সদর দক্ষিণ প্রতিনিধি

কুমিল্লার সদর দক্ষিণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে মল্লিকা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের গ্যাস ক্যাসকেড রুমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের (ভলান্টিয়ার) যৌথ তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়।
গতকাল রোববার রাতে মল্লিকা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের গ্যাস ক্যাসকেড রুমে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা শরীফ আহমেদ কবির জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস ক্যাসকেড রুমের গ্যাস রিজার্ভারের সেফটি ডিভাইসে লিকেজের কারণে কন্ট্রোল প্যানেলে আগুনের সূত্রপাত হয়। অতিরিক্ত তাপমাত্রা এবং সেখান থেকে সৃষ্ট বৈদ্যুতিক বা যান্ত্রিক স্পার্কের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ক্যাসকেড রুমে মোট ২৪টি গ্যাস সিলিন্ডার ছিল। এর মধ্যে ৮ থেকে ১০টি সিলিন্ডার আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিটি সিলিন্ডারের বাজারমূল্য আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। সে হিসাবে প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতার কারণে ক্যাসকেড রুমে থাকা অন্য সিলিন্ডার এবং পুরো ফিলিং স্টেশনটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা বিস্ফোরণের ঝুঁকি থেকে রক্ষা পায়।
স্টেশন কর্মকর্তা শরীফ আহমেদ কবির আরও জানান, আগুনের তীব্র তাপে কয়েকটি সিলিন্ডারের কন্ট্রোল হুইল গলে যাওয়ায় আগুন নির্বাপনের পরও রিজার্ভার থেকে গ্যাস লিক হতে থাকে। এতে আশপাশে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে এবং পুনরায় অগ্নিকাণ্ড বা বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়।
এ অবস্থায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও ভলান্টিয়ারদের সমন্বয়ে হ্যান্ডমাইকের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সতর্কতামূলক মাইকিং করা হয়। আশপাশে থাকা লোকজনকে নিরাপদ দূরত্বে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

কুমিল্লার সদর দক্ষিণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে মল্লিকা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের গ্যাস ক্যাসকেড রুমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের (ভলান্টিয়ার) যৌথ তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়।
গতকাল রোববার রাতে মল্লিকা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের গ্যাস ক্যাসকেড রুমে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা শরীফ আহমেদ কবির জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস ক্যাসকেড রুমের গ্যাস রিজার্ভারের সেফটি ডিভাইসে লিকেজের কারণে কন্ট্রোল প্যানেলে আগুনের সূত্রপাত হয়। অতিরিক্ত তাপমাত্রা এবং সেখান থেকে সৃষ্ট বৈদ্যুতিক বা যান্ত্রিক স্পার্কের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ক্যাসকেড রুমে মোট ২৪টি গ্যাস সিলিন্ডার ছিল। এর মধ্যে ৮ থেকে ১০টি সিলিন্ডার আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিটি সিলিন্ডারের বাজারমূল্য আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। সে হিসাবে প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতার কারণে ক্যাসকেড রুমে থাকা অন্য সিলিন্ডার এবং পুরো ফিলিং স্টেশনটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা বিস্ফোরণের ঝুঁকি থেকে রক্ষা পায়।
স্টেশন কর্মকর্তা শরীফ আহমেদ কবির আরও জানান, আগুনের তীব্র তাপে কয়েকটি সিলিন্ডারের কন্ট্রোল হুইল গলে যাওয়ায় আগুন নির্বাপনের পরও রিজার্ভার থেকে গ্যাস লিক হতে থাকে। এতে আশপাশে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে এবং পুনরায় অগ্নিকাণ্ড বা বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়।
এ অবস্থায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও ভলান্টিয়ারদের সমন্বয়ে হ্যান্ডমাইকের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সতর্কতামূলক মাইকিং করা হয়। আশপাশে থাকা লোকজনকে নিরাপদ দূরত্বে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়।