ফিফা বিশ্বকাপ
স্বপ্ন রায়

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে। তবে ম্যাচ শুরুর আগেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে একজনই—আর্লিং হালান্ড। দুর্দান্ত গোল করার ধারাবাহিকতায় নরওয়েকে ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছেন এই তারকা স্ট্রাইকার। তাই ফুটবলপ্রেমীদের বড় প্রশ্ন, কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের রক্ষণ কি শেষ পর্যন্ত হালান্ডকে থামাতে পারবে?
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বাংলাদেশ সময় আজ শনিবার রাত ৩টায় মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই দল।
২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে দারুণ চমক দেখিয়েছে নরওয়ে। গ্রুপ পর্বে ইরাক, সেনেগাল ও আইভরি কোস্টকে হারানোর পর শেষ ষোলোতে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে ২-১ গোলে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় নরওয়ে।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি নরওয়ের তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনাল। এই ম্যাচে জয় পেলে ১৯৯৮ সালের পর প্রথমবার এবং ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো সেমিফাইনালে জায়গা করে নেবে তারা।
অন্যদিকে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ধরে রেখে শিরোপার স্বপ্ন আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে চায় ইংল্যান্ড। শক্তিশালী রক্ষণভাগের সামনে তাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবেন হালান্ড।
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত চার ম্যাচে সাত গোল করেছেন নরওয়ের আর্লিং হালান্ড।
অন্যদিকে পাঁচ ম্যাচে ছয় গোল নিয়ে ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইনও আছেন দুর্দান্ত ছন্দে। দুই দলের পাশাপাশি এ ম্যাচে বিশ্ব তাকিয়ে থাকবে দুই গোলমেশিনের দ্বৈরথের দিকেও। চলতি বিশ্বকাপে কেইন ছাড়াও জুড বেলিংহামের জাদুকরী পাস, ডেক্লান রাইসের মিডফিল্ড নিয়ন্ত্রণ, বুকায়ো সাকার গতি এবং ফিল ফোডেনের পায়ের কারুকাজ ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগকে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর করে তুলেছে।
বিশ্বমঞ্চের শেষ আটের এই লড়াইয়ে আজ যে দলই জিতবে, ফাইনালে ওঠার মহারণে তাদের মুখোমুখি হতে হবে আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড ম্যাচের জয়ী দলের বিরুদ্ধে।
পরিসংখ্যানের লড়াইয়ে দেখা যায় ১২ বার দেখা হয়েছে এই দুই দলের এবং আট জয় নিয়ে নরওয়ের চেয়ে বেশ এগিয়ে ইংল্যান্ড। এমনকি সর্বশেষ চার দেখায় নরওয়ে কোনো গোলই করতে পারেনি। তবে নকআউট পর্বে ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের সাম্প্রতিক রেকর্ড বেশ উদ্বেগজনক; শেষ ছয়টি নকআউট ম্যাচের পাঁচটিতেই ইউরোপীয় দলের কাছে হেরে তাদের বিদায় নিতে হয়েছে। আবার বিশ্বকাপে ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে নরওয়ের কোনো জয়ের রেকর্ড নেই। সব মিলিয়ে, মায়ামির মাঠে আজ অভিজ্ঞতার লড়াই বনাম তারুণ্যের স্বপ্নের এক ধ্রুপদী দ্বৈরথ দেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে। তবে ম্যাচ শুরুর আগেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে একজনই—আর্লিং হালান্ড। দুর্দান্ত গোল করার ধারাবাহিকতায় নরওয়েকে ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছেন এই তারকা স্ট্রাইকার। তাই ফুটবলপ্রেমীদের বড় প্রশ্ন, কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের রক্ষণ কি শেষ পর্যন্ত হালান্ডকে থামাতে পারবে?
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বাংলাদেশ সময় আজ শনিবার রাত ৩টায় মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই দল।
২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে দারুণ চমক দেখিয়েছে নরওয়ে। গ্রুপ পর্বে ইরাক, সেনেগাল ও আইভরি কোস্টকে হারানোর পর শেষ ষোলোতে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে ২-১ গোলে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় নরওয়ে।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি নরওয়ের তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনাল। এই ম্যাচে জয় পেলে ১৯৯৮ সালের পর প্রথমবার এবং ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো সেমিফাইনালে জায়গা করে নেবে তারা।
অন্যদিকে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ধরে রেখে শিরোপার স্বপ্ন আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে চায় ইংল্যান্ড। শক্তিশালী রক্ষণভাগের সামনে তাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবেন হালান্ড।
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত চার ম্যাচে সাত গোল করেছেন নরওয়ের আর্লিং হালান্ড।
অন্যদিকে পাঁচ ম্যাচে ছয় গোল নিয়ে ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইনও আছেন দুর্দান্ত ছন্দে। দুই দলের পাশাপাশি এ ম্যাচে বিশ্ব তাকিয়ে থাকবে দুই গোলমেশিনের দ্বৈরথের দিকেও। চলতি বিশ্বকাপে কেইন ছাড়াও জুড বেলিংহামের জাদুকরী পাস, ডেক্লান রাইসের মিডফিল্ড নিয়ন্ত্রণ, বুকায়ো সাকার গতি এবং ফিল ফোডেনের পায়ের কারুকাজ ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগকে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর করে তুলেছে।
বিশ্বমঞ্চের শেষ আটের এই লড়াইয়ে আজ যে দলই জিতবে, ফাইনালে ওঠার মহারণে তাদের মুখোমুখি হতে হবে আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড ম্যাচের জয়ী দলের বিরুদ্ধে।
পরিসংখ্যানের লড়াইয়ে দেখা যায় ১২ বার দেখা হয়েছে এই দুই দলের এবং আট জয় নিয়ে নরওয়ের চেয়ে বেশ এগিয়ে ইংল্যান্ড। এমনকি সর্বশেষ চার দেখায় নরওয়ে কোনো গোলই করতে পারেনি। তবে নকআউট পর্বে ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের সাম্প্রতিক রেকর্ড বেশ উদ্বেগজনক; শেষ ছয়টি নকআউট ম্যাচের পাঁচটিতেই ইউরোপীয় দলের কাছে হেরে তাদের বিদায় নিতে হয়েছে। আবার বিশ্বকাপে ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে নরওয়ের কোনো জয়ের রেকর্ড নেই। সব মিলিয়ে, মায়ামির মাঠে আজ অভিজ্ঞতার লড়াই বনাম তারুণ্যের স্বপ্নের এক ধ্রুপদী দ্বৈরথ দেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব।