• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> জীবনযাপন

শিশুর সৃজনশীলতা বাড়াতে তাকে একা থাকতে দিন

আমার শহর ডেস্ক
প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫, ১৫: ৫৪
logo

শিশুর সৃজনশীলতা বাড়াতে তাকে একা থাকতে দিন

আমার শহর ডেস্ক

প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫, ১৫: ৫৪
Photo

অনেক বাবা-মা মনে করেন, সন্তান যেন এক মুহূর্তও একা না থাকে। কেউ তাকে সারাক্ষণ সঙ্গ দিক, খেলুক, কিছু শেখাক বা শিশু ব্যস্ত থাকুক-এটাই যেন ভালো অভিভাবকের পরিচয়। কিন্তু মনোবিজ্ঞান বলছে, একা সময় কাটানোও শিশুর মানসিক বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

একা থাকা মানে একাকিত্ব নয়:

শিশুকে একা থাকতে দেওয়া মানে তাকে অবহেলা করা নয়। বরং এটি শেখার ও চিন্তার সময়। জার্নাল অব চাইল্ড সাইকোলজি অ্যান্ড সাইকিয়াট্রির এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশু একা খেলতে বা নিজের মতো সময় কাটাতে পারে, তাদের সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি। একা সময় কাটালে শিশু নিজেই নিজের অনুভূতি বুঝতে শেখে। এতে আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তৈরি হয়। শিশু সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকার ফল বিপরীত হতে পারে। আজকাল অনেক শিশু সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্লাস, কোচিং ও অনলাইন কার্যক্রমে জড়িয়ে থাকে। এতে মানসিক ক্লান্তি তৈরি হয়, ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়, এমনকি উদ্বেগও বাড়ে। মনোবিদদের মতে, শিশুর সময়সূচিতে কিছুটা ফাঁকা সময় থাকা উচিত, যাতে সে নিজের মতো করে ভাবতে, আঁকতে, গল্প বানাতে ও বিশ্রাম নিতে পারে।

একা সময় কাটানো শেখানোর উপায়:

১. ছোট অভ্যাস দিয়ে শুরু করুন: বয়স অনুযায়ী সন্তানকে দিনে ১০-১৫ মিনিট নিজের মতো খেলার সময় দিন।

২. ডিভাইস নয়, বাস্তব জগতে: ট্যাব বা ফোনের বদলে বই, রং, পাজল বা সাধারণ খেলনা নিয়ে শিশুকে সময় কাটাতে দিন।

৩. নিরাপদ পরিবেশ দিন: শিশুকে জানিয়ে দিন, আপনি আশেপাশেই আছেন, প্রয়োজনে সাহায্য করবেন। তাহলে সে নিশ্চিন্তে নিজের মতো থাকার আত্মবিশ্বাস পাবে।

৪. একা থাকা নিয়ে ভয় তৈরি করবেন না: ‘তুমি একা খেলছো কেন?’-এমন মন্তব্য করলে শিশু মনে করবে একা খেলা করা একটি অনুচিত কাজ। এমনটা না বলে তাকে নিজের মতো থাকতে উৎসাহ দিন।

৫. নিজের উদাহরণ দিন: আপনি নিজেও যদি কিছুটা সময় একা কাটান, যেমন বই পড়া, গান শোনা, বা হাঁটা, তাহলে শিশু সেটাকে স্বাভাবিক আচরণ হিসেবে দেখবে।

কেন এটা জরুরি:

যে শিশু নিজে নিজের সঙ্গে সময় কাটাতে জানে, সে বড় হয়ে আত্মবিশ্বাসী ও আবেগে স্থিতিশীল হয়। জীবনের চাপ, একাকিত্ব বা ব্যর্থতার সময়ও সে সহজে মানিয়ে নিতে পারে। তাই সন্তানকে সারাক্ষণ ‘ব্যস্ত’ রাখার চেয়ে, মাঝে মাঝে একা থাকতে শেখান। কারণ, সেখান থেকে তৈরি হবে আপনার সন্তানের আত্মবিশ্বাস, চিন্তাশীলতা ও মানসিক দৃঢ়তা।

Thumbnail image

অনেক বাবা-মা মনে করেন, সন্তান যেন এক মুহূর্তও একা না থাকে। কেউ তাকে সারাক্ষণ সঙ্গ দিক, খেলুক, কিছু শেখাক বা শিশু ব্যস্ত থাকুক-এটাই যেন ভালো অভিভাবকের পরিচয়। কিন্তু মনোবিজ্ঞান বলছে, একা সময় কাটানোও শিশুর মানসিক বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

একা থাকা মানে একাকিত্ব নয়:

শিশুকে একা থাকতে দেওয়া মানে তাকে অবহেলা করা নয়। বরং এটি শেখার ও চিন্তার সময়। জার্নাল অব চাইল্ড সাইকোলজি অ্যান্ড সাইকিয়াট্রির এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশু একা খেলতে বা নিজের মতো সময় কাটাতে পারে, তাদের সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি। একা সময় কাটালে শিশু নিজেই নিজের অনুভূতি বুঝতে শেখে। এতে আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তৈরি হয়। শিশু সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকার ফল বিপরীত হতে পারে। আজকাল অনেক শিশু সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্লাস, কোচিং ও অনলাইন কার্যক্রমে জড়িয়ে থাকে। এতে মানসিক ক্লান্তি তৈরি হয়, ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়, এমনকি উদ্বেগও বাড়ে। মনোবিদদের মতে, শিশুর সময়সূচিতে কিছুটা ফাঁকা সময় থাকা উচিত, যাতে সে নিজের মতো করে ভাবতে, আঁকতে, গল্প বানাতে ও বিশ্রাম নিতে পারে।

একা সময় কাটানো শেখানোর উপায়:

১. ছোট অভ্যাস দিয়ে শুরু করুন: বয়স অনুযায়ী সন্তানকে দিনে ১০-১৫ মিনিট নিজের মতো খেলার সময় দিন।

২. ডিভাইস নয়, বাস্তব জগতে: ট্যাব বা ফোনের বদলে বই, রং, পাজল বা সাধারণ খেলনা নিয়ে শিশুকে সময় কাটাতে দিন।

৩. নিরাপদ পরিবেশ দিন: শিশুকে জানিয়ে দিন, আপনি আশেপাশেই আছেন, প্রয়োজনে সাহায্য করবেন। তাহলে সে নিশ্চিন্তে নিজের মতো থাকার আত্মবিশ্বাস পাবে।

৪. একা থাকা নিয়ে ভয় তৈরি করবেন না: ‘তুমি একা খেলছো কেন?’-এমন মন্তব্য করলে শিশু মনে করবে একা খেলা করা একটি অনুচিত কাজ। এমনটা না বলে তাকে নিজের মতো থাকতে উৎসাহ দিন।

৫. নিজের উদাহরণ দিন: আপনি নিজেও যদি কিছুটা সময় একা কাটান, যেমন বই পড়া, গান শোনা, বা হাঁটা, তাহলে শিশু সেটাকে স্বাভাবিক আচরণ হিসেবে দেখবে।

কেন এটা জরুরি:

যে শিশু নিজে নিজের সঙ্গে সময় কাটাতে জানে, সে বড় হয়ে আত্মবিশ্বাসী ও আবেগে স্থিতিশীল হয়। জীবনের চাপ, একাকিত্ব বা ব্যর্থতার সময়ও সে সহজে মানিয়ে নিতে পারে। তাই সন্তানকে সারাক্ষণ ‘ব্যস্ত’ রাখার চেয়ে, মাঝে মাঝে একা থাকতে শেখান। কারণ, সেখান থেকে তৈরি হবে আপনার সন্তানের আত্মবিশ্বাস, চিন্তাশীলতা ও মানসিক দৃঢ়তা।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

ওমরাহ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি

২

এখন কমলা খাওয়ার সময়

৩

রাতে মোজা পরে ঘুমালে শরীরে যা হয়

৪

শীতে অলসতা কাটাতে যা করবেন

৫

শিশুর সৃজনশীলতা বাড়াতে তাকে একা থাকতে দিন

সম্পর্কিত

ওমরাহ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি

ওমরাহ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি

১২ দিন আগে
এখন কমলা খাওয়ার সময়

এখন কমলা খাওয়ার সময়

০৫ ডিসেম্বর ২০২৫
রাতে মোজা পরে ঘুমালে শরীরে যা হয়

রাতে মোজা পরে ঘুমালে শরীরে যা হয়

০১ ডিসেম্বর ২০২৫
শীতে অলসতা কাটাতে যা করবেন

শীতে অলসতা কাটাতে যা করবেন

০১ ডিসেম্বর ২০২৫