নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি

নাঙ্গলকোটে অগ্নিকাণ্ডে দুটি দোকনঘর ও বিএনপির অফিস পুড়ে ছাই হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের দায়েমছাতি পশ্চিমবাজারে ঘটনাটি ঘটেছে। এতে প্রায় ১০লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত দোকানের স্বত্বাধিকারী জান্নাত ভ্যারাইটিজের আবদুল করিম ও মুরগি দোকানের ইব্রাহিম।
জানা যায়, উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের দায়েমছাতি পশ্চিম বাজারের জান্নাত ভ্যারাইটিজের স্বত্বাধিকারী আবদুল করিম ও মুরগি দোকানের স্বত্বাধিকারী ইব্রাহিম প্রতিদিনের মতো শুক্রবারে রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি চলে যান। আজ শনিবার সকালে দোকানে এসে দেখতে পান আগুনে তাদের দুটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে জান্নাত ভ্যারাইটিরেজ দুটি ফ্রিজ, বেকারি মালামাল, কসমেটিকস, বিভিন্ন ব্রান্ডের সিগারেট এবং দোকানঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। জান্নাত ভ্যারাইটিজের স্বত্বাধিকারী আবদুল করিম জানান, অগ্নিকাণ্ডে তার প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে যায়। এদিকে মুরগি দোকানের স্বত্বাধিকারী ইব্রাহিম জানান, আমার দোকানের মুরগি, ডিম, দোকানঘর এবং দোকানে পেছনে রাখা কাঠ পুড়ে যায়। এতে তার প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয় বলে ইব্রাহিম জানান।
হেসাখাল ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন জানান, আগুনে আমাদের দায়েমছাতি বাজারে বিএনপির অফিসের অধিকাংশ অংশ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ ব্যাপারে আমরা উপজেলা নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিজা আক্তার বিথী জানান, এ ব্যাপারে আমার নিকট কেউ অভিযোগ করেনি। তবে বিষয়টি আমি শুনেছি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা আমার নিকট অগ্নিকাণ্ডের ক্ষতিগ্রস্তের বিষয়ে আবেদন করলে তাদেরকে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার চেষ্টা করব।

নাঙ্গলকোটে অগ্নিকাণ্ডে দুটি দোকনঘর ও বিএনপির অফিস পুড়ে ছাই হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের দায়েমছাতি পশ্চিমবাজারে ঘটনাটি ঘটেছে। এতে প্রায় ১০লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত দোকানের স্বত্বাধিকারী জান্নাত ভ্যারাইটিজের আবদুল করিম ও মুরগি দোকানের ইব্রাহিম।
জানা যায়, উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের দায়েমছাতি পশ্চিম বাজারের জান্নাত ভ্যারাইটিজের স্বত্বাধিকারী আবদুল করিম ও মুরগি দোকানের স্বত্বাধিকারী ইব্রাহিম প্রতিদিনের মতো শুক্রবারে রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি চলে যান। আজ শনিবার সকালে দোকানে এসে দেখতে পান আগুনে তাদের দুটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে জান্নাত ভ্যারাইটিরেজ দুটি ফ্রিজ, বেকারি মালামাল, কসমেটিকস, বিভিন্ন ব্রান্ডের সিগারেট এবং দোকানঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। জান্নাত ভ্যারাইটিজের স্বত্বাধিকারী আবদুল করিম জানান, অগ্নিকাণ্ডে তার প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে যায়। এদিকে মুরগি দোকানের স্বত্বাধিকারী ইব্রাহিম জানান, আমার দোকানের মুরগি, ডিম, দোকানঘর এবং দোকানে পেছনে রাখা কাঠ পুড়ে যায়। এতে তার প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয় বলে ইব্রাহিম জানান।
হেসাখাল ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন জানান, আগুনে আমাদের দায়েমছাতি বাজারে বিএনপির অফিসের অধিকাংশ অংশ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ ব্যাপারে আমরা উপজেলা নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিজা আক্তার বিথী জানান, এ ব্যাপারে আমার নিকট কেউ অভিযোগ করেনি। তবে বিষয়টি আমি শুনেছি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা আমার নিকট অগ্নিকাণ্ডের ক্ষতিগ্রস্তের বিষয়ে আবেদন করলে তাদেরকে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার চেষ্টা করব।