আমার শহর বিনোদন ডেস্ক

সালমান শাহ হত্যা মামলার চার নম্বর আসামি ও চলচ্চিত্র অভিনেতা আশরাফুল হক ডনকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পর্যায়ে তাকে আটক করা হয়।
আজ রোববার বিকেলে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য জানান।
এর আগে, বিকেলে তাকে আদালতে হাজির করা কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন সিআইডির পরিদর্শক আরিফুর রহমান।
রাষ্টপক্ষে ঢাকা মহানগর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী শুনানিতে বলেন, আসামি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। আজ তিনি বিদেশে পালিয়ে যাচ্ছিলেন। বিমানবন্দর থেকে তাকে সিআইডি আটক করেছে। এ আসামি সরাসরি হত্যাকাণ্ড জড়িত।
এ সময় আসামিপক্ষে কোনো জামিন আবেদন না থাকায় ডনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
গত বছরের ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম রমনা থানায় সালমানের স্ত্রী সামীরা হক, সামীরার মা লতিফা হক লিও ওরফে লুসি ও খলনায়ক আশরাফুল হক ডনসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালত পরে সিআইডিকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চলচ্চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ। সেই সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন জানান তিনি।
অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত। ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। প্রতিবেদনে সালমান শাহ’র মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়।
ওই বছরের ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়। সেই সময় সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে রিভিশন মামলা দায়ের করেন তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী।
সবশেষ গত বছরের ২০ অক্টোবর বাদীপক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক।

সালমান শাহ হত্যা মামলার চার নম্বর আসামি ও চলচ্চিত্র অভিনেতা আশরাফুল হক ডনকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পর্যায়ে তাকে আটক করা হয়।
আজ রোববার বিকেলে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য জানান।
এর আগে, বিকেলে তাকে আদালতে হাজির করা কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন সিআইডির পরিদর্শক আরিফুর রহমান।
রাষ্টপক্ষে ঢাকা মহানগর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী শুনানিতে বলেন, আসামি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। আজ তিনি বিদেশে পালিয়ে যাচ্ছিলেন। বিমানবন্দর থেকে তাকে সিআইডি আটক করেছে। এ আসামি সরাসরি হত্যাকাণ্ড জড়িত।
এ সময় আসামিপক্ষে কোনো জামিন আবেদন না থাকায় ডনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
গত বছরের ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম রমনা থানায় সালমানের স্ত্রী সামীরা হক, সামীরার মা লতিফা হক লিও ওরফে লুসি ও খলনায়ক আশরাফুল হক ডনসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালত পরে সিআইডিকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চলচ্চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ। সেই সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন জানান তিনি।
অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত। ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। প্রতিবেদনে সালমান শাহ’র মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়।
ওই বছরের ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়। সেই সময় সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে রিভিশন মামলা দায়ের করেন তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী।
সবশেষ গত বছরের ২০ অক্টোবর বাদীপক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক।