আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর উইন্ডোতে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় ফিফা আসিয়ান কাপে খেলার অনুমোদন পেয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। ভারতের জায়গায় টুর্নামেন্টে অংশ নেবে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।
ভারতের সরে দাঁড়ানোর পর বাংলাদেশ টুর্নামেন্টে খেলতে আগ্রহ জানায়। তবে অপেক্ষা ছিল ফিফার আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের। সেই অনুমোদনই এখন মিলেছে। আজ কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় তা নিশ্চিত করে বাফুফে।
ফিফার অর্থায়নে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় হবে আসিয়ান কাপের ডিভিশন-১ এর খেলা। ৮ দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করে হবে প্রতিযোগিতা।বাংলাদেশ খেলবে ‘এ’ গ্রুপে, যেখানে প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর।
হামজা-জামাল ভূঁইয়াদের জন্য টুর্নামেন্টটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে মূলত আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগের কারণে।
শুধু গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচই নয়, গ্রুপে অবস্থান নির্ধারনী আরও একটি ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকবে। দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন খেলবে ফাইনালে, রানার্সআপরা তৃতীয় স্থান, তৃতীয় হওয়া দলগুলো পঞ্চম স্থান এবং চতুর্থ হওয়া দলগুলো সপ্তম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে। ফলে প্রতিটি দলের জন্যই চারটি ম্যাচ নিশ্চিত।
টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ায় বাফুফেকেও বড় ধরনের আর্থিক ব্যয়ের মুখে পড়তে হবে না। আয়োজকেরাই অংশগ্রহণকারী দলগুলোর যাতায়াত ও আবাসনের ব্যয় বহন করবে। পাশাপাশি দলগুলোকে অংশগ্রহণ বাবদ অর্থও দেওয়া হবে।
এ বছরের নভেম্বরে ঢাকায় হতে যাওয়া সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ সামনে রেখে জাতীয় দলের প্রস্তুতিতেও এই টুর্নামেন্ট বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রস্তুতি ঝালিয়ে নিতে পারবে বাংলাদেশ।

আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর উইন্ডোতে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় ফিফা আসিয়ান কাপে খেলার অনুমোদন পেয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। ভারতের জায়গায় টুর্নামেন্টে অংশ নেবে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।
ভারতের সরে দাঁড়ানোর পর বাংলাদেশ টুর্নামেন্টে খেলতে আগ্রহ জানায়। তবে অপেক্ষা ছিল ফিফার আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের। সেই অনুমোদনই এখন মিলেছে। আজ কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় তা নিশ্চিত করে বাফুফে।
ফিফার অর্থায়নে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় হবে আসিয়ান কাপের ডিভিশন-১ এর খেলা। ৮ দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করে হবে প্রতিযোগিতা।বাংলাদেশ খেলবে ‘এ’ গ্রুপে, যেখানে প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর।
হামজা-জামাল ভূঁইয়াদের জন্য টুর্নামেন্টটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে মূলত আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগের কারণে।
শুধু গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচই নয়, গ্রুপে অবস্থান নির্ধারনী আরও একটি ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকবে। দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন খেলবে ফাইনালে, রানার্সআপরা তৃতীয় স্থান, তৃতীয় হওয়া দলগুলো পঞ্চম স্থান এবং চতুর্থ হওয়া দলগুলো সপ্তম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে। ফলে প্রতিটি দলের জন্যই চারটি ম্যাচ নিশ্চিত।
টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ায় বাফুফেকেও বড় ধরনের আর্থিক ব্যয়ের মুখে পড়তে হবে না। আয়োজকেরাই অংশগ্রহণকারী দলগুলোর যাতায়াত ও আবাসনের ব্যয় বহন করবে। পাশাপাশি দলগুলোকে অংশগ্রহণ বাবদ অর্থও দেওয়া হবে।
এ বছরের নভেম্বরে ঢাকায় হতে যাওয়া সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ সামনে রেখে জাতীয় দলের প্রস্তুতিতেও এই টুর্নামেন্ট বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রস্তুতি ঝালিয়ে নিতে পারবে বাংলাদেশ।