তিতাস প্রতিনিধি

কুমিল্লার তিতাসে নিজ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। অভিযুক্ত ব্যক্তি উপজেলার উত্তর আকালিয়ার প্রয়াত হাসরের ছেলে এলেম (৪৫)। গতকাল সোমবার বিকেলে এলেমের স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা করলে একই দিন রাতে বাতাকান্দি বাজারে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, চলতি বছরের গত মে মাসের প্রথমদিকে এলেমের স্ত্রী যখন সন্তান প্রসবের সময় হাসপাতালে ছিলেন, তখন তাঁর ১৯ বছর বয়সী মেয়েকে খালিঘরে জোরপূর্বক তার পিতা ধর্ষণ করে। হাসপাতাল থেকে আসার পর মেয়ের মুখ থেকে মা বিষয়টি জানতে পারেন। তবে সামাজিক লোকলজ্জার ভয়ে কাউকে জানানো হয়নি।
এদিকে, গত ১ জুলাই দুপুর ১টায় খাওয়া-দাওয়া শেষে যখন সকলে যার যার শয়নকক্ষে বিশ্রাম নিচ্ছিল, তখন পুনরায় এলেম তার মেয়ের কক্ষে ঢুকে মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। তখন মেয়েটির চিৎকার চেঁচামেচি করলে স্ত্রী এগিয়ে এসে দেখেন তাঁর স্বামী মেয়ের ঘর থেকে বের হচ্ছেন। পরে বিষয়টি নিকট আত্মীয়দের জানালে তাঁরা নিয়মিত মামলা করার পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে স্বামী এলেমকে একমাত্র আসামি করে স্ত্রী তিতাস থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক উত্তর আকালিয়া গ্রামের একাধিক ব্যক্তি জানান, এলেম একজন নিয়মিত মাদকসেবী। মাদকসেবন নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ পরিবারে টানাপোড়েন চলছে। যে মেয়েটির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে সে বোবা ও হাবা টাইপের (কাণ্ডজ্ঞানহীন)। মেয়েটিকে আগে বিয়ে দিয়েছিল; কাÐজ্ঞানহীন হওয়ায় সে সংসার করতে পারেনি। ঘটনার কতটা সত্যতা রয়েছে সেটি পুলিশি তদন্তের মাধ্যমে বের হয়ে আসবে বলে এলাকাবাসী দাবি করেন।
তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিরুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে স্ত্রী। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কুমিল্লার তিতাসে নিজ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। অভিযুক্ত ব্যক্তি উপজেলার উত্তর আকালিয়ার প্রয়াত হাসরের ছেলে এলেম (৪৫)। গতকাল সোমবার বিকেলে এলেমের স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা করলে একই দিন রাতে বাতাকান্দি বাজারে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, চলতি বছরের গত মে মাসের প্রথমদিকে এলেমের স্ত্রী যখন সন্তান প্রসবের সময় হাসপাতালে ছিলেন, তখন তাঁর ১৯ বছর বয়সী মেয়েকে খালিঘরে জোরপূর্বক তার পিতা ধর্ষণ করে। হাসপাতাল থেকে আসার পর মেয়ের মুখ থেকে মা বিষয়টি জানতে পারেন। তবে সামাজিক লোকলজ্জার ভয়ে কাউকে জানানো হয়নি।
এদিকে, গত ১ জুলাই দুপুর ১টায় খাওয়া-দাওয়া শেষে যখন সকলে যার যার শয়নকক্ষে বিশ্রাম নিচ্ছিল, তখন পুনরায় এলেম তার মেয়ের কক্ষে ঢুকে মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। তখন মেয়েটির চিৎকার চেঁচামেচি করলে স্ত্রী এগিয়ে এসে দেখেন তাঁর স্বামী মেয়ের ঘর থেকে বের হচ্ছেন। পরে বিষয়টি নিকট আত্মীয়দের জানালে তাঁরা নিয়মিত মামলা করার পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে স্বামী এলেমকে একমাত্র আসামি করে স্ত্রী তিতাস থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক উত্তর আকালিয়া গ্রামের একাধিক ব্যক্তি জানান, এলেম একজন নিয়মিত মাদকসেবী। মাদকসেবন নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ পরিবারে টানাপোড়েন চলছে। যে মেয়েটির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে সে বোবা ও হাবা টাইপের (কাণ্ডজ্ঞানহীন)। মেয়েটিকে আগে বিয়ে দিয়েছিল; কাÐজ্ঞানহীন হওয়ায় সে সংসার করতে পারেনি। ঘটনার কতটা সত্যতা রয়েছে সেটি পুলিশি তদন্তের মাধ্যমে বের হয়ে আসবে বলে এলাকাবাসী দাবি করেন।
তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিরুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে স্ত্রী। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।