ফিফা বিশ্বকাপ
আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

দুর্দান্ত স্পেনের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন বেলজিয়াম গোলকিপার থিবো কর্তোয়া। লামিন ইয়ামাল, ফেরান তোরেসদের একের পর এক আক্রমণ রুখে দেওয়ার পরও স্পেন এগিয়ে যায়। বেলজিয়াম অবশ্য সমতায় ফিরতে দেরি করেনি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে কর্তোয়াকে ব্যথা নিয়ে মাছ ছাড়তে হয়, এরপর বেঞ্চে বসেই দেখেছেন দলের হার। শেষ মুহূর্তের গোলে বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে উঠেছে লা রোজারা।
গতকাল শুক্রবার রাতে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারায় স্পেন। ৩০ মিনিটে স্পেনকে এগিয়ে দেন ফাবিয়ান রুইজ। ১১ মিনিট পর বেলজিয়ামকে সমতায় ফেরান চার্লস ডে কেতেলায়েরে। আর শেষ দিকে মিকেল মেরিনোর গোলে জেতে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।
সেমি-ফাইনালে আগামী ১৪ জুলাই রাতে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে স্পেন।
যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে এদিন শুরু থেকে স্পেন প্রতিপক্ষের রক্ষণে বেশিরভাগ সময় হানা দেয়। বেশ কিছু হাফ চান্সও আসে এসময়। কিন্তু বেলজিয়ামের বক্সে গিয়ে কিংবা বক্সের সামনে তাদের বেশিরভাগ আক্রমণ মুখ থুবড়ে পড়ে। ২১ মিনিটে বক্সের একটু সামনে থেকে নেওয়া ইয়ামালের কোনাকুনি শট বেরিয়ে যায় পোস্টঘেঁষে।
প্রথমার্ধের হাইড্রেশন ব্রেকের পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে স্পেন। ৩০ মিনিটে দারুণ এবং গোছানো আক্রমণ থেকে এগিয়েও যায় লা রোজারা। ডান দিকে ইয়ামালের সঙ্গে ওয়ান-টু খেলে পোরো বল দেন ওলমোকে, স্পেন মিডফিল্ডারের নেওয়া নিচু শট প্রথমে ঠেকিয়ে দেন থিবো কর্তোয়া। হতে পারত এটি দুর্দান্ত সেভ, কিন্তু পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে না পারায় ফিরতি শটে খুব কাছ থেকে জালে বল জড়ান রুইজ।
স্পেন এগিয়ে যাওয়ার পাঁচ মিনিট পর ফ্রি কিকে ইয়ামালের বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে বলটি বেলজিয়ামের রক্ষণ প্রাচীরের ভেতর দিয়ে জালে জড়াবে মনে হচ্ছিল, তবে কর্তোয়া দুই হাতে দ্রুত ক্লিয়ার করেন।
ম্যাচে নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখে স্পেন। খানিক পর ইয়ামালের দারুণ শট কাঁপায় পাশের জাল। কিন্তু ৪১ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে কেভিন ডি ব্রুইনের ক্রসে গোলমুখের সামনে হেডে লক্ষ্যভেদ করেন চার্লস ডে কেতেলায়েরে। স্পেন গোলকিপারের চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না। ওই গোলে ১-১ সমতা নিয়ে বিরতি যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে ৭০ মিনিটের মাথায় চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন কোর্তোয়া। তার জায়গায় গোলপোস্টে দাঁড়ান সিন লেমেন্স।
এরপর একবার গোল হজমের কাছাকাছি চলে গিয়েছিল স্পেন। গোলরক্ষক উনাই সিমন বক্সের বাইরে চলে এলে সেই সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছিলেন অ্যালেক্সান্ডার সালমেকার্স। মাঝে থাকা রোমেলু লুকাকুর দিকে বাড়ানো তার ক্রস দারুণভাবে ঠেকান এইমেরিক লাপোর্তে। বড় বিপদ থেকে বাঁচে স্পেন।
শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার ঠিক আগে জয়সূচক গোলটি করেন মিকেল মেরিনো। পাউ কুবারসির শট ঠেকিয়েছিলেন বদলি গোলরক্ষক লেমেন্স, তবে ফিরতি বলে বক্সে থাকা মেরিনোর শট আর ঠেকাতে পারেননি তিনি। আগের ম্যাচে পর্তুগালের বিদায় নিশ্চিত করা মেরিনোই এবার হলেন স্পেনের জয়ের নায়ক।
এই জয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল স্পেন। বিদায় নিশ্চিত হলো বেলজিয়ামের।

দুর্দান্ত স্পেনের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন বেলজিয়াম গোলকিপার থিবো কর্তোয়া। লামিন ইয়ামাল, ফেরান তোরেসদের একের পর এক আক্রমণ রুখে দেওয়ার পরও স্পেন এগিয়ে যায়। বেলজিয়াম অবশ্য সমতায় ফিরতে দেরি করেনি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে কর্তোয়াকে ব্যথা নিয়ে মাছ ছাড়তে হয়, এরপর বেঞ্চে বসেই দেখেছেন দলের হার। শেষ মুহূর্তের গোলে বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে উঠেছে লা রোজারা।
গতকাল শুক্রবার রাতে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারায় স্পেন। ৩০ মিনিটে স্পেনকে এগিয়ে দেন ফাবিয়ান রুইজ। ১১ মিনিট পর বেলজিয়ামকে সমতায় ফেরান চার্লস ডে কেতেলায়েরে। আর শেষ দিকে মিকেল মেরিনোর গোলে জেতে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।
সেমি-ফাইনালে আগামী ১৪ জুলাই রাতে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে স্পেন।
যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে এদিন শুরু থেকে স্পেন প্রতিপক্ষের রক্ষণে বেশিরভাগ সময় হানা দেয়। বেশ কিছু হাফ চান্সও আসে এসময়। কিন্তু বেলজিয়ামের বক্সে গিয়ে কিংবা বক্সের সামনে তাদের বেশিরভাগ আক্রমণ মুখ থুবড়ে পড়ে। ২১ মিনিটে বক্সের একটু সামনে থেকে নেওয়া ইয়ামালের কোনাকুনি শট বেরিয়ে যায় পোস্টঘেঁষে।
প্রথমার্ধের হাইড্রেশন ব্রেকের পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে স্পেন। ৩০ মিনিটে দারুণ এবং গোছানো আক্রমণ থেকে এগিয়েও যায় লা রোজারা। ডান দিকে ইয়ামালের সঙ্গে ওয়ান-টু খেলে পোরো বল দেন ওলমোকে, স্পেন মিডফিল্ডারের নেওয়া নিচু শট প্রথমে ঠেকিয়ে দেন থিবো কর্তোয়া। হতে পারত এটি দুর্দান্ত সেভ, কিন্তু পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে না পারায় ফিরতি শটে খুব কাছ থেকে জালে বল জড়ান রুইজ।
স্পেন এগিয়ে যাওয়ার পাঁচ মিনিট পর ফ্রি কিকে ইয়ামালের বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে বলটি বেলজিয়ামের রক্ষণ প্রাচীরের ভেতর দিয়ে জালে জড়াবে মনে হচ্ছিল, তবে কর্তোয়া দুই হাতে দ্রুত ক্লিয়ার করেন।
ম্যাচে নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখে স্পেন। খানিক পর ইয়ামালের দারুণ শট কাঁপায় পাশের জাল। কিন্তু ৪১ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে কেভিন ডি ব্রুইনের ক্রসে গোলমুখের সামনে হেডে লক্ষ্যভেদ করেন চার্লস ডে কেতেলায়েরে। স্পেন গোলকিপারের চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না। ওই গোলে ১-১ সমতা নিয়ে বিরতি যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে ৭০ মিনিটের মাথায় চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন কোর্তোয়া। তার জায়গায় গোলপোস্টে দাঁড়ান সিন লেমেন্স।
এরপর একবার গোল হজমের কাছাকাছি চলে গিয়েছিল স্পেন। গোলরক্ষক উনাই সিমন বক্সের বাইরে চলে এলে সেই সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছিলেন অ্যালেক্সান্ডার সালমেকার্স। মাঝে থাকা রোমেলু লুকাকুর দিকে বাড়ানো তার ক্রস দারুণভাবে ঠেকান এইমেরিক লাপোর্তে। বড় বিপদ থেকে বাঁচে স্পেন।
শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার ঠিক আগে জয়সূচক গোলটি করেন মিকেল মেরিনো। পাউ কুবারসির শট ঠেকিয়েছিলেন বদলি গোলরক্ষক লেমেন্স, তবে ফিরতি বলে বক্সে থাকা মেরিনোর শট আর ঠেকাতে পারেননি তিনি। আগের ম্যাচে পর্তুগালের বিদায় নিশ্চিত করা মেরিনোই এবার হলেন স্পেনের জয়ের নায়ক।
এই জয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল স্পেন। বিদায় নিশ্চিত হলো বেলজিয়ামের।