নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়া মেসার্স হাফিজ ট্রেডিং প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক পদে নেই। তিনি বহু আগেই কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তর করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা থেকে তাঁকে সাময়িকভাবে অব্যাহতিও দেওয়া হয়। নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি মহল তাঁর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে তিনি দাবি করেছেন। একই সঙ্গে পুলিশ প্রতিবেদন, যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরের প্রতিবেদনও আছে বলে জানান।
জানা গেছে, গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়া চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কাছে একটি আবেদন করেন। এতে তিনি ২০১৮ সালের ১২ মে মেসার্স হাফিজ ট্রেডিং প্রাইভেট লিমিটেডের যাবতীয় শেয়ার হস্তান্তরের মাধ্যমে পরিচালক পদ থেকে অব্যহতি নেন বলে জানান। অব্যহতি নেওয়ার পর ওই কোম্পানীর সঙ্গে তাঁর কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। কিন্তু ২০২৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর জালজালিয়াতি করে অসত্য ঘোষণায় শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার অপরাধে ওই কোম্পানির সব পরিচালকের বিপক্ষে চট্টগ্রাম বন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা মাসুদ হাসান ওই মামলা দায়ের করেন। মামলায় এজাহার নামীয় ৮ জন ও অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। ওই মামলায় পরিচালক হিসেবে আবদুল গফুর ভূঁইয়ার নাম লিপিবদ্ধ করা হয়। গত বছর ৩০ ডিসেম্বর পুলিশ কমিশনার তদন্ত করে তাঁকে মামলা থেকে সাময়িক অব্যহতি দেন।
জানতে চাইলে আবদুল গফুর ভূঁইয়া বলেন, যেহেতু আমি ২০১৮ সালের ১২ মে ওই কোম্পানির সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করি, তাই এই মামলায় আমার নাম থাকা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এই অবস্থায় দায়ের করা মামলা থেকে আমাকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মূলত হাফিজ ট্রেডিং প্রাইভেট লিমিটেডে পরিচালক পদ ছেড়ে দেওয়ার সময় ১ হাজার ২০টি শেয়ার মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়া কোম্পানির চেয়ারম্যান মো. খালেদ হোসাইন মামুনের কাছে ২০১৮ সালের ১২ মে হস্তান্তর করেন। এরপর তিনি পরিচালকের পদ থেকে বাদ পড়েন। যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপনিবন্ধকের পক্ষে এক্সামিনার অব একাউন্টস শিমুল কৃষ্ণ শীল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতেও তা বলা আছে।

কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়া মেসার্স হাফিজ ট্রেডিং প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক পদে নেই। তিনি বহু আগেই কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তর করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা থেকে তাঁকে সাময়িকভাবে অব্যাহতিও দেওয়া হয়। নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি মহল তাঁর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে তিনি দাবি করেছেন। একই সঙ্গে পুলিশ প্রতিবেদন, যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরের প্রতিবেদনও আছে বলে জানান।
জানা গেছে, গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়া চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কাছে একটি আবেদন করেন। এতে তিনি ২০১৮ সালের ১২ মে মেসার্স হাফিজ ট্রেডিং প্রাইভেট লিমিটেডের যাবতীয় শেয়ার হস্তান্তরের মাধ্যমে পরিচালক পদ থেকে অব্যহতি নেন বলে জানান। অব্যহতি নেওয়ার পর ওই কোম্পানীর সঙ্গে তাঁর কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। কিন্তু ২০২৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর জালজালিয়াতি করে অসত্য ঘোষণায় শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার অপরাধে ওই কোম্পানির সব পরিচালকের বিপক্ষে চট্টগ্রাম বন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা মাসুদ হাসান ওই মামলা দায়ের করেন। মামলায় এজাহার নামীয় ৮ জন ও অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। ওই মামলায় পরিচালক হিসেবে আবদুল গফুর ভূঁইয়ার নাম লিপিবদ্ধ করা হয়। গত বছর ৩০ ডিসেম্বর পুলিশ কমিশনার তদন্ত করে তাঁকে মামলা থেকে সাময়িক অব্যহতি দেন।
জানতে চাইলে আবদুল গফুর ভূঁইয়া বলেন, যেহেতু আমি ২০১৮ সালের ১২ মে ওই কোম্পানির সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করি, তাই এই মামলায় আমার নাম থাকা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এই অবস্থায় দায়ের করা মামলা থেকে আমাকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মূলত হাফিজ ট্রেডিং প্রাইভেট লিমিটেডে পরিচালক পদ ছেড়ে দেওয়ার সময় ১ হাজার ২০টি শেয়ার মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়া কোম্পানির চেয়ারম্যান মো. খালেদ হোসাইন মামুনের কাছে ২০১৮ সালের ১২ মে হস্তান্তর করেন। এরপর তিনি পরিচালকের পদ থেকে বাদ পড়েন। যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপনিবন্ধকের পক্ষে এক্সামিনার অব একাউন্টস শিমুল কৃষ্ণ শীল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতেও তা বলা আছে।