নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলে বিতর্ক ক্লাবের আয়োজনে বিতর্ক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এই বিতর্ক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবদুল মজিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন লিটন।
পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রভাতী শাখার পরিচালক নীলিমা আক্তার, কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক ও বিতর্ক ক্লাবের উপদেষ্টা সাফিয়া বেগম শেলি, রীনা রানী দাস ও মো. ফয়সাল আহম্মেদসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা।
প্রফেসর মো. আবদুল মজিদ বলেন, বিতর্ক এমন একটি বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা, যা একজন শিক্ষার্থীর চিন্তাশক্তি, যুক্তিবোধ, ভাষার দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে। একটি সভ্য, গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল সমাজ গঠনে বিতর্কচর্চার ভূমিকা অপরিসীম।
অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন লিটন বলেন, বিতর্ক মানে শুধু জয়-পরাজয় নয়। বিতর্ক মানে ভিন্নমতকে সম্মান করা, যুক্তির মাধ্যমে সত্য অনুসন্ধান করা এবং শালীনভাবে নিজের মত প্রকাশ করা। যারা আজ বিতর্ক মঞ্চে দাঁড়িয়ে কথা বলছে, তারাই আগামী দিনে সমাজের দায়িত্বশীল নাগরিক, শিক্ষক, সাংবাদিক কিংবা দক্ষ প্রশাসক হিসেবে দেশকে নেতৃত্ব দেবে।
এসময় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের বিতর্ক ক্লাবের সাবেক সভাপতি বশিরা বুশরা, মো. তামিম মুনতাসির, বর্তমান সভাপতি অরিত্রি সাহা।
সনাতনী বিতর্কে অংশগ্রহণ করে নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কুমিল্লা রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, এথনিকা স্কুল এন্ড কলেজ, কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের বিতর্ক ক্লাব।
এতে চ্যাম্পিয়ন হয় ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় বিতর্ক দল ও রানারআপ হয়েছে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল বিতর্ক ক্লাব। এছাড়া ও অনুষ্ঠিত হয়েছে বারোয়ারী বিতর্ক, রবোস্কিউব, কুইজ প্রতিযোগিতা এবং মনোমুগ্ধকর রম্য বিতর্ক। এতে অংশগ্রহণ করে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের বিতর্ক পরিষদ। উদ্বোধনী পর্বে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করেন নৃত্য শিল্পী নীলাদ্রি ও কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের সঙ্গীত টিমের সদস্যরা।

কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলে বিতর্ক ক্লাবের আয়োজনে বিতর্ক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এই বিতর্ক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবদুল মজিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন লিটন।
পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রভাতী শাখার পরিচালক নীলিমা আক্তার, কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক ও বিতর্ক ক্লাবের উপদেষ্টা সাফিয়া বেগম শেলি, রীনা রানী দাস ও মো. ফয়সাল আহম্মেদসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা।
প্রফেসর মো. আবদুল মজিদ বলেন, বিতর্ক এমন একটি বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা, যা একজন শিক্ষার্থীর চিন্তাশক্তি, যুক্তিবোধ, ভাষার দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে। একটি সভ্য, গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল সমাজ গঠনে বিতর্কচর্চার ভূমিকা অপরিসীম।
অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন লিটন বলেন, বিতর্ক মানে শুধু জয়-পরাজয় নয়। বিতর্ক মানে ভিন্নমতকে সম্মান করা, যুক্তির মাধ্যমে সত্য অনুসন্ধান করা এবং শালীনভাবে নিজের মত প্রকাশ করা। যারা আজ বিতর্ক মঞ্চে দাঁড়িয়ে কথা বলছে, তারাই আগামী দিনে সমাজের দায়িত্বশীল নাগরিক, শিক্ষক, সাংবাদিক কিংবা দক্ষ প্রশাসক হিসেবে দেশকে নেতৃত্ব দেবে।
এসময় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের বিতর্ক ক্লাবের সাবেক সভাপতি বশিরা বুশরা, মো. তামিম মুনতাসির, বর্তমান সভাপতি অরিত্রি সাহা।
সনাতনী বিতর্কে অংশগ্রহণ করে নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কুমিল্লা রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, এথনিকা স্কুল এন্ড কলেজ, কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের বিতর্ক ক্লাব।
এতে চ্যাম্পিয়ন হয় ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় বিতর্ক দল ও রানারআপ হয়েছে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল বিতর্ক ক্লাব। এছাড়া ও অনুষ্ঠিত হয়েছে বারোয়ারী বিতর্ক, রবোস্কিউব, কুইজ প্রতিযোগিতা এবং মনোমুগ্ধকর রম্য বিতর্ক। এতে অংশগ্রহণ করে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের বিতর্ক পরিষদ। উদ্বোধনী পর্বে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করেন নৃত্য শিল্পী নীলাদ্রি ও কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের সঙ্গীত টিমের সদস্যরা।