ফিফা বিশ্বকাপ
আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

২০১৪ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে চমক দেখানো কলম্বিয়া ৮ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফিরে আবারও সেই পথেই হাঁটছে। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর ম্যাচে ঘানাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে লাতিন আমেরিকার এই দেশটি। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কলম্বিয়ার পরবর্তী প্রতিপক্ষ আলজেরিয়াকে হারিয়ে আসা সুইজারল্যান্ড।
শনিবার বাংলাদেশ সময় সকালে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় কলম্বিয়া। মাত্র ৭ম মিনিটে ইনজুরির কারণে মাঠ ছাড়েন ফরোয়ার্ড জন করডোবা, তার বদলি হিসেবে নামেন লুইস সুয়ারেস। তবে সেই ধাক্কা সামলে ১৪তম মিনিটেই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় তারা। বদলি নামা সুয়ারেসের চমৎকার ক্রস থেকে বল পেয়ে ডান পায়ের নিখুঁত শটে ঘানার জালে বল জড়ান জন আরিয়াস।
প্রথমার্ধে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছে কলাম্বিয়া একাধিকবার। খেলার ৩৮ মিনিটের মাথায় বায়ার্ন মিউনিখের উইঙ্গার লুইস দিয়াজ দারুণ সুযোগ হাতছাড়া করেছেন। ফাঁকা পোষ্ট পেয়েও মেরেছেন তিনি গোল পোষ্টের বাইরে শট। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমের প্রথম মিনিটে মুনোজ-এর নেয়া শট থেকে মোজিকা লাফিয়ে উঠে বাউন্সের ওপর একটি জোরালো শট মেরেছিলেন। অবধারিত সেই গোল ঘানার গোলরক্ষক আতি-জিগি ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বিপদমুক্ত করেন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে কলাম্বিয়া ব্যবধান বাড়ানোর উপর্যুপরি চেষ্টা করে। খেলার ৫৬তম মিনিটে লুইস দিয়াজের গোল উৎসব থেমে যায় সহকারী রেফারির অফসাইডের পতাকায়। তার এক মিনিট পর লুইস দিয়াজের শট ঘানার গোলরক্ষক লরেন্স আতি জিগির দারুণভাবে সেভ করেন।
খেলার ৮৪ মিনিটের মাথায় মাঝমাঠে বল পেয়ে হুয়ান কুইন্তেরো বিনা বাধায় ঘানার সীমানায় ঢুকে প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে শট নিয়েছিলেন, কিন্তু অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় সেই শটটি। ফলে ১-০ গোলে জয়ের সন্তুষ্টি নিয়ে শেষ ষোলতে উঠল কলাম্বিয়া।

২০১৪ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে চমক দেখানো কলম্বিয়া ৮ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফিরে আবারও সেই পথেই হাঁটছে। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর ম্যাচে ঘানাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে লাতিন আমেরিকার এই দেশটি। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কলম্বিয়ার পরবর্তী প্রতিপক্ষ আলজেরিয়াকে হারিয়ে আসা সুইজারল্যান্ড।
শনিবার বাংলাদেশ সময় সকালে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় কলম্বিয়া। মাত্র ৭ম মিনিটে ইনজুরির কারণে মাঠ ছাড়েন ফরোয়ার্ড জন করডোবা, তার বদলি হিসেবে নামেন লুইস সুয়ারেস। তবে সেই ধাক্কা সামলে ১৪তম মিনিটেই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় তারা। বদলি নামা সুয়ারেসের চমৎকার ক্রস থেকে বল পেয়ে ডান পায়ের নিখুঁত শটে ঘানার জালে বল জড়ান জন আরিয়াস।
প্রথমার্ধে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছে কলাম্বিয়া একাধিকবার। খেলার ৩৮ মিনিটের মাথায় বায়ার্ন মিউনিখের উইঙ্গার লুইস দিয়াজ দারুণ সুযোগ হাতছাড়া করেছেন। ফাঁকা পোষ্ট পেয়েও মেরেছেন তিনি গোল পোষ্টের বাইরে শট। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমের প্রথম মিনিটে মুনোজ-এর নেয়া শট থেকে মোজিকা লাফিয়ে উঠে বাউন্সের ওপর একটি জোরালো শট মেরেছিলেন। অবধারিত সেই গোল ঘানার গোলরক্ষক আতি-জিগি ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বিপদমুক্ত করেন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে কলাম্বিয়া ব্যবধান বাড়ানোর উপর্যুপরি চেষ্টা করে। খেলার ৫৬তম মিনিটে লুইস দিয়াজের গোল উৎসব থেমে যায় সহকারী রেফারির অফসাইডের পতাকায়। তার এক মিনিট পর লুইস দিয়াজের শট ঘানার গোলরক্ষক লরেন্স আতি জিগির দারুণভাবে সেভ করেন।
খেলার ৮৪ মিনিটের মাথায় মাঝমাঠে বল পেয়ে হুয়ান কুইন্তেরো বিনা বাধায় ঘানার সীমানায় ঢুকে প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে শট নিয়েছিলেন, কিন্তু অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় সেই শটটি। ফলে ১-০ গোলে জয়ের সন্তুষ্টি নিয়ে শেষ ষোলতে উঠল কলাম্বিয়া।