• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> জীবনযাপন

কিডনি রোগ বোঝার উপায়

আমার শহর লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৬, ১৮: ৪৪
logo

কিডনি রোগ বোঝার উপায়

আমার শহর লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৬, ১৮: ৪৪
Photo

শরীরের অতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কিডনি। কোনো কারণে এ কিডনি বিকল হলে অকালেই মুত্যুর মুখে ঢলে পড়তে হয়। তাই বিকল হওয়ার আগেই জেনে নেয়া ভালো, শরীরে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কিডনি সুস্থ আছে কি না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগাম কোনো লক্ষণ দেখে প্রাথমিকভাবে কিডনির অসুস্থতা নির্ণয় করা সম্ভব হয় না। আর এ কারণে সঠিক সময়ে কিডনির অসুখ নির্ণয়ও করা যায় না। আর যখন কিডনি একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়, তখন উপসর্গ স্পষ্ট হতে শুরু করলেও রোগীকে আর বাঁচানো সম্ভব হয় না। তাই কিডনির সুস্থতা নিশ্চিতে দ্রুত করিয়ে নিতে পারেন দুটি টেস্ট।

ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনের তথ্যানুযায়ী, এসিআর ও জিএফআর’ এর মতো দুটি সাধারণ টেস্ট করালেই ধরা পড়বে আপনার কিডনি ঠিকঠাক কাজ করছে কি না।

১। মূত্র পরীক্ষা বা এসিআর হলো অ্যালবুমিন ও ক্রিয়েটিনিনের অনুপাত। অ্যালবুমিন হলো বিশেষ ধরনের প্রোটিন। মূত্রে অ্যালবুমিন আছে কি না তা পরীক্ষা করে দেখা হয়। আমাদের শরীরের যেহেতু প্রোটিন রয়েছে সেক্ষেত্রে রক্তেও প্রোটিন স্বাভাবিক। তবে এই প্রোটিন কখনোই মূত্রে থাকার কথা নয়। যদি এসিআর পরীক্ষায় প্রোটিন পাওয়া যায়, তার মানে কিডনি ঠিকঠাকভাবে রক্তকে ছাঁকতে পারছে না। তাই ইউরিন টেস্টে প্রোটিন পজিটিভ হলে, নিশ্চিত হতে তার এনএফআর করাতে হবে। যদি, তিন মাস বা তার বেশি সময় ধরে রেজাল্ট পজিটিভ হয়, তবে তা কিডনি রোগের লক্ষণ।

২। জিএফআর কাউন্ট করতে রক্ত পরীক্ষা করা জরুরি। কিডনি খারাপ হলে, তা রক্ত থেকে ক্রিয়েটিনিন অর্থাৎ বর্জ্য পদার্থ ঠিক মতো বের করে দিতে পারে না। তবে, এই ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা হলো প্রথম ধাপ। এরপর গেøামেরুলার ফিলট্রেশন রেট বা জিএফআর দেখতে হবে। সেই রেজাল্ট দেখেই ডাক্তার বুঝতে পারবেন আপনার কিডনি কেমন কাজ করছে? কিডনি নিয়ে তাই কোনোরকম ভয় হলে, অযথা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত না হয়ে, এই পরীক্ষাগুলো করে নিতে পারেন।

প্রসঙ্গত, ডায়াবেটিকস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি অন্যান্যের চেয়ে বেশি। এ ছাড়া যাদের বংশে কিডনির রোগী রয়েছে তাদের ক্ষেত্রেও বেশি ঝুঁকি রয়েছে কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার। অন্যদিকে যাদের এসব কোনো সমস্যা নেই তাদের সুস্থতা নিশ্চিতে বয়স ৬০ বছর পার হলেই বছরে দুইবার কিডনি পরীক্ষা করা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Thumbnail image

শরীরের অতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কিডনি। কোনো কারণে এ কিডনি বিকল হলে অকালেই মুত্যুর মুখে ঢলে পড়তে হয়। তাই বিকল হওয়ার আগেই জেনে নেয়া ভালো, শরীরে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কিডনি সুস্থ আছে কি না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগাম কোনো লক্ষণ দেখে প্রাথমিকভাবে কিডনির অসুস্থতা নির্ণয় করা সম্ভব হয় না। আর এ কারণে সঠিক সময়ে কিডনির অসুখ নির্ণয়ও করা যায় না। আর যখন কিডনি একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়, তখন উপসর্গ স্পষ্ট হতে শুরু করলেও রোগীকে আর বাঁচানো সম্ভব হয় না। তাই কিডনির সুস্থতা নিশ্চিতে দ্রুত করিয়ে নিতে পারেন দুটি টেস্ট।

ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনের তথ্যানুযায়ী, এসিআর ও জিএফআর’ এর মতো দুটি সাধারণ টেস্ট করালেই ধরা পড়বে আপনার কিডনি ঠিকঠাক কাজ করছে কি না।

১। মূত্র পরীক্ষা বা এসিআর হলো অ্যালবুমিন ও ক্রিয়েটিনিনের অনুপাত। অ্যালবুমিন হলো বিশেষ ধরনের প্রোটিন। মূত্রে অ্যালবুমিন আছে কি না তা পরীক্ষা করে দেখা হয়। আমাদের শরীরের যেহেতু প্রোটিন রয়েছে সেক্ষেত্রে রক্তেও প্রোটিন স্বাভাবিক। তবে এই প্রোটিন কখনোই মূত্রে থাকার কথা নয়। যদি এসিআর পরীক্ষায় প্রোটিন পাওয়া যায়, তার মানে কিডনি ঠিকঠাকভাবে রক্তকে ছাঁকতে পারছে না। তাই ইউরিন টেস্টে প্রোটিন পজিটিভ হলে, নিশ্চিত হতে তার এনএফআর করাতে হবে। যদি, তিন মাস বা তার বেশি সময় ধরে রেজাল্ট পজিটিভ হয়, তবে তা কিডনি রোগের লক্ষণ।

২। জিএফআর কাউন্ট করতে রক্ত পরীক্ষা করা জরুরি। কিডনি খারাপ হলে, তা রক্ত থেকে ক্রিয়েটিনিন অর্থাৎ বর্জ্য পদার্থ ঠিক মতো বের করে দিতে পারে না। তবে, এই ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা হলো প্রথম ধাপ। এরপর গেøামেরুলার ফিলট্রেশন রেট বা জিএফআর দেখতে হবে। সেই রেজাল্ট দেখেই ডাক্তার বুঝতে পারবেন আপনার কিডনি কেমন কাজ করছে? কিডনি নিয়ে তাই কোনোরকম ভয় হলে, অযথা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত না হয়ে, এই পরীক্ষাগুলো করে নিতে পারেন।

প্রসঙ্গত, ডায়াবেটিকস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি অন্যান্যের চেয়ে বেশি। এ ছাড়া যাদের বংশে কিডনির রোগী রয়েছে তাদের ক্ষেত্রেও বেশি ঝুঁকি রয়েছে কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার। অন্যদিকে যাদের এসব কোনো সমস্যা নেই তাদের সুস্থতা নিশ্চিতে বয়স ৬০ বছর পার হলেই বছরে দুইবার কিডনি পরীক্ষা করা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

কিডনি রোগ বোঝার উপায়

২

গরমে আনারস খাওয়ার উপকারিতা

৩

রাতে তরমুজ খেলে কি ক্ষতি হয়?

৪

বৃষ্টির সময় পায়ে যেভাবে যত্ন নেবেন

৫

অন্য রোগের উপসর্গ চর্মরোগ থেকে

সম্পর্কিত

গরমে আনারস খাওয়ার উপকারিতা

গরমে আনারস খাওয়ার উপকারিতা

৬ দিন আগে
রাতে তরমুজ খেলে কি ক্ষতি হয়?

রাতে তরমুজ খেলে কি ক্ষতি হয়?

২০ দিন আগে
বৃষ্টির সময় পায়ে যেভাবে যত্ন নেবেন

বৃষ্টির সময় পায়ে যেভাবে যত্ন নেবেন

২২ দিন আগে
অন্য রোগের উপসর্গ চর্মরোগ থেকে

অন্য রোগের উপসর্গ চর্মরোগ থেকে

২৬ এপ্রিল ২০২৬