সাজিদুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ি সমতল ভূমিতে যতদূর চোখ যায়, ফুটে আছে ‘রূপবান’ জাতের শিমের ফুল। কোথাও থোকা-থোকা ঝুলছে বেগুনি রঙের শিম, আবার কোথাও সেই থোকা থেকে সদ্য ছিঁড়ে নেওয়া হয়েছে বাজারজাতের শিম। কেউ শিম তুলছেন, কেউ ব্যস্ত সময় পার করছেন পরিচর্যায়। এমনই চিত্র কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ঘেরা রাজারখলা এলাকার পাহাড়ের ঢালে ও সমতল লাল মাটিতে।
অধিক ফলন ও লাভজনক হওয়ায় সর্জন পদ্ধতিতে রূপবান জাতের শিম চাষ কৃষকদের মধ্যে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গতবারের তুলনায় এ বছর শিমের দাম কিছুটা কম হলেও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাজারখলার পাহাড়ি অঞ্চলগুলোর সমতল অংশে সারি সারি শিমের মাচা। সবুজ পাতার আড়ালে লুকিয়ে আছে বেগুনি রঙের শিম। মাঠজুড়ে শিমের মুকুল ও শিমে ভরে আছে মাচাগুলো। দেখা যায় কৃষকের ব্যস্ততা। কেউ শিম তুলছেন, কেউ দেখভাল করছেন, আবার কেউ রোগবালাই দমনে স্প্রে করছেন। পাহাড়ের ঢালে গড়ে ওঠা এসব শিমখেত এখন স্থানীয় কৃষকদের প্রধান আয়ের উৎসে পরিণত হয়েছে।

রাজারখলার স্থানীয় বাসিন্দা ও শিম চাষি মো. সুমন বলেন, ‘আমি এবার ৮০ শতক জমিতে রূপবান জাতের শিম চাষ করেছি। এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকায় আলহামদুলিল্লাহ ফলন ভালো হয়েছে। তবে গত বছর শিমের দাম তুলনামূলক ভালো ছিল। এবার শুরুতে ভালো দাম পেলেও বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি শিম ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিম চাষে শ্রমিক খরচ, সুতা, কীটনাশক, পানি ও সার মিলিয়ে ৮০ শতক জমিতে প্রায় এক লাখ টাকা খরচ হয়। ভালো ফলনের জন্য রাত-দিন গাছের যত্ন নিতে হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাগানজুড়ে ফুল এসেছে এবং কাঙ্ক্ষিত ফলনও মিলছে। ইতোমধ্যে কয়েক দফায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকার শিম বিক্রি করেছি। পুরো মৌসুমে ২ থেকে ৩ লাখ টাকা বিক্রি হতে পারে বলে আশা করছি।
স্থানীয় কৃষকদের মতে, সঠিক পরিচর্যা ও আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করলে পাহাড়ি এলাকায় শিম চাষ লাভজনক হতে পারে। এতে যেমন কৃষকের আয় বাড়ছে, তেমনি স্থানীয় বাজারেও শিমের সরবরাহ নিশ্চিত হচ্ছে।

সদর দক্ষিণ উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জুনায়েদ কবির ইথার বলেন, লালমাই পাহাড়ের ঢালে শিম, লাউ, করলাসহ নানা জাতের সবজির আবাদ হয়। এখানে ফলনও বেশ ভালো। কৃষি অফিস সবসময় কৃষকদের উৎসাহ ও পরামর্শ দিয়ে থাকে।

কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ি সমতল ভূমিতে যতদূর চোখ যায়, ফুটে আছে ‘রূপবান’ জাতের শিমের ফুল। কোথাও থোকা-থোকা ঝুলছে বেগুনি রঙের শিম, আবার কোথাও সেই থোকা থেকে সদ্য ছিঁড়ে নেওয়া হয়েছে বাজারজাতের শিম। কেউ শিম তুলছেন, কেউ ব্যস্ত সময় পার করছেন পরিচর্যায়। এমনই চিত্র কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ঘেরা রাজারখলা এলাকার পাহাড়ের ঢালে ও সমতল লাল মাটিতে।
অধিক ফলন ও লাভজনক হওয়ায় সর্জন পদ্ধতিতে রূপবান জাতের শিম চাষ কৃষকদের মধ্যে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গতবারের তুলনায় এ বছর শিমের দাম কিছুটা কম হলেও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাজারখলার পাহাড়ি অঞ্চলগুলোর সমতল অংশে সারি সারি শিমের মাচা। সবুজ পাতার আড়ালে লুকিয়ে আছে বেগুনি রঙের শিম। মাঠজুড়ে শিমের মুকুল ও শিমে ভরে আছে মাচাগুলো। দেখা যায় কৃষকের ব্যস্ততা। কেউ শিম তুলছেন, কেউ দেখভাল করছেন, আবার কেউ রোগবালাই দমনে স্প্রে করছেন। পাহাড়ের ঢালে গড়ে ওঠা এসব শিমখেত এখন স্থানীয় কৃষকদের প্রধান আয়ের উৎসে পরিণত হয়েছে।

রাজারখলার স্থানীয় বাসিন্দা ও শিম চাষি মো. সুমন বলেন, ‘আমি এবার ৮০ শতক জমিতে রূপবান জাতের শিম চাষ করেছি। এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকায় আলহামদুলিল্লাহ ফলন ভালো হয়েছে। তবে গত বছর শিমের দাম তুলনামূলক ভালো ছিল। এবার শুরুতে ভালো দাম পেলেও বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি শিম ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিম চাষে শ্রমিক খরচ, সুতা, কীটনাশক, পানি ও সার মিলিয়ে ৮০ শতক জমিতে প্রায় এক লাখ টাকা খরচ হয়। ভালো ফলনের জন্য রাত-দিন গাছের যত্ন নিতে হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাগানজুড়ে ফুল এসেছে এবং কাঙ্ক্ষিত ফলনও মিলছে। ইতোমধ্যে কয়েক দফায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকার শিম বিক্রি করেছি। পুরো মৌসুমে ২ থেকে ৩ লাখ টাকা বিক্রি হতে পারে বলে আশা করছি।
স্থানীয় কৃষকদের মতে, সঠিক পরিচর্যা ও আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করলে পাহাড়ি এলাকায় শিম চাষ লাভজনক হতে পারে। এতে যেমন কৃষকের আয় বাড়ছে, তেমনি স্থানীয় বাজারেও শিমের সরবরাহ নিশ্চিত হচ্ছে।

সদর দক্ষিণ উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জুনায়েদ কবির ইথার বলেন, লালমাই পাহাড়ের ঢালে শিম, লাউ, করলাসহ নানা জাতের সবজির আবাদ হয়। এখানে ফলনও বেশ ভালো। কৃষি অফিস সবসময় কৃষকদের উৎসাহ ও পরামর্শ দিয়ে থাকে।