আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

পাঁচ দিনের ম্যাচ শেষ আড়াই দিনেই। ৪৫০ ওভারের ম্যাচের ফয়সালা হয়ে গেল ২০০ ওভারের আগেই। ম্যাচের প্রথম দিনই নিজেদের সম্ভাবনার কবর খুঁড়েছিল বাংলাদেশ। এখন সমাধিও হয়ে গেল। টানা চার টেস্ট জয়ে উড়তে থাকা দল হুট করেই মুখ থুবড়ে পড়ে গেল বিব্রতকর পরাজয়ে। জিম্বাবুয়ে পেল রেকর্ড গড়া জয়।
হারারে টেস্টে বাংলাদেশকে ইনিংস ও ৮৫ রানে হারাল বাংলাদেশ।
জিম্বাবুয়ের কাছে বাংলাদেশ ইনিংস ব্যবধানে সবশেষ হেরেছিল সেই ২০০১ সালে। দুই দলের প্রথম টেস্ট ছিল সেটি, টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের ছিল দ্বিতীয় ম্যাচ।
২৭০ রানে পিছিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ব্লেসিং মুজারাবানির গতি ও বাউন্সে শুরুতেই ফিরে যান মাহমুদুল হাসান জয় ও মুমিনুল হক।
এরপর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম ৬১ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। তবে সেই জুটি ভাঙতেই আবারও ধসে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং। নিউম্যান নিয়ামুরির বলে ৩০ রান করে বোল্ড হন শান্ত, আর ৩৪ রান করা মুশফিক উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মুজারাবানির শিকার হয়ে।
অভিষেক টেস্ট খেলতে নামা তাওহিদ হৃদয়ও নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দিয়ে মাত্র ৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ১৮৫ রানে অলআউট হয়ে ইনিংস ও ৮৫ রানের পরাজয় নিশ্চিত করে টাইগাররা।
ম্যাচজুড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং ছিল হতাশাজনক। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৪০ রানে অলআউট হওয়ার পথে শেষ আট উইকেট হারায় মাত্র ২৮ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসেও সেই দুর্বলতার পুনরাবৃত্তি ঘটে।
তবে বল হাতে একাই লড়াই করেছেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি এই স্পিনার প্রথম ইনিংসে সাত উইকেট শিকার করে জিম্বাবুয়েকে আরও বড় সংগ্রহ গড়তে দেননি। কিন্তু ব্যাটসম্যানদের চরম ব্যর্থতায় তার অসাধারণ বোলিংও শেষ পর্যন্ত কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি।

পাঁচ দিনের ম্যাচ শেষ আড়াই দিনেই। ৪৫০ ওভারের ম্যাচের ফয়সালা হয়ে গেল ২০০ ওভারের আগেই। ম্যাচের প্রথম দিনই নিজেদের সম্ভাবনার কবর খুঁড়েছিল বাংলাদেশ। এখন সমাধিও হয়ে গেল। টানা চার টেস্ট জয়ে উড়তে থাকা দল হুট করেই মুখ থুবড়ে পড়ে গেল বিব্রতকর পরাজয়ে। জিম্বাবুয়ে পেল রেকর্ড গড়া জয়।
হারারে টেস্টে বাংলাদেশকে ইনিংস ও ৮৫ রানে হারাল বাংলাদেশ।
জিম্বাবুয়ের কাছে বাংলাদেশ ইনিংস ব্যবধানে সবশেষ হেরেছিল সেই ২০০১ সালে। দুই দলের প্রথম টেস্ট ছিল সেটি, টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের ছিল দ্বিতীয় ম্যাচ।
২৭০ রানে পিছিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ব্লেসিং মুজারাবানির গতি ও বাউন্সে শুরুতেই ফিরে যান মাহমুদুল হাসান জয় ও মুমিনুল হক।
এরপর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম ৬১ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। তবে সেই জুটি ভাঙতেই আবারও ধসে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং। নিউম্যান নিয়ামুরির বলে ৩০ রান করে বোল্ড হন শান্ত, আর ৩৪ রান করা মুশফিক উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মুজারাবানির শিকার হয়ে।
অভিষেক টেস্ট খেলতে নামা তাওহিদ হৃদয়ও নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দিয়ে মাত্র ৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ১৮৫ রানে অলআউট হয়ে ইনিংস ও ৮৫ রানের পরাজয় নিশ্চিত করে টাইগাররা।
ম্যাচজুড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং ছিল হতাশাজনক। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৪০ রানে অলআউট হওয়ার পথে শেষ আট উইকেট হারায় মাত্র ২৮ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসেও সেই দুর্বলতার পুনরাবৃত্তি ঘটে।
তবে বল হাতে একাই লড়াই করেছেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি এই স্পিনার প্রথম ইনিংসে সাত উইকেট শিকার করে জিম্বাবুয়েকে আরও বড় সংগ্রহ গড়তে দেননি। কিন্তু ব্যাটসম্যানদের চরম ব্যর্থতায় তার অসাধারণ বোলিংও শেষ পর্যন্ত কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি।