সদর দক্ষিণ উপজেলা
কৃষিজমি থেকে মাটি সংগ্রহ করার অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার চৌয়ারা, গলিয়ারা ও জোড়কানন পশ্চিম ইউনিয়নের বিভিন্ন কৃষিজমি থেকে মাটি সংগ্রহ করে ইটভাটায় নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পাঁচটি ইটভাটাকে ১৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার বেলা একটা থেকে বিকেল পাঁচটায় পর্যন্ত ওই অভিযান চলে। সদর দক্ষিণ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী হাকিম সজীব তালুকদার ওই অভিযান পরিচালনা করেছেন।

এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সিনিয়র কেমিস্ট মো. রায়হান মোর্শেদ ও পরিদর্শক জোবায়ের হোসেন এবং সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সদর দক্ষিণ উপজেলার সহকারী কমিশনার( ভূমি) অফিস সূত্রে জানা গেছে. হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে আবাদযোগ্য কৃষিজমির মাটি সংগ্রহ করায়- ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুযায়ী,চৌয়ারা ইউনিয়নের
ফুনকা ব্রিকসকে পাঁচ লাখ টাকা, গলিয়ারা ইউনিয়নের লিজা ব্রিকসকে দুই লাখ টাকা ও জোড়কানন পশ্চিম ইউনিয়নের রহমান ব্রিকসকে দুই লাখ, ইউনূস ব্রিকসকে দুই লাখ ও ইলিয়াছ ব্রিকসকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ এর ৫। (১) ধারায় বলা হয়েছে," আপাতত বলবৎ অন্য আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যক্তি ইট প্রস্তুত করিবার উদ্দেশ্যে কৃষিজমি বা পাহাড় বা টিলা হইতে মাটি কাটিয়া বা সংগ্রহ করিয়া ইটের কাঁচামাল হিসাবে উহা ব্যবহার করিতে পারিবেন না।"একই আইনের ১৫। (১) ধারায় বলা হয়েছে-যদি কোন ব্যক্তি, ধারা ৫ এর(ক) উপ-ধারা (১) এর বিধান লঙ্ঘন করিয়া, ইট প্রস্তুত করিবার উদ্দেশ্যে কৃষিজমি বা পাহাড় বা টিলা হইতে মাটি কাটিয়া বা সংগ্রহ করিয়া ইটের কাঁচামাল হিসাবে উহা ব্যবহার করেন; বা(খ) উপ-ধারা (২) এর বিধান লঙ্ঘন করিয়া, জেলা প্রশাসকের অনুমোদন ব্যতীত ইট প্রস্তুতের উদ্দেশ্যে মজা পুকুর বা খাল বা বিল বা খাঁড়ি বা দিঘি বা নদ-নদী বা হাওর-বাওর বা চরাঞ্চল বা পতিত জায়গা হইতে মাটি কাটেন বা সংগ্রহ করেন;তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসরের কারাদণ্ড বা অনধিক [৫ (পাঁচ) লক্ষ] টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার চৌয়ারা, গলিয়ারা ও জোড়কানন পশ্চিম ইউনিয়নের বিভিন্ন কৃষিজমি থেকে মাটি সংগ্রহ করে ইটভাটায় নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পাঁচটি ইটভাটাকে ১৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার বেলা একটা থেকে বিকেল পাঁচটায় পর্যন্ত ওই অভিযান চলে। সদর দক্ষিণ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী হাকিম সজীব তালুকদার ওই অভিযান পরিচালনা করেছেন।

এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সিনিয়র কেমিস্ট মো. রায়হান মোর্শেদ ও পরিদর্শক জোবায়ের হোসেন এবং সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সদর দক্ষিণ উপজেলার সহকারী কমিশনার( ভূমি) অফিস সূত্রে জানা গেছে. হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে আবাদযোগ্য কৃষিজমির মাটি সংগ্রহ করায়- ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুযায়ী,চৌয়ারা ইউনিয়নের
ফুনকা ব্রিকসকে পাঁচ লাখ টাকা, গলিয়ারা ইউনিয়নের লিজা ব্রিকসকে দুই লাখ টাকা ও জোড়কানন পশ্চিম ইউনিয়নের রহমান ব্রিকসকে দুই লাখ, ইউনূস ব্রিকসকে দুই লাখ ও ইলিয়াছ ব্রিকসকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ এর ৫। (১) ধারায় বলা হয়েছে," আপাতত বলবৎ অন্য আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যক্তি ইট প্রস্তুত করিবার উদ্দেশ্যে কৃষিজমি বা পাহাড় বা টিলা হইতে মাটি কাটিয়া বা সংগ্রহ করিয়া ইটের কাঁচামাল হিসাবে উহা ব্যবহার করিতে পারিবেন না।"একই আইনের ১৫। (১) ধারায় বলা হয়েছে-যদি কোন ব্যক্তি, ধারা ৫ এর(ক) উপ-ধারা (১) এর বিধান লঙ্ঘন করিয়া, ইট প্রস্তুত করিবার উদ্দেশ্যে কৃষিজমি বা পাহাড় বা টিলা হইতে মাটি কাটিয়া বা সংগ্রহ করিয়া ইটের কাঁচামাল হিসাবে উহা ব্যবহার করেন; বা(খ) উপ-ধারা (২) এর বিধান লঙ্ঘন করিয়া, জেলা প্রশাসকের অনুমোদন ব্যতীত ইট প্রস্তুতের উদ্দেশ্যে মজা পুকুর বা খাল বা বিল বা খাঁড়ি বা দিঘি বা নদ-নদী বা হাওর-বাওর বা চরাঞ্চল বা পতিত জায়গা হইতে মাটি কাটেন বা সংগ্রহ করেন;তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসরের কারাদণ্ড বা অনধিক [৫ (পাঁচ) লক্ষ] টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।