স্বর্গ রায়

বিজয়া দশমী মানেই বাঙালি হিন্দুদের হৃদয়ে একধরণের বিষাদ আর বিদায়ের সুর। তবে তারই মাঝে মেতে ওঠার ধামাকা অনুষঙ্গ হলো সিঁদুর খেলা। দেবীকে বরণ করে নেওয়ার পর বিবাহিত নারীরা একে অপরকে সিঁদুরে রাঙিয়ে তুলে আনন্দময় মুহূর্তে মেতে ওঠেন। এর পরপরই দেবীর বিসর্জনের মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটে বছরের অন্যতম সেরা শারদীয় আনন্দযজ্ঞের, শারদীয় দুর্গাপূজার।
বিজয়া দশমীতে অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির বিজয় উদযাপন করা হয় এবং দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানো হয়।
জানতে চাইলে কুমিল্লা গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলের সিনিয়র শিক্ষক গোপাল দত্ত চৌধুরী বলেন, বিজয়া দশমী হলো বিদায়ের সুর। এদিন মা চলে যায়। রেখে যান সুখস্মৃতি।
বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের আগে একটি পাত্রে রাখা জলে দেবীর প্রতিবিম্ব দর্শন করে প্রতীকী বিসর্জন সম্পন্ন করা হয়। এদিন সিঁদুরখেলা হয়। সধবা নারীরা প্রথমে দেবী দুর্গার কপালে সিঁদুর অর্পণ করেন এবং পরে একে অপরকে সিঁদুর পরিয়ে সৌভাগ্য ও মঙ্গল কামনা করেন।
ঢাকের বাদ্য, গান ও শোভাযাত্রার মাধ্যমে দেবী দুর্গা ও তাঁর চার সন্তানকে নদী বা জলাশয়ে বিসর্জন দেওয়া হয়। এছাড়া বিসর্জনের পর ছোটরা বড়দের প্রণাম করে আশীর্বাদ নেয়, সমবয়সীরা কোলাকুলি করে এবং মিষ্টিমুখের মাধ্যমে শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়।
বিজয়া দশমীর শুভ ক্ষণ থেকে শুরু করে নদী বা জলাশয়ের ঘাটে বিসর্জনের বিষাদময় সময় পর্যন্ত পোশাক, মেকআপ, গহনা এবং জুতোর নির্বাচনে থাকা চাই বিশেষ বুদ্ধিমত্তা ও নান্দনিকতা।
পুরুষদের জন্যও বিজয়া দশমী ও বিসর্জনের ক্ষণটি অত্যন্ত আবেগপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। বিজয়ার কোলাকুলি, মিষ্টিমুখ এবং গুরুজনদের পদধূলি নেওয়ার সময় শুভ্র ও পরিচ্ছন্ন পোশাকে বিজয়ার আবাহন ফুটিয়ে তুলতে সাদা, ঘিয়ে বা লাল রঙের সুতির পাঞ্জাবি ও পাজামা পরা চিরায়ত ঐতিহ্য। আবার ঘাটে ঠাকুর বিসর্জনের সময় চলাফেরা করার জন্য আরামদায়ক সুতির ক্যাজুয়াল পাঞ্জাবি-পাজামা বা শর্ট কুর্তা পরলে বেশ সুবিধা হয়।
বিজয়া দশমীতে পুরুষদের পোশাকের সাথে জুতোর নির্বাচনে স্বাচ্ছন্দ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি। সকালে কোলাকুলি ও বিজয়ার শুভেচ্ছাদানের প্রহরে ট্র্যাডিশনাল সাদা বা ঘিয়ে পাঞ্জাবি-পাজামার সাথে পায়ে চামড়ার কোলাপুরী স্যান্ডেল, নাগরা বা স্লিপ-অন জুতো পরা বেশ ক্লাসি ও আরামদায়ক। তবে বিকেলে বা সন্ধ্যায় বিসর্জনের ঘাটে যাওয়ার সময় যেখানে কাদা বা ভিড়ের সম্ভাবনা থাকে, সেখানে দামি জুতো এড়িয়ে চলাই ভালো। ঘাটে যাতায়াতের জন্য আরামদায়ক চামড়ার বেল্ট স্যান্ডেল, ক্যানভাস কেডস কিংবা সাধারণ স্নিকার্স বেছে নিলে পা সুরক্ষিত থাকে এবং বিসর্জনের পুরো প্রক্রিয়ায় অনায়াসে চলাফেরা করা সম্ভব হয়। বিসর্জন শেষে কোলাকুলি ও বড়দের আশ-আশীর্বাদ নেওয়ার মধ্য দিয়েই ইতি ঘটে রঙিন এই দুর্গোৎসবের।

বিজয়া দশমী মানেই বাঙালি হিন্দুদের হৃদয়ে একধরণের বিষাদ আর বিদায়ের সুর। তবে তারই মাঝে মেতে ওঠার ধামাকা অনুষঙ্গ হলো সিঁদুর খেলা। দেবীকে বরণ করে নেওয়ার পর বিবাহিত নারীরা একে অপরকে সিঁদুরে রাঙিয়ে তুলে আনন্দময় মুহূর্তে মেতে ওঠেন। এর পরপরই দেবীর বিসর্জনের মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটে বছরের অন্যতম সেরা শারদীয় আনন্দযজ্ঞের, শারদীয় দুর্গাপূজার।
বিজয়া দশমীতে অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির বিজয় উদযাপন করা হয় এবং দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানো হয়।
জানতে চাইলে কুমিল্লা গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলের সিনিয়র শিক্ষক গোপাল দত্ত চৌধুরী বলেন, বিজয়া দশমী হলো বিদায়ের সুর। এদিন মা চলে যায়। রেখে যান সুখস্মৃতি।
বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের আগে একটি পাত্রে রাখা জলে দেবীর প্রতিবিম্ব দর্শন করে প্রতীকী বিসর্জন সম্পন্ন করা হয়। এদিন সিঁদুরখেলা হয়। সধবা নারীরা প্রথমে দেবী দুর্গার কপালে সিঁদুর অর্পণ করেন এবং পরে একে অপরকে সিঁদুর পরিয়ে সৌভাগ্য ও মঙ্গল কামনা করেন।
ঢাকের বাদ্য, গান ও শোভাযাত্রার মাধ্যমে দেবী দুর্গা ও তাঁর চার সন্তানকে নদী বা জলাশয়ে বিসর্জন দেওয়া হয়। এছাড়া বিসর্জনের পর ছোটরা বড়দের প্রণাম করে আশীর্বাদ নেয়, সমবয়সীরা কোলাকুলি করে এবং মিষ্টিমুখের মাধ্যমে শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়।
বিজয়া দশমীর শুভ ক্ষণ থেকে শুরু করে নদী বা জলাশয়ের ঘাটে বিসর্জনের বিষাদময় সময় পর্যন্ত পোশাক, মেকআপ, গহনা এবং জুতোর নির্বাচনে থাকা চাই বিশেষ বুদ্ধিমত্তা ও নান্দনিকতা।
পুরুষদের জন্যও বিজয়া দশমী ও বিসর্জনের ক্ষণটি অত্যন্ত আবেগপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। বিজয়ার কোলাকুলি, মিষ্টিমুখ এবং গুরুজনদের পদধূলি নেওয়ার সময় শুভ্র ও পরিচ্ছন্ন পোশাকে বিজয়ার আবাহন ফুটিয়ে তুলতে সাদা, ঘিয়ে বা লাল রঙের সুতির পাঞ্জাবি ও পাজামা পরা চিরায়ত ঐতিহ্য। আবার ঘাটে ঠাকুর বিসর্জনের সময় চলাফেরা করার জন্য আরামদায়ক সুতির ক্যাজুয়াল পাঞ্জাবি-পাজামা বা শর্ট কুর্তা পরলে বেশ সুবিধা হয়।
বিজয়া দশমীতে পুরুষদের পোশাকের সাথে জুতোর নির্বাচনে স্বাচ্ছন্দ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি। সকালে কোলাকুলি ও বিজয়ার শুভেচ্ছাদানের প্রহরে ট্র্যাডিশনাল সাদা বা ঘিয়ে পাঞ্জাবি-পাজামার সাথে পায়ে চামড়ার কোলাপুরী স্যান্ডেল, নাগরা বা স্লিপ-অন জুতো পরা বেশ ক্লাসি ও আরামদায়ক। তবে বিকেলে বা সন্ধ্যায় বিসর্জনের ঘাটে যাওয়ার সময় যেখানে কাদা বা ভিড়ের সম্ভাবনা থাকে, সেখানে দামি জুতো এড়িয়ে চলাই ভালো। ঘাটে যাতায়াতের জন্য আরামদায়ক চামড়ার বেল্ট স্যান্ডেল, ক্যানভাস কেডস কিংবা সাধারণ স্নিকার্স বেছে নিলে পা সুরক্ষিত থাকে এবং বিসর্জনের পুরো প্রক্রিয়ায় অনায়াসে চলাফেরা করা সম্ভব হয়। বিসর্জন শেষে কোলাকুলি ও বড়দের আশ-আশীর্বাদ নেওয়ার মধ্য দিয়েই ইতি ঘটে রঙিন এই দুর্গোৎসবের।