তিতাস প্রতিনিধি

তিতাসে মাদকাসক্ত ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে মানসিক প্রতিবন্ধী বড় বোনকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার মারধরের শিকার ফাহিমা আক্তার (৩২) অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে শনিবার বিকেলে সে মারা যায়। একইদিন সন্ধ্যায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে রবিবার সকালে নিহতের লাশ বাড়িতে আনা হয়। অভিযুক্ত ছোট ভাই ছানাউল্লাহ (৩০) বর্তমানে হাজতে রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের আবদুস ছালামের ছোট ছেলে মো. ছানাউল্লাহ মাদকাসক্ত। শুক্রবার দুপুরে সে তার বড় বোন ফাহিমা আক্তারকে মারধর করে। এসময় স্থানীয় লোকজন ছানাউল্লাহকে আটক করে থানা পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি জানান। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানিয়া আক্তার লুবনা ও থানা পুলিশ উপস্থিত হয়। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তথ্য-প্রমাণাধির সাপেক্ষে ছানাউল্লাহকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১০দিনের জেল দেওয়া হয়।
এদিকে একইদিন মারধরের শিকার ফাহিমা আক্তারকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয়। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শনিবার দুপুরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করেন। কিন্তু হাসপাতালের নির্দেশনা অমান্য করে পরিবারের লোকজন ফাহিমাকে অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে নিয়ে যায়। একই দিন বিকেলে সে মারা যায়। ঘটনাটি পুলিশকে জানালে, তাৎক্ষণিক পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। তখন স্থানীয় লোকজন ছানাউল্লাহর মারধরে ফাহিমা মারা গেছে অভিযোগ তোলে। তখন পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেন।
তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিরুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, যেহেতু ছানাউল্লাহর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে সেহেতু আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছি। রোববার দুপুর পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। মামলা হলে ছানাউল্লাহকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হবে।

তিতাসে মাদকাসক্ত ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে মানসিক প্রতিবন্ধী বড় বোনকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার মারধরের শিকার ফাহিমা আক্তার (৩২) অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে শনিবার বিকেলে সে মারা যায়। একইদিন সন্ধ্যায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে রবিবার সকালে নিহতের লাশ বাড়িতে আনা হয়। অভিযুক্ত ছোট ভাই ছানাউল্লাহ (৩০) বর্তমানে হাজতে রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের আবদুস ছালামের ছোট ছেলে মো. ছানাউল্লাহ মাদকাসক্ত। শুক্রবার দুপুরে সে তার বড় বোন ফাহিমা আক্তারকে মারধর করে। এসময় স্থানীয় লোকজন ছানাউল্লাহকে আটক করে থানা পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি জানান। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানিয়া আক্তার লুবনা ও থানা পুলিশ উপস্থিত হয়। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তথ্য-প্রমাণাধির সাপেক্ষে ছানাউল্লাহকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১০দিনের জেল দেওয়া হয়।
এদিকে একইদিন মারধরের শিকার ফাহিমা আক্তারকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয়। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শনিবার দুপুরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করেন। কিন্তু হাসপাতালের নির্দেশনা অমান্য করে পরিবারের লোকজন ফাহিমাকে অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে নিয়ে যায়। একই দিন বিকেলে সে মারা যায়। ঘটনাটি পুলিশকে জানালে, তাৎক্ষণিক পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। তখন স্থানীয় লোকজন ছানাউল্লাহর মারধরে ফাহিমা মারা গেছে অভিযোগ তোলে। তখন পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেন।
তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিরুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, যেহেতু ছানাউল্লাহর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে সেহেতু আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছি। রোববার দুপুর পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। মামলা হলে ছানাউল্লাহকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হবে।