ফিফা বিশ্বকাপ
আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো পেনাল্টি শুটআউটে হেরে গেল চারবারের চ্যাম্পিয়নরা, দুটি শট ঠেকিয়ে প্যারাগুয়ের নায়ক গোলরক্ষক ওর্লান্দো হিল।
ম্যাচের ৪২তম মিনিটে জার্মানির রক্ষণভাগকে স্তব্ধ করে দেন জুলিও এনকিসো। প্যারাগুয়ের এই ফরোয়ার্ডের নিখুঁত নিচু হেডে বল জালে জড়ালে কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যয়ারের কিছুই করার ছিল না। এই গোলের মাধ্যমে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় প্যারাগুয়ে।
প্রথমার্ধে জার্মানি ৭৮ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখেও আক্রমণভাগে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। পুরো অর্ধে তারা চারটি শট নিলেও একটিও লক্ষ্যে ছিল না। অন্যদিকে, প্যারাগুয়ে শুরু থেকেই ছিল আক্রমণাত্মক। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই জুনিয়র আলোনসো জার্মান কিপার ন্যয়ারের দক্ষতার পরীক্ষা নেন। সব মিলিয়ে প্রথমার্ধে প্যারাগুয়ে তিনটি শট নিয়ে দুটিতেই লক্ষ্যভেদ করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিল, যার একটি থেকে এসেছে মূল্যবান গোলটি।
দ্বিতীয়ার্ধে জার্মানি তাদের খেলায় গতি বাড়ায় এবং আক্রমণের ধার বাড়াতে মরিয়া হয়ে ওঠে। রক্ষণাত্মক কৌশলে থাকা প্যারাগুয়ে শেষ পর্যন্ত আর নিজেদের জাল অক্ষত রাখতে পারেনি। গোল শোধের পর জার্মানি জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেও প্যারাগুয়ের রক্ষণ দেয়াল ভাঙা সম্ভব হয়নি। ফলে ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় দুই দলকে।
টাইব্রেকারে প্রথম শট নেয় জার্মানি। গোলকিপারের বাম দিকে প্রথম শট নেন কাই হাভার্টজ। দারুণ ক্ষিপ্রতায় ঝাঁপিয়ে সেটি ঠেকিয়ে দেন অরল্যান্ডো গিল। পরে মাউরিসিও মাগালায়েসও বাম দিকে নেন শট। তবে জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার ঠেকাতে পারেননি।
দ্বিতীয় শটে হাভার্টজের ভুল করেননি জশুয়া কিমিখ। তিনি শট নেন ডান দিকে। তবে আগেই বাম দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে মিস করেন গিল। পরে বাম দিকে শট নিয়ে নয়্যারকে বোকা বানান গুস্তাভো গোমেস।
তৃতীয় শট নিতে এসে ডান দিকে মারেন জামাল মুসিয়ালা। সেদিকেই ঝাঁপান গিল। তবে অল্পের জন্য নাগাল পাননি ২৬ বছর বয়সী গোলরক্ষক। পরে শট নিতে এসে চমৎকার নিচু শটে ডান দিকে মেরে নয়্যারকে পরাস্ত করেন মাতিয়াস গালারজা।
চতুর্থ শট আবার বাম দিকে নেন নিক ভোল্টেমেড। আরও একবার সঠিক ঝাঁপ দিয়ে ঠেকিয়ে দেন গিল। ফলে প্যারাগুয়ের সামনে সুযোগ আসে জিতে যাওয়ার। কিন্তু আন্তোনিও সানাব্রিয়া ডান পাশ দিয়ে বাইরে মারলে বাড়ে তাদের অপেক্ষা।
পঞ্চম শটে কোনো ভুল করেননি নাদিয়েম আমিরি। তিনি লক্ষ্যভেদ করলে বেঁচে থাকে জার্মানির আশা। পরে প্যারাগুয়ের ফাবিয়ান বালবুয়েনা বাম দিকে শট নিলে সেদিকেই ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন নয়্যার। ফলে খেলা গড়ায় ষষ্ঠ শটে।
টাইব্রেকারের ষষ্ঠ শট নিতে এসে বারের অনেক ওপর দিয়ে মারেন জনাথন তাহ। ফলে আবারও সুযোগ আসে প্যারাগুয়ের সামনে। এবার আর ভুল হয়নি হোসে কানালের। তার বাম পাশে নেওয়া জোরাল শটে কিছুই করতে পারেননি নয়্যার।
টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে হেরে বিদায়ঘণ্টা বেজে যায় জার্মানির। আর চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের হতাশায় ডুবিয়ে শেষ ষোলোতে পৌঁছে যায় প্যারাগুয়ে।

বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো পেনাল্টি শুটআউটে হেরে গেল চারবারের চ্যাম্পিয়নরা, দুটি শট ঠেকিয়ে প্যারাগুয়ের নায়ক গোলরক্ষক ওর্লান্দো হিল।
ম্যাচের ৪২তম মিনিটে জার্মানির রক্ষণভাগকে স্তব্ধ করে দেন জুলিও এনকিসো। প্যারাগুয়ের এই ফরোয়ার্ডের নিখুঁত নিচু হেডে বল জালে জড়ালে কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যয়ারের কিছুই করার ছিল না। এই গোলের মাধ্যমে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় প্যারাগুয়ে।
প্রথমার্ধে জার্মানি ৭৮ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখেও আক্রমণভাগে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। পুরো অর্ধে তারা চারটি শট নিলেও একটিও লক্ষ্যে ছিল না। অন্যদিকে, প্যারাগুয়ে শুরু থেকেই ছিল আক্রমণাত্মক। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই জুনিয়র আলোনসো জার্মান কিপার ন্যয়ারের দক্ষতার পরীক্ষা নেন। সব মিলিয়ে প্রথমার্ধে প্যারাগুয়ে তিনটি শট নিয়ে দুটিতেই লক্ষ্যভেদ করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিল, যার একটি থেকে এসেছে মূল্যবান গোলটি।
দ্বিতীয়ার্ধে জার্মানি তাদের খেলায় গতি বাড়ায় এবং আক্রমণের ধার বাড়াতে মরিয়া হয়ে ওঠে। রক্ষণাত্মক কৌশলে থাকা প্যারাগুয়ে শেষ পর্যন্ত আর নিজেদের জাল অক্ষত রাখতে পারেনি। গোল শোধের পর জার্মানি জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেও প্যারাগুয়ের রক্ষণ দেয়াল ভাঙা সম্ভব হয়নি। ফলে ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় দুই দলকে।
টাইব্রেকারে প্রথম শট নেয় জার্মানি। গোলকিপারের বাম দিকে প্রথম শট নেন কাই হাভার্টজ। দারুণ ক্ষিপ্রতায় ঝাঁপিয়ে সেটি ঠেকিয়ে দেন অরল্যান্ডো গিল। পরে মাউরিসিও মাগালায়েসও বাম দিকে নেন শট। তবে জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার ঠেকাতে পারেননি।
দ্বিতীয় শটে হাভার্টজের ভুল করেননি জশুয়া কিমিখ। তিনি শট নেন ডান দিকে। তবে আগেই বাম দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে মিস করেন গিল। পরে বাম দিকে শট নিয়ে নয়্যারকে বোকা বানান গুস্তাভো গোমেস।
তৃতীয় শট নিতে এসে ডান দিকে মারেন জামাল মুসিয়ালা। সেদিকেই ঝাঁপান গিল। তবে অল্পের জন্য নাগাল পাননি ২৬ বছর বয়সী গোলরক্ষক। পরে শট নিতে এসে চমৎকার নিচু শটে ডান দিকে মেরে নয়্যারকে পরাস্ত করেন মাতিয়াস গালারজা।
চতুর্থ শট আবার বাম দিকে নেন নিক ভোল্টেমেড। আরও একবার সঠিক ঝাঁপ দিয়ে ঠেকিয়ে দেন গিল। ফলে প্যারাগুয়ের সামনে সুযোগ আসে জিতে যাওয়ার। কিন্তু আন্তোনিও সানাব্রিয়া ডান পাশ দিয়ে বাইরে মারলে বাড়ে তাদের অপেক্ষা।
পঞ্চম শটে কোনো ভুল করেননি নাদিয়েম আমিরি। তিনি লক্ষ্যভেদ করলে বেঁচে থাকে জার্মানির আশা। পরে প্যারাগুয়ের ফাবিয়ান বালবুয়েনা বাম দিকে শট নিলে সেদিকেই ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন নয়্যার। ফলে খেলা গড়ায় ষষ্ঠ শটে।
টাইব্রেকারের ষষ্ঠ শট নিতে এসে বারের অনেক ওপর দিয়ে মারেন জনাথন তাহ। ফলে আবারও সুযোগ আসে প্যারাগুয়ের সামনে। এবার আর ভুল হয়নি হোসে কানালের। তার বাম পাশে নেওয়া জোরাল শটে কিছুই করতে পারেননি নয়্যার।
টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে হেরে বিদায়ঘণ্টা বেজে যায় জার্মানির। আর চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের হতাশায় ডুবিয়ে শেষ ষোলোতে পৌঁছে যায় প্যারাগুয়ে।