ফিফা বিশ্বকাপ
আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচের আগে কি নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে? বোধকরি ভোজিনিয়া নামক এক গোলকিপার নিয়েই। যার বীরত্বে কেপ ভার্দে গ্রুপ পর্বে দুই সাবেক চ্যাম্পিয়নকে রুখে উঠে এসেছে নকআউট পর্বে। কেন ভোজিনিয়া নামক এক ৪০ বছর বয়সীকে নিয়ে এত আলোচনা, সেটি তিনি আরও একবার জানান দিলেন। বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের প্রায় রুখেই দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এ যাত্রায় আর হয়নি। ভোজিনিয়া জুজু তাড়িয়ে শ্বাসরুদ্ধকর এক জয়ে শেষ ষোলোয় উঠেছে লিওনেল স্কালোনির দল।
আজ শনিবার বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ফেবারিট দল হিসেবে ম্যাচের ২৯ লিড তুলে নেয় আর্জেন্টিনা। গোল করেন দলের ত্রাতা লিওনেল মেসি। দলটির ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজ বক্সে উঁচু করে ভালো এক বল বাড়ান। দারুণ দক্ষতায় তা ধরে দ্রুততার সাথে নিঁখুত শটে জালে পাঠান লিও। বিশ্বকাপ ইতিহাসের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে ২০ গোল করার কীর্তি গড়েন। চলতি টুর্নামেন্টে সর্বাধিক ৭ গোলের মালিক হন।
মেসির গোলের উচ্ছ্বাস নিয়ে আলবিসেলেস্তেরা প্রথমার্ধ শেষ করলেও দ্বিতীয়ার্ধের ৫৯ মিনিটে সমতা ফেরে কেপ ভার্দে। আকাশি-সাদা রঙে ছাউয়া মায়ামি স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে নিস্তব্ধতা আনেন দেরয় দুয়ার্তে। বক্সের কোণ থেকে দারুণ এক শট নিয়ে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমি মার্টিনেজকে পরাস্ত করেন তিনি।
নির্ধারিত সময়ে সমতায় শেষ হওয়া ম্যাচ দুই অর্ধে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে গড়ায়। সেখানে শুরুতে গোল পেয়ে যায় লিওনেল স্কালোনির দল আর্জেন্টিনা। কর্ণার থেকে আসা কিকে আলতো মাথা ছোঁয়ান মিডফিল্ডার ম্যাক অ্যালিস্টার। সেখান থেকে বক্সে একটু পেছনে ফাঁকায় দাঁড়ানো ডিফেন্ডার লিয়ান্দ্রো মার্টিনেজ বল পান। তিনি সময় নিয়ে জোরের ওপর বাঁ পায়ের শট নিয়ে জালে বল পাঠান। ২-১ গোলে আর্জেন্টিনার জয়ের সম্ভাবনা জোরালো হয়।
কিন্তু নাহুয়েল মলিনা, ডি পলরা ওই লিডও ধরে রাখতে পারেননি। ম্যাচের ১০৩ মিনিটে আরেকটি দুর্দান্ত কামব্যাক দেখায় কেপ ভার্দে। সিডনি লোপেজ কাবরাল বক্সের সামান্য ভেতর থেকে কোণাকুণি জোরের ওপর শট নেন। গোলরক্ষক মার্টিনেজ লম্বা লাফ দিলেও বারের একেবারেই ওপরের পাশ ঘেষে জালে চলে যায়। যা ফেরানোর সাধ্য কোন গোলরক্ষকেরই ছিল না। সিডনি লোপেজের গোলটি টুর্নামেন্টের সেরার স্বীকৃতি পাওয়ার মতো।
ম্যাচ যখন ২-২ গোলের সমতায়; আলবিসেলেস্তে ভক্তদের মাথায় টাইব্রেকারে ফলাফল নির্ধারণের শঙ্কা তখনই নিজেদের পায়ে কুড়ালটা মারে কেপ ভার্দে। ম্যাচের ১১১ মিনিটে আত্মঘাতী গোল হজম করে। শেষ পর্যন্ত ওই গোলই কেপ ভার্দে হারলেও গোলের কৃতিত্ব অবশ্য ইনজুরি কাটিয়ে শুরুর একাদশে ফেরা আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার রোমেরোর। তার দেওয়া হেড দিক বদল করে চলে যায় কেপ ভার্দের জালে।
আর্জেন্টিনা কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়েও অপেক্ষাকৃত সহজ প্রতিপক্ষ পেয়েছে। আগামী ৭ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট থেকে শেষ ষোলোয় জায়গা পাওয়া মোহামেদ সালাহ, ওমর মারমৌশের মিসরের মুখোমুখি হবেন মেসি-ডি পলরা।

আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচের আগে কি নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে? বোধকরি ভোজিনিয়া নামক এক গোলকিপার নিয়েই। যার বীরত্বে কেপ ভার্দে গ্রুপ পর্বে দুই সাবেক চ্যাম্পিয়নকে রুখে উঠে এসেছে নকআউট পর্বে। কেন ভোজিনিয়া নামক এক ৪০ বছর বয়সীকে নিয়ে এত আলোচনা, সেটি তিনি আরও একবার জানান দিলেন। বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের প্রায় রুখেই দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এ যাত্রায় আর হয়নি। ভোজিনিয়া জুজু তাড়িয়ে শ্বাসরুদ্ধকর এক জয়ে শেষ ষোলোয় উঠেছে লিওনেল স্কালোনির দল।
আজ শনিবার বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ফেবারিট দল হিসেবে ম্যাচের ২৯ লিড তুলে নেয় আর্জেন্টিনা। গোল করেন দলের ত্রাতা লিওনেল মেসি। দলটির ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজ বক্সে উঁচু করে ভালো এক বল বাড়ান। দারুণ দক্ষতায় তা ধরে দ্রুততার সাথে নিঁখুত শটে জালে পাঠান লিও। বিশ্বকাপ ইতিহাসের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে ২০ গোল করার কীর্তি গড়েন। চলতি টুর্নামেন্টে সর্বাধিক ৭ গোলের মালিক হন।
মেসির গোলের উচ্ছ্বাস নিয়ে আলবিসেলেস্তেরা প্রথমার্ধ শেষ করলেও দ্বিতীয়ার্ধের ৫৯ মিনিটে সমতা ফেরে কেপ ভার্দে। আকাশি-সাদা রঙে ছাউয়া মায়ামি স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে নিস্তব্ধতা আনেন দেরয় দুয়ার্তে। বক্সের কোণ থেকে দারুণ এক শট নিয়ে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমি মার্টিনেজকে পরাস্ত করেন তিনি।
নির্ধারিত সময়ে সমতায় শেষ হওয়া ম্যাচ দুই অর্ধে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে গড়ায়। সেখানে শুরুতে গোল পেয়ে যায় লিওনেল স্কালোনির দল আর্জেন্টিনা। কর্ণার থেকে আসা কিকে আলতো মাথা ছোঁয়ান মিডফিল্ডার ম্যাক অ্যালিস্টার। সেখান থেকে বক্সে একটু পেছনে ফাঁকায় দাঁড়ানো ডিফেন্ডার লিয়ান্দ্রো মার্টিনেজ বল পান। তিনি সময় নিয়ে জোরের ওপর বাঁ পায়ের শট নিয়ে জালে বল পাঠান। ২-১ গোলে আর্জেন্টিনার জয়ের সম্ভাবনা জোরালো হয়।
কিন্তু নাহুয়েল মলিনা, ডি পলরা ওই লিডও ধরে রাখতে পারেননি। ম্যাচের ১০৩ মিনিটে আরেকটি দুর্দান্ত কামব্যাক দেখায় কেপ ভার্দে। সিডনি লোপেজ কাবরাল বক্সের সামান্য ভেতর থেকে কোণাকুণি জোরের ওপর শট নেন। গোলরক্ষক মার্টিনেজ লম্বা লাফ দিলেও বারের একেবারেই ওপরের পাশ ঘেষে জালে চলে যায়। যা ফেরানোর সাধ্য কোন গোলরক্ষকেরই ছিল না। সিডনি লোপেজের গোলটি টুর্নামেন্টের সেরার স্বীকৃতি পাওয়ার মতো।
ম্যাচ যখন ২-২ গোলের সমতায়; আলবিসেলেস্তে ভক্তদের মাথায় টাইব্রেকারে ফলাফল নির্ধারণের শঙ্কা তখনই নিজেদের পায়ে কুড়ালটা মারে কেপ ভার্দে। ম্যাচের ১১১ মিনিটে আত্মঘাতী গোল হজম করে। শেষ পর্যন্ত ওই গোলই কেপ ভার্দে হারলেও গোলের কৃতিত্ব অবশ্য ইনজুরি কাটিয়ে শুরুর একাদশে ফেরা আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার রোমেরোর। তার দেওয়া হেড দিক বদল করে চলে যায় কেপ ভার্দের জালে।
আর্জেন্টিনা কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়েও অপেক্ষাকৃত সহজ প্রতিপক্ষ পেয়েছে। আগামী ৭ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট থেকে শেষ ষোলোয় জায়গা পাওয়া মোহামেদ সালাহ, ওমর মারমৌশের মিসরের মুখোমুখি হবেন মেসি-ডি পলরা।