নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে অপহরণের শিকার হয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক আবদুর রাজ্জাক সোহেল। নন্দনপুর বিশ্বরোড এলাকায় গতকাল বুধবার এ ঘটনা ঘটে। তাকে দাউদকান্দি এলাকায় নিয়ে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন থেকে অর্থ লুট করে ছেড়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষক বৃহস্পতিবার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় চারজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষক আবদুর রাজ্জাক সোহেল জানান, বুধবার দুপুরে জরুরি কাজে সহকর্মীর প্রাইভেটকারে করে তিনি কোটবাড়ি এলাকায় যান। সেখানে ঢাকা যাওয়ার জন্য বাসের অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় একটি প্রাইভেটকার এসে তার সামনে থামে। গাড়িতে থাকা একজন তাকে জিজ্ঞেস করেন তিনি উবার কল করেছেন কি না। তিনি উবার ডাকেননি বললেও ওই ব্যক্তি জানান, অ্যাপসে তার ছবি দেখা যাচ্ছে। বিষয়টি যাচাই করতে গেলে গাড়িতে থাকা আরও তিনজন জোর করে তাকে গাড়ির ভেতরে তুলে নেয়। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাকে বুকে ও মাথায় আঘাত করে।
তাঁকে দাউদকান্দি এলাকায় নিয়ে আবিদ মার্কেটের পাশে একটি ইসলামী ব্যাংকের এটিএম বুথে নেওয়া হয়। সেখানে চার ধাপে ২০ হাজার টাকা করে মোট ৮০ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়। এছাড়া তাঁর মানিব্যাগে থাকা ১৫ হাজার টাকা ও বিকাশ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে মোট ৯৭ হাজার ৫০০ টাকা লুটে নেয় দুর্বৃত্তরা। তাঁর মোবাইল ফোনের সিম খুলে ফোনটি ফরম্যাট করে তাঁকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়।
আবদুর রাজ্জাক সোহেল আরও জানান, গাড়ির ভেতরে থাকা চার দুর্বৃত্ত তাঁকে এসিডে ঝলসে দেওয়ার এবং চেতনানাশক প্রয়োগ করে অজ্ঞান করার হুমকি দেয়। এ সময় তিনি আকুতি-মিনতি করলে তারা তা থেকে বিরত থাকে। পরে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়ে দুর্বৃত্তরা চিৎকার করে বলে, পেছনে ফিরে তাকালে গুলি করা হবে।
এ ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে তিনি কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় মামলা দায়ের করেন।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম জানান, চারজন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান মাহমুদুল হাসান বলেন, ঘটনা সত্যি। এ ঘটনায় রাজ্জাক মামলা করেছেন।

কুমিল্লা থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে অপহরণের শিকার হয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক আবদুর রাজ্জাক সোহেল। নন্দনপুর বিশ্বরোড এলাকায় গতকাল বুধবার এ ঘটনা ঘটে। তাকে দাউদকান্দি এলাকায় নিয়ে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন থেকে অর্থ লুট করে ছেড়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষক বৃহস্পতিবার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় চারজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষক আবদুর রাজ্জাক সোহেল জানান, বুধবার দুপুরে জরুরি কাজে সহকর্মীর প্রাইভেটকারে করে তিনি কোটবাড়ি এলাকায় যান। সেখানে ঢাকা যাওয়ার জন্য বাসের অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় একটি প্রাইভেটকার এসে তার সামনে থামে। গাড়িতে থাকা একজন তাকে জিজ্ঞেস করেন তিনি উবার কল করেছেন কি না। তিনি উবার ডাকেননি বললেও ওই ব্যক্তি জানান, অ্যাপসে তার ছবি দেখা যাচ্ছে। বিষয়টি যাচাই করতে গেলে গাড়িতে থাকা আরও তিনজন জোর করে তাকে গাড়ির ভেতরে তুলে নেয়। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাকে বুকে ও মাথায় আঘাত করে।
তাঁকে দাউদকান্দি এলাকায় নিয়ে আবিদ মার্কেটের পাশে একটি ইসলামী ব্যাংকের এটিএম বুথে নেওয়া হয়। সেখানে চার ধাপে ২০ হাজার টাকা করে মোট ৮০ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়। এছাড়া তাঁর মানিব্যাগে থাকা ১৫ হাজার টাকা ও বিকাশ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে মোট ৯৭ হাজার ৫০০ টাকা লুটে নেয় দুর্বৃত্তরা। তাঁর মোবাইল ফোনের সিম খুলে ফোনটি ফরম্যাট করে তাঁকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়।
আবদুর রাজ্জাক সোহেল আরও জানান, গাড়ির ভেতরে থাকা চার দুর্বৃত্ত তাঁকে এসিডে ঝলসে দেওয়ার এবং চেতনানাশক প্রয়োগ করে অজ্ঞান করার হুমকি দেয়। এ সময় তিনি আকুতি-মিনতি করলে তারা তা থেকে বিরত থাকে। পরে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়ে দুর্বৃত্তরা চিৎকার করে বলে, পেছনে ফিরে তাকালে গুলি করা হবে।
এ ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে তিনি কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় মামলা দায়ের করেন।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম জানান, চারজন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান মাহমুদুল হাসান বলেন, ঘটনা সত্যি। এ ঘটনায় রাজ্জাক মামলা করেছেন।