নলকূপ নিয়ে দ্বন্দ্ব
তিতাস প্রতিনিধি

কুমিল্লার তিতাসে নলকূপের পানি নেওয়াকে কেন্দ্র করে ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে মো. ইসমাইল মানিক (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার দুপুর আড়াইটায় উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের পূর্বপাড়ার ভূঁইয়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার তিন ঘণ্টা পর অভিযুক্ত ছোট ভাইকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করে জনতা।

নিহতের মেয়ে রাইসা আক্তার জানান, নলকূপের পানি নেওয়ার বিষয় নিয়ে আমার বাবার সাথে আমার চাচার কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে চাচা কোদাল দিয়ে আমার বাবার গলায় আঘাত করে। তখন বাবা মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং রক্ত পড়তে শুরু করে। তখন আমরা বাবাকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছি। ডাক্তার বলেছে আমার বাবা মারা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর গ্রামের প্রয়াত হাবিবুর রহমান ভূঁইয়ার চার ছেলে ও চার মেয়ে রয়েছে। এদের মধ্যে মো. ইসমাইল মানিক সকলের বড় এবং অভিযুক্ত রাজিব ইসলাম সাগর সকলে ছোট। নিহতের পরিবারে স্ত্রীসহ ছোট ছোট তিনজন কন্যা সন্তান রয়েছে। যাদের একজন প্রতিবন্ধী। অপরদিকে রাজিব ইসলাম সাগর গত ৬-৭ মাস পূর্বে মাদক ও নারী নির্যাতন মামলায় জেল থেকে জামিনে বের হয়ে এসেছেন। তিনি মাদকাসক্ত বলে এলাকার একাধিক ব্যক্তি নিশ্চিত করেন।
এদিকে, ঘটনার প্রায় তিন ঘণ্টা পর কেশবপুর গ্রাম গ্রাম সংলগ্ন ফসলি জমি থেকে অভিযুক্ত ছোট ভাই রাজিবকে আটক করে । পরে থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে এবং প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিরুল হক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। স্থানীয় জনতার সহযোগিতায় আমরা অভিযুক্ত একমাত্র আসামি রাজিবকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি।

কুমিল্লার তিতাসে নলকূপের পানি নেওয়াকে কেন্দ্র করে ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে মো. ইসমাইল মানিক (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার দুপুর আড়াইটায় উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের পূর্বপাড়ার ভূঁইয়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার তিন ঘণ্টা পর অভিযুক্ত ছোট ভাইকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করে জনতা।

নিহতের মেয়ে রাইসা আক্তার জানান, নলকূপের পানি নেওয়ার বিষয় নিয়ে আমার বাবার সাথে আমার চাচার কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে চাচা কোদাল দিয়ে আমার বাবার গলায় আঘাত করে। তখন বাবা মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং রক্ত পড়তে শুরু করে। তখন আমরা বাবাকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছি। ডাক্তার বলেছে আমার বাবা মারা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর গ্রামের প্রয়াত হাবিবুর রহমান ভূঁইয়ার চার ছেলে ও চার মেয়ে রয়েছে। এদের মধ্যে মো. ইসমাইল মানিক সকলের বড় এবং অভিযুক্ত রাজিব ইসলাম সাগর সকলে ছোট। নিহতের পরিবারে স্ত্রীসহ ছোট ছোট তিনজন কন্যা সন্তান রয়েছে। যাদের একজন প্রতিবন্ধী। অপরদিকে রাজিব ইসলাম সাগর গত ৬-৭ মাস পূর্বে মাদক ও নারী নির্যাতন মামলায় জেল থেকে জামিনে বের হয়ে এসেছেন। তিনি মাদকাসক্ত বলে এলাকার একাধিক ব্যক্তি নিশ্চিত করেন।
এদিকে, ঘটনার প্রায় তিন ঘণ্টা পর কেশবপুর গ্রাম গ্রাম সংলগ্ন ফসলি জমি থেকে অভিযুক্ত ছোট ভাই রাজিবকে আটক করে । পরে থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে এবং প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিরুল হক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। স্থানীয় জনতার সহযোগিতায় আমরা অভিযুক্ত একমাত্র আসামি রাজিবকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি।