নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩১ বছর প্রাচীন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমা প্রাচীরের ভেতরে কবরস্থানের সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে। এর আগে স্কুল কমিটি থেকে বাদ পড়ে দুই ব্যক্তি প্রথম জমি নিয়ে মামলা, সংস্কার কাজে বাধা ও দেওয়ালের পিলার ভেঙে ফেলেন। এনিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর শনিবার উপজেলা প্রশাসন ওই স্কুল পরিদর্শন করেছে। পরিদর্শনের পর সরানো হলো স্কুল আঙিনায় স্থাপন করা কবরস্থানের সাইনবোর্ড।
আজ শনিবার স্কুল পরিদর্শন করেন, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন চন্দ্র রায়, সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) সজীব তালুকদার ও উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অফিসার প্রমুখ।
শিক্ষক ও অভিভাবকরা জানান, ১৮৯৫ সালে স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সাবেক দুইজন সদস্য আবুল কালাম আজাদ ও নুরুল ইসলাম। তারা দাতা সদস্য থাকতে না পেরে জায়গার জন্য মামলা দায়ের করেন। এদিকে ১৮ মে স্কুলের পেছনের দেওয়াল রক্ষাকারী পিলার নির্মাণ করা হয়। ওই রাতে সেই পিলার ভেঙে ইটগুলো দূরে ফেলা দেয়া হয়। ২২ মে স্কুলের সীমানা প্রাচীরের ভিতরে কবরস্থানের সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে।
সদর দক্ষিণ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শামীম ইকবাল ইমন বলেন, আমি ট্রেনিংয়ে আছি। ইউএনও, এসিল্যান্ড মহোদয় ও আমাদের কর্মকর্তারা স্কুলটি পরিদর্শন করেছেন। যেহেতু মামলা চলমান রয়েছে তাই সেখানে যেন কোনো পদক্ষেপ না হয় সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। স্কুলের শিক্ষার পরিবেশ যেন নষ্ট না হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।

১৩১ বছর প্রাচীন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমা প্রাচীরের ভেতরে কবরস্থানের সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে। এর আগে স্কুল কমিটি থেকে বাদ পড়ে দুই ব্যক্তি প্রথম জমি নিয়ে মামলা, সংস্কার কাজে বাধা ও দেওয়ালের পিলার ভেঙে ফেলেন। এনিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর শনিবার উপজেলা প্রশাসন ওই স্কুল পরিদর্শন করেছে। পরিদর্শনের পর সরানো হলো স্কুল আঙিনায় স্থাপন করা কবরস্থানের সাইনবোর্ড।
আজ শনিবার স্কুল পরিদর্শন করেন, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন চন্দ্র রায়, সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) সজীব তালুকদার ও উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অফিসার প্রমুখ।
শিক্ষক ও অভিভাবকরা জানান, ১৮৯৫ সালে স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সাবেক দুইজন সদস্য আবুল কালাম আজাদ ও নুরুল ইসলাম। তারা দাতা সদস্য থাকতে না পেরে জায়গার জন্য মামলা দায়ের করেন। এদিকে ১৮ মে স্কুলের পেছনের দেওয়াল রক্ষাকারী পিলার নির্মাণ করা হয়। ওই রাতে সেই পিলার ভেঙে ইটগুলো দূরে ফেলা দেয়া হয়। ২২ মে স্কুলের সীমানা প্রাচীরের ভিতরে কবরস্থানের সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে।
সদর দক্ষিণ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শামীম ইকবাল ইমন বলেন, আমি ট্রেনিংয়ে আছি। ইউএনও, এসিল্যান্ড মহোদয় ও আমাদের কর্মকর্তারা স্কুলটি পরিদর্শন করেছেন। যেহেতু মামলা চলমান রয়েছে তাই সেখানে যেন কোনো পদক্ষেপ না হয় সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। স্কুলের শিক্ষার পরিবেশ যেন নষ্ট না হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।