নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে দুইজন সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার দুপুরে জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার উত্তর রামপুরের মিস্ত্রীপুকুর পাড় এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলার শিকার সাংবাদিকেরা হলেন- ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের কুমিল্লা প্রতিনিধি, কুমিল্লা কাগজের স্টাফ রিপোর্টার ও কুমিল্লা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের নির্বাহী সদস্য তানভীর দীপু এবং স্টার নিউজের কুমিল্লা ব্যুরো রিপোর্টার ও কুমিল্লা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের তথ্যপ্রযুক্তি ও আপ্যায়ন সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মারুফ।
সাংবাদিক তানভীর দিপু বলেন, বুধবার দুপুরে আমরা সংবাদ সংগ্রহে লালমাইয়ের দিকে যাচ্ছিলাম। এ সময় পদুয়ার বাজার মোড়ে যানজট দেখে উত্তর রামপুর বিদ্যুৎ অফিসের সামনের সড়ক দিয়ে কুমিল্লা-নোয়াখালী মহাসড়কে উঠতে যাচ্ছিলাম। এ সময় সড়কের সামনে স্থানীয়দের তৈরি করা লোহার ব্যারিকেডে কয়েকটি গাড়ি আটকে পড়ে। এতে সড়কে তীব্র যানজট দেখা দেয়। এসময় আমি যানজটের কারণ জানতে সামনে এগিয়ে যাই। লোহার ব্যারিকেডটি উপরের দিকে ধরে একটি একটি করে গাড়ি সরে যেতে সহযোগিতা করি।
এরই মধ্যে স্থানীয় শাওন নামের এক যুবক এসে কেন যানজট নিরসন করছি ও মানুষকে চলে যাওয়ার সুযোগ দিচ্ছি এটি নিয়ে আমার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে তিনি আমার গায়ে ধাক্কা দেন। পরে আমাকে রক্ষা করতে সহকর্মী মারুফ এসে আমাদের ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন।
তিনি বলেন, ‘উগ্র ওই ছেলেটা কোনো কারণ ছাড়াই রড হাতে নিয়ে আমাদের দিকে তেঁড়ে আসে। আমরা অনেক চেষ্টা করেছি তাকে ফেরানোর। স্থানীয় লোকজন তাকে নিয়ে যায়। আমরাও আমাদের গন্তব্যে ফিরে যাচ্ছিলাম। এ সময় হুট করে পিছন থেকে এসে মারুফের ঘাড়ে আঘাত করে। এতে তিনি সেন্সলেস হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আমিও এগোতে গেলে সে আমার ওপরও হামলা করে।’
এই ঘটনায় হামলার শিকার অপর সাংবাদিক আবদুল্লাহ আল মারুফ বলেন, ‘আমরা বুঝতেই পারিনি সে কেন হামলা করলো। লোহার ব্যারিকেডটি সরানোর কারণে হয়তো সে আমাদের ওপর হামলা করে। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।’
সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম চৌধুরী খোকন বলেন, ‘আমার সামনের ঘটনা। ছেলেটা খুবই উগ্র ছিল। সাংবাদিক শুনে সে বেশি উগ্র হয়ে যায়। আমার সামনেই তাদের হুট করে তাদের পেছন থেকে হামলা করে।’
এদিকে হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে কুমিল্লায় কর্মরত সাংবাদিকরা। তারা বলেন, সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হামলা, হুমকি বা হয়রানির শিকার হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ বজায় রাখা রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব।
তারা আরও বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা শুধু ব্যক্তির ওপর আক্রমণ নয়, এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা ও অবাধ তথ্যপ্রবাহের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল হাসান বলেন, এই ঘটনায় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আমরা অভিযুক্তকে ধরতে অভিযান শুরু করেছি।
এদিকে কুমিল্লা প্রেসক্লাবে আজ বৃহস্পতিবার সকালে এক প্রতিবাদ সভা হয়। এতে দোষী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, সিনিয়র সাংবাদিক মীর শাহ আলম,খায়রুল আহসান মানিক, গোলাম কিবরিয়া, দপ্তর সম্পাদক ওমর ফারুকী তাপস, সহিদ উল্লাহ মিয়াজী , সহিদ উল্লাহ, মোবারক হোসেন ও অর্থ সম্পাদক শাহ আলম সফি ।

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে দুইজন সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার দুপুরে জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার উত্তর রামপুরের মিস্ত্রীপুকুর পাড় এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলার শিকার সাংবাদিকেরা হলেন- ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের কুমিল্লা প্রতিনিধি, কুমিল্লা কাগজের স্টাফ রিপোর্টার ও কুমিল্লা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের নির্বাহী সদস্য তানভীর দীপু এবং স্টার নিউজের কুমিল্লা ব্যুরো রিপোর্টার ও কুমিল্লা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের তথ্যপ্রযুক্তি ও আপ্যায়ন সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মারুফ।
সাংবাদিক তানভীর দিপু বলেন, বুধবার দুপুরে আমরা সংবাদ সংগ্রহে লালমাইয়ের দিকে যাচ্ছিলাম। এ সময় পদুয়ার বাজার মোড়ে যানজট দেখে উত্তর রামপুর বিদ্যুৎ অফিসের সামনের সড়ক দিয়ে কুমিল্লা-নোয়াখালী মহাসড়কে উঠতে যাচ্ছিলাম। এ সময় সড়কের সামনে স্থানীয়দের তৈরি করা লোহার ব্যারিকেডে কয়েকটি গাড়ি আটকে পড়ে। এতে সড়কে তীব্র যানজট দেখা দেয়। এসময় আমি যানজটের কারণ জানতে সামনে এগিয়ে যাই। লোহার ব্যারিকেডটি উপরের দিকে ধরে একটি একটি করে গাড়ি সরে যেতে সহযোগিতা করি।
এরই মধ্যে স্থানীয় শাওন নামের এক যুবক এসে কেন যানজট নিরসন করছি ও মানুষকে চলে যাওয়ার সুযোগ দিচ্ছি এটি নিয়ে আমার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে তিনি আমার গায়ে ধাক্কা দেন। পরে আমাকে রক্ষা করতে সহকর্মী মারুফ এসে আমাদের ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন।
তিনি বলেন, ‘উগ্র ওই ছেলেটা কোনো কারণ ছাড়াই রড হাতে নিয়ে আমাদের দিকে তেঁড়ে আসে। আমরা অনেক চেষ্টা করেছি তাকে ফেরানোর। স্থানীয় লোকজন তাকে নিয়ে যায়। আমরাও আমাদের গন্তব্যে ফিরে যাচ্ছিলাম। এ সময় হুট করে পিছন থেকে এসে মারুফের ঘাড়ে আঘাত করে। এতে তিনি সেন্সলেস হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আমিও এগোতে গেলে সে আমার ওপরও হামলা করে।’
এই ঘটনায় হামলার শিকার অপর সাংবাদিক আবদুল্লাহ আল মারুফ বলেন, ‘আমরা বুঝতেই পারিনি সে কেন হামলা করলো। লোহার ব্যারিকেডটি সরানোর কারণে হয়তো সে আমাদের ওপর হামলা করে। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।’
সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম চৌধুরী খোকন বলেন, ‘আমার সামনের ঘটনা। ছেলেটা খুবই উগ্র ছিল। সাংবাদিক শুনে সে বেশি উগ্র হয়ে যায়। আমার সামনেই তাদের হুট করে তাদের পেছন থেকে হামলা করে।’
এদিকে হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে কুমিল্লায় কর্মরত সাংবাদিকরা। তারা বলেন, সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হামলা, হুমকি বা হয়রানির শিকার হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ বজায় রাখা রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব।
তারা আরও বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা শুধু ব্যক্তির ওপর আক্রমণ নয়, এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা ও অবাধ তথ্যপ্রবাহের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল হাসান বলেন, এই ঘটনায় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আমরা অভিযুক্তকে ধরতে অভিযান শুরু করেছি।
এদিকে কুমিল্লা প্রেসক্লাবে আজ বৃহস্পতিবার সকালে এক প্রতিবাদ সভা হয়। এতে দোষী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, সিনিয়র সাংবাদিক মীর শাহ আলম,খায়রুল আহসান মানিক, গোলাম কিবরিয়া, দপ্তর সম্পাদক ওমর ফারুকী তাপস, সহিদ উল্লাহ মিয়াজী , সহিদ উল্লাহ, মোবারক হোসেন ও অর্থ সম্পাদক শাহ আলম সফি ।