম্বারকে তাঁর বাড়ির সামনে থেকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা। এরপর থেকে ওই এলাকায় বিরোধ শুরু হয়।
এদিকে হতাহতের ঘটনায় এখনও কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে রয়েছেন ।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত দেলোয়ার হোসেন নয়নের ছেলে ফয়সাল আহমেদ জয় অভিযোগ করে বলেন, তাঁর বাবাকে আলাউদ্দিন মেম্বারের ছেলে মো. রমিজ উদ্দিন, মনা মিয়ার ছেলে মো. তৌহিদ, মিন্টুর ছেলে মো. অনিক, মকজুল মেম্বারের ছেলে সামছু উদ্দিন, আওয়ামীলীগ নেতা তোতা মিয়াসহ ২ শতাধিক লোকজন প্রথমে পায়ে গুলি করে মাটিতে পড়ে গেলে দুই হাত ও দুই পায়ের রগ কেটে এবং মাথায় আঘাত করে হত্যা করেছে। এ হত্যাকারীদের দৃষ্টান্ত বিচার দাবি করেন তিনি।
সুত্র জানায় গত বছরের ৩ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আলাউদ্দিন মেম্বারকে তাঁর বাড়ির সামনে থেকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা। ঘটনার পর পর আলাউদ্দিন মেম্বারের লোকজন সালেহ আহমেদ গংদের দায়ী করে পুরো গ্রামে ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও তান্ডব চালায়। এরপর সালেহ আহমেদ গংদের এলাকা ছাড়া করে তাঁরা।
গত ২ জানুয়ারি সালেহ আহমেদ মেম্বারের লোকজন বাড়ির পাশে তাঁবু টাঙিয়ে অস্থায়ী ভাবে বসবাস করেন। এরপর আলাউদ্দিন মেম্বার গ্রুপের লোকজন তাদেরকে এলাকা ছাড়া করতে গেলে সংঘর্ষ বাঁধে। পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেন।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, সালেহ আহমেদ মেম্বার ও আবুল খায়ের দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ রয়েছে। ওই বিরোধের জের ধরে আজ খুনোখুনি হয়। পাল্টাপাল্টি প্রতিশোধ নিতে এই ঘটনা ঘটে।
বক্সগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুর রশীদ ভূঁইয়া জানান, গত চারদিন ধরে বিবদমান দুইপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে আসছি। শুক্রবার সকালেও তাদের বারণ করেছি, যেন সংঘাতে না জড়ায়। কিন্তু তারা আমার কথা শোনেনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতবছরের জুন মাসে গরুর ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে আলাউদ্দিন মেম্বার গ্রুপ ও সালেহ আহমেদ মেম্বার গ্রুপের মধ্যে কয়েকদফা সংঘর্ষ হয়। এতে বহু আহত হন এবং অর্ধশতাধিক বাড়িঘর আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। সর্বশেষ ওই বছরের ৩ আগস্ট আলাউদ্দিন মেম্বারকে অপহরণ করে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। এই হত্যার ঘটনার পর সালেহ আহমেদ মেম্বার গ্রুপ দীর্ঘদিন এলাকা ছেড়ে বাইরে অবস্থান করেন। ৩ জানুয়ারি সালেহ আহমেদ মেম্বার গ্রুপ এলাকায় প্রবেশের চেষ্টা করলে আলাউদ্দিন মেম্বার গ্রুপের লোকজন বাধা প্রদান করেন এবং বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকেন।
নিহত দেলোয়ার হোসেন নয়নের বড় বোন হাজেরা আক্তার রিংকি জানান, আমাদের বাড়িঘর সব জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে অনেক আগেই। তারপরও আমরা বাড়িতে গিয়ে তাঁবু টানিয়ে থাকতে শুরু করি। শুক্রবার সকালে আলাউদ্দিন মেম্বারের ছেলে রাজিবসহ ২শতাধিক সন্ত্রাসী এক সঙ্গে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমার ভাই নয়ন ও আমার চাচা সালেহ আহমেদ মেম্বার গুলিবিদ্ধ হয়। মৃত্যু নিশ্চিত করতে তাদের হাত ও পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়।
নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সৈয়দা ফারহানা ইসলাম বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে কয়েকজনকে আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুইজন মারা গেছেন। প্রাথমিকভাবে বলা যাচ্ছে, গুলিবিদ্ধ ও হাত-পায়ের রগ কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে।
কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়া বলেন, দুইপক্ষের মধ্যে আগেই বিরোধ ছিল। তাঁরা আমার কাছে এসেছিল। দুইপক্ষকে আমি বলেছিলাম শান্ত থাকতে। নির্বাচন গেলে আমি তাদের নিয়ে বসব, বিষয়টি মিটমাট করে দিব। তাঁরা আমার কথা শুনেননি।