কুমিল্লা-১০ আসনে
পাভেল রহমান, নাঙ্গলকোট

নাঙ্গলকোটে তিন ভূঁইয়ার ঐক্যে সরব হয়ে উঠেছে বিএনপির ভোটের মাঠ। এ ঐকবদ্ধ্যতা অটুট রেখে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালিত হলে কুমিল্লা-১০ আসনটি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে অনেকে মনে করছেন।
জানা যায়, কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই) সংসদীয় আসনে নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির তিন নেতা আবদুল গফুর ভূঁইয়া, মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া ও নজির আহমেদ ভূঁইয়া তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে দীর্ঘদিন থেকে দলীয় কার্যক্রম পরিচালিত করে আসছিলেন। আবার তিন জনই ছিলেন, কুমিল্লা-১০ সংসদীয় আসনে বিএনপি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। দলীয়ভাবে সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভূঁইয়াকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। পরবর্তীতে দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে আবদুল গফুর ভূঁইয়ার মনোনয়ন বাতিল হলে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়াকে দলীয় মনোনয়ন দেয়। এনিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশী তিন ভূঁইয়ার মাঝে টানাপোড়েন দেখা দেয়। বিভক্ত হয়ে পড়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। অনিশ্চিত হয়ে পড়ে কুমিল্লা-১০ আসনের বিজয়। বিষয়টি জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের দৃষ্টিতে আসলে কুমিল্লা জেলা দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমনের নেতৃত্বে জেলা নেতৃবৃন্দ তিন ভূঁইয়াকে একতাবদ্ধ করে নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব দেয়। এদিকে তিন নেতার ঐক্যবদ্ধতায় সাধারণ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। জমে উঠেছে ভোটের মাঠ। প্রতিদিনি নাঙ্গলকোট এবং লালমাইয়ে তিন ভূঁইয়া নির্বাচনী প্রচারে অংশগ্রহণ করছেন। আবদুল গফুর ভূঁইয়া ও মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার মনোনয়ন নিয়ে আইনি জটিলতায় নির্বাচনী প্রচারে কিছুটা পিছিয়ে পড়লেও তাঁরা ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষ প্রতীকের বিরামহীন প্রচারণায় নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। এতে করে ভোটের মাঠে তারা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।
নাঙ্গলকোটের বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের কাদবা গ্রামের ভোটার ছালেহ আহম্মদ জানান, তিন ভূঁইয়ার ঐক্যবদ্ধতায় ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত হবে ইনশাআল্লাহ।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির নেতা নুরুল ইসলাম সোহাগ বলেন, দীর্ঘদিন থেকে চলে আসা দলীয় বিরোধে সাধারণ নেতাকর্মীদের অনেক হতাশার মধ্য চলতে হয়েছে। বর্তমানে ঐক্যবদ্ধ নেতৃত্বের কারণে যে কোনো কঠিন বিষয়ে সহজে আয়ত্তে আনা সম্ভব হবে। এতে বিএনপির এ আসনটি পুনরুদ্ধার করা অনেক সহজ হবে। মনোনয়ন বঞ্চিত সাবেক সাংসদ আবদুল গফুর ভূঁইয়া বলেন, আমার সঙ্গে জনগণের সম্পর্কটা মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। সুখে-দুঃখে সব সময় মানুষের পাশে থাকতে পেরেছি। দল আমাকে মনোনয়ন দিয়াছিল। কিন্তু ষড়যন্ত্র ও আইনি জটিলতায় আমি বাদ পড়েছি। তবে আমাদের ঐক্যবদ্ধতায় আশা করছি, ঐক্যবদ্ধ বিএনপির ধানের শীষ এখানে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে।

নাঙ্গলকোটে তিন ভূঁইয়ার ঐক্যে সরব হয়ে উঠেছে বিএনপির ভোটের মাঠ। এ ঐকবদ্ধ্যতা অটুট রেখে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালিত হলে কুমিল্লা-১০ আসনটি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে অনেকে মনে করছেন।
জানা যায়, কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই) সংসদীয় আসনে নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির তিন নেতা আবদুল গফুর ভূঁইয়া, মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া ও নজির আহমেদ ভূঁইয়া তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে দীর্ঘদিন থেকে দলীয় কার্যক্রম পরিচালিত করে আসছিলেন। আবার তিন জনই ছিলেন, কুমিল্লা-১০ সংসদীয় আসনে বিএনপি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। দলীয়ভাবে সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভূঁইয়াকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। পরবর্তীতে দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে আবদুল গফুর ভূঁইয়ার মনোনয়ন বাতিল হলে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়াকে দলীয় মনোনয়ন দেয়। এনিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশী তিন ভূঁইয়ার মাঝে টানাপোড়েন দেখা দেয়। বিভক্ত হয়ে পড়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। অনিশ্চিত হয়ে পড়ে কুমিল্লা-১০ আসনের বিজয়। বিষয়টি জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের দৃষ্টিতে আসলে কুমিল্লা জেলা দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমনের নেতৃত্বে জেলা নেতৃবৃন্দ তিন ভূঁইয়াকে একতাবদ্ধ করে নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব দেয়। এদিকে তিন নেতার ঐক্যবদ্ধতায় সাধারণ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। জমে উঠেছে ভোটের মাঠ। প্রতিদিনি নাঙ্গলকোট এবং লালমাইয়ে তিন ভূঁইয়া নির্বাচনী প্রচারে অংশগ্রহণ করছেন। আবদুল গফুর ভূঁইয়া ও মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার মনোনয়ন নিয়ে আইনি জটিলতায় নির্বাচনী প্রচারে কিছুটা পিছিয়ে পড়লেও তাঁরা ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষ প্রতীকের বিরামহীন প্রচারণায় নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। এতে করে ভোটের মাঠে তারা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।
নাঙ্গলকোটের বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের কাদবা গ্রামের ভোটার ছালেহ আহম্মদ জানান, তিন ভূঁইয়ার ঐক্যবদ্ধতায় ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত হবে ইনশাআল্লাহ।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির নেতা নুরুল ইসলাম সোহাগ বলেন, দীর্ঘদিন থেকে চলে আসা দলীয় বিরোধে সাধারণ নেতাকর্মীদের অনেক হতাশার মধ্য চলতে হয়েছে। বর্তমানে ঐক্যবদ্ধ নেতৃত্বের কারণে যে কোনো কঠিন বিষয়ে সহজে আয়ত্তে আনা সম্ভব হবে। এতে বিএনপির এ আসনটি পুনরুদ্ধার করা অনেক সহজ হবে। মনোনয়ন বঞ্চিত সাবেক সাংসদ আবদুল গফুর ভূঁইয়া বলেন, আমার সঙ্গে জনগণের সম্পর্কটা মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। সুখে-দুঃখে সব সময় মানুষের পাশে থাকতে পেরেছি। দল আমাকে মনোনয়ন দিয়াছিল। কিন্তু ষড়যন্ত্র ও আইনি জটিলতায় আমি বাদ পড়েছি। তবে আমাদের ঐক্যবদ্ধতায় আশা করছি, ঐক্যবদ্ধ বিএনপির ধানের শীষ এখানে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে।