নিজস্ব প্রতিবেদক

বৈষম্যমুক্ত নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও ১ জানুয়ারি থেকে বাস্তবায়নের দাবিতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের সামনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুই ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। আজ রোববার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সোম ও মঙ্গলবারও একই কর্মসূচি পালন করবে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সদর দক্ষিণ উপজেলার উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার এম শাহরিয়ার ভূঁইয়া বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন করে আসছেন। এ লক্ষ্যে সরকার একটি কমিশন গঠন করে, যে কমিশনের রিপোর্ট সরকারের হাতে ইতিমধ্যে চলে এসেছে। কিন্তু গেজেট প্রকাশে গড়িমসি এবং এই সরকার কমিশন বাস্তবায়ন করবে না জানান সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টা। তখন থেকে ক্ষোভ প্রকাশ শুরু করেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সারা দেশের ন্যায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলায়ও অফিসগুলোয় ২ ঘণ্টার জন্য সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকে।
এ বিষয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী এসোসিয়েশন সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান বলেন, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ধৈর্য ধরা অপেক্ষা করেছেন। কিন্তু সরকার তাদের পেটের ক্ষুধা নিবারণের জন্য ন্যূনতম বেতনটুকু যদি না দেয়, তাহলে তারা কতদিন আর ধৈর্য ধারণ করবেন? তাই বাধ্য হয়ে কর্মবিরতি দিয়ে রাস্তায় নেমেছেন। সরকার দাবি বাস্তবায়ন করলে সঙ্গে সঙ্গে কাজে ফিরে যাবেন বলেও জানান তাঁরা।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে ১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিন দিন টানা দুই ঘণ্টা করে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে । এর মধ্যে দাবি আদায় না হলে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে সমাবেশ করবেন সংগঠনটি। আমাদের ন্যায্য দাবি আদায়ে কেন্দ্র যেই কর্মসূচি দিবে আমরা তা পালন করব।
এ সময় ফারুকুর ইসলাম, শেখ আমিনুর রহমান, সোহেল, নুরজাহান, সোহেল রানা, হাবীব, নারায়ন, সামীম রবি, হেলাল, হুমায়ুন, বাচ্চু, শাহাজান, শুভসহ উপজেলা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈষম্যমুক্ত নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও ১ জানুয়ারি থেকে বাস্তবায়নের দাবিতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের সামনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুই ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। আজ রোববার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সোম ও মঙ্গলবারও একই কর্মসূচি পালন করবে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সদর দক্ষিণ উপজেলার উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার এম শাহরিয়ার ভূঁইয়া বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন করে আসছেন। এ লক্ষ্যে সরকার একটি কমিশন গঠন করে, যে কমিশনের রিপোর্ট সরকারের হাতে ইতিমধ্যে চলে এসেছে। কিন্তু গেজেট প্রকাশে গড়িমসি এবং এই সরকার কমিশন বাস্তবায়ন করবে না জানান সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টা। তখন থেকে ক্ষোভ প্রকাশ শুরু করেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সারা দেশের ন্যায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলায়ও অফিসগুলোয় ২ ঘণ্টার জন্য সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকে।
এ বিষয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী এসোসিয়েশন সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান বলেন, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ধৈর্য ধরা অপেক্ষা করেছেন। কিন্তু সরকার তাদের পেটের ক্ষুধা নিবারণের জন্য ন্যূনতম বেতনটুকু যদি না দেয়, তাহলে তারা কতদিন আর ধৈর্য ধারণ করবেন? তাই বাধ্য হয়ে কর্মবিরতি দিয়ে রাস্তায় নেমেছেন। সরকার দাবি বাস্তবায়ন করলে সঙ্গে সঙ্গে কাজে ফিরে যাবেন বলেও জানান তাঁরা।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে ১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিন দিন টানা দুই ঘণ্টা করে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে । এর মধ্যে দাবি আদায় না হলে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে সমাবেশ করবেন সংগঠনটি। আমাদের ন্যায্য দাবি আদায়ে কেন্দ্র যেই কর্মসূচি দিবে আমরা তা পালন করব।
এ সময় ফারুকুর ইসলাম, শেখ আমিনুর রহমান, সোহেল, নুরজাহান, সোহেল রানা, হাবীব, নারায়ন, সামীম রবি, হেলাল, হুমায়ুন, বাচ্চু, শাহাজান, শুভসহ উপজেলা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।