আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে চিরতরে বিদায় বললেন ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী পেসার মার্ক উড। মূলত চোটের কাছে হার মেনেই এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড উডের অবসরের খবর নিশ্চিত করে তার পক্ষ থেকে আবেগঘন বার্তাও প্রচার করেছে।
২০১৫ সালে লর্ডসে অভিষেকের পর ৩৮ টেস্টে ১১৯ উইকেট শিকার করেছেন উড। খেলেছেন ৪টি অ্যাশেজ। ২০১৫ সালে নিজের প্রথম অ্যাশেজেই নিজের জাত চেনান। ২০১৯ সালে জিতেছেন ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০২২ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে তো ছিল মুখ্য ভূমিকা।
তবে সম্প্রতি চোটের সাথে লড়াই ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছিল। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শেই থেমে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অবসরের আগে ৩৮টি তেস্তম ৭০টি ওয়ানডে ও ৩৮টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন এই পেসার।
উড বলেন, ‘আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
গত এক বছরে যা হয়েছে, তাতে হয়তো এই সিদ্ধান্ত কারও কাছে বিস্ময়কর নয়। তবে আমার চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার এই সময়টাকেই স্বাভাবিকভাবে অবসর নেওয়ার উপযুক্ত সময় মনে হয়েছে।’ যদিও আরও কিছু দিন খেলা চালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন, তা তার বক্তব্যেই স্পষ্ট, ‘আমি সবসময় মানসিকভাবে শক্ত থাকার চেষ্টা করেছি। চোট থেকে ফিরে এসে মানুষকে ভুল প্রমাণ করতে এবং আমি কী করতে পারি, তা সবাইকে দেখাতে চেয়েছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এবার আমি এই লড়াইয়ে হেরে গেলাম। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, টেস্ট ও ৫০ ওভারের ক্রিকেট খেলা এখন আর সম্ভব নয়। তাই গত এক বছরে ধীরে ধীরে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার স্বপ্নটা আমার কাছ থেকে হারিয়ে গেছে।’
আপাতত নিজের সোনালী অতীতই উচ্ছ্বাস আরন উল্লাস করার বিষয় উডের কাছে বলেছেন, ‘ইংল্যান্ডের হয়ে খেলা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মানের বিষয় এবং স্বপ্নপূরণের মতো ছিল। আমার ভেতরের ছোট্ট ছেলেটা নিশ্চয়ই ইংল্যান্ডের হয়ে এতগুলো ম্যাচ খেলতে পেরে ভীষণ খুশি হতো। সারা বিশ্ব ঘুরে বেড়ানো, অসাধারণ সব মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং বিশ্বের সেরা ক্রিকেটারদের সঙ্গে ও বিপক্ষে খেলা- এসব করতে পেরে নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবান মনে করি।
আর সবচেয়ে বড় কথা, এমন একটি কাজ করতে পেরেছি যেটা আমি ভালোবাসি।’ নিজেকে নিয়ে তিনি আরও বলেছেন, ‘একটি দুর্দান্ত ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়টা কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাওয়া সত্যিই সম্মানের। অ্যাশেজ সিরিজ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা, দুটি বিশ্বকাপ জেতা এবং যখনই হাতে বল পেয়েছে, দর্শকদের রোমাঞ্চিত করা- এমন কীর্তি খুব কম ক্রিকেটারই অর্জন করতে পারে। নিজের ক্যারিয়ারের দিকে ফিরে তাকালে মার্ক উডের অসীম গর্ব অনুভব করার যথেষ্ট কারণ আছে।’
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে চিরতরে বিদায় বললেন ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী পেসার মার্ক উড। মূলত চোটের কাছে হার মেনেই এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড উডের অবসরের খবর নিশ্চিত করে তার পক্ষ থেকে আবেগঘন বার্তাও প্রচার করেছে।
২০১৫ সালে লর্ডসে অভিষেকের পর ৩৮ টেস্টে ১১৯ উইকেট শিকার করেছেন উড। খেলেছেন ৪টি অ্যাশেজ। ২০১৫ সালে নিজের প্রথম অ্যাশেজেই নিজের জাত চেনান। ২০১৯ সালে জিতেছেন ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০২২ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে তো ছিল মুখ্য ভূমিকা।
তবে সম্প্রতি চোটের সাথে লড়াই ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছিল। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শেই থেমে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অবসরের আগে ৩৮টি তেস্তম ৭০টি ওয়ানডে ও ৩৮টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন এই পেসার।
উড বলেন, ‘আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
গত এক বছরে যা হয়েছে, তাতে হয়তো এই সিদ্ধান্ত কারও কাছে বিস্ময়কর নয়। তবে আমার চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার এই সময়টাকেই স্বাভাবিকভাবে অবসর নেওয়ার উপযুক্ত সময় মনে হয়েছে।’ যদিও আরও কিছু দিন খেলা চালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন, তা তার বক্তব্যেই স্পষ্ট, ‘আমি সবসময় মানসিকভাবে শক্ত থাকার চেষ্টা করেছি। চোট থেকে ফিরে এসে মানুষকে ভুল প্রমাণ করতে এবং আমি কী করতে পারি, তা সবাইকে দেখাতে চেয়েছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এবার আমি এই লড়াইয়ে হেরে গেলাম। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, টেস্ট ও ৫০ ওভারের ক্রিকেট খেলা এখন আর সম্ভব নয়। তাই গত এক বছরে ধীরে ধীরে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার স্বপ্নটা আমার কাছ থেকে হারিয়ে গেছে।’
আপাতত নিজের সোনালী অতীতই উচ্ছ্বাস আরন উল্লাস করার বিষয় উডের কাছে বলেছেন, ‘ইংল্যান্ডের হয়ে খেলা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মানের বিষয় এবং স্বপ্নপূরণের মতো ছিল। আমার ভেতরের ছোট্ট ছেলেটা নিশ্চয়ই ইংল্যান্ডের হয়ে এতগুলো ম্যাচ খেলতে পেরে ভীষণ খুশি হতো। সারা বিশ্ব ঘুরে বেড়ানো, অসাধারণ সব মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং বিশ্বের সেরা ক্রিকেটারদের সঙ্গে ও বিপক্ষে খেলা- এসব করতে পেরে নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবান মনে করি।
আর সবচেয়ে বড় কথা, এমন একটি কাজ করতে পেরেছি যেটা আমি ভালোবাসি।’ নিজেকে নিয়ে তিনি আরও বলেছেন, ‘একটি দুর্দান্ত ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়টা কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাওয়া সত্যিই সম্মানের। অ্যাশেজ সিরিজ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা, দুটি বিশ্বকাপ জেতা এবং যখনই হাতে বল পেয়েছে, দর্শকদের রোমাঞ্চিত করা- এমন কীর্তি খুব কম ক্রিকেটারই অর্জন করতে পারে। নিজের ক্যারিয়ারের দিকে ফিরে তাকালে মার্ক উডের অসীম গর্ব অনুভব করার যথেষ্ট কারণ আছে।’