ফিফা বিশ্বকাপ
আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

ম্যাচের শুরু থেকে প্রবল আক্রমণে ক্রোয়েশিয়াকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখল পর্তুগাল। ক্রোয়াটরা আক্রমণের ঢেউ সামলে এবং নিজেদের জাল অক্ষত রেখে গুছিয়ে উঠল দ্বিতীয়ার্ধে, এরপর এই অর্ধে শুরুতেই নিল লিড। কিন্তু পিছিয়ে পড়ে প্রত্যাবর্তনের দুর্দান্ত গল্প লিখল পর্তুগাল। যদিও অন্তিম মুহূর্তে গোল করে ফের খেলা জমিয়ে তুলেছিল ক্রোয়েশিয়া। কিন্তু নাটকীয়তা তখনও বাকি, অফসাইডের কারণে মেলেনি গোল। শেষ পর্যন্ত রোমাঞ্চকর জয়ে ক্রোয়েশিয়াকে কাঁদিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিল ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল।
আজ শুক্রবার সকালে বিশ্বকাপে শেষ ৩২-এর ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়েছে পর্তুগাল। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধে হয়েছে তিনটি গোল। ইভান পেরিসিচের গোলে আগে লিড নেয় ক্রোয়েশিয়া। এরপর পেনাল্টি থেকে দলকে সমতায় ফেরার রোনালদো, আর শেষ দিকে জয়সূচক গোলটি করেন বদলি হিসেবে নামা গনসালো রামোস।
ম্যাচের প্রথমার্ধে ক্রোয়েশিয়ার চেয়ে পর্তুগালের দাপট ছিল বেশি। তবে ফিনিশিং দূর্বলতায় গোলের দেখা পায়নি তার। ম্যাচের চার মিনিটে রাফায়েল লিয়াওয়ের দুর্দান্ত দৌড়ে গড়ে ওঠা আক্রমণ থেকে পরপর দুটি শট নেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। তবে দুবারই দারুণ সেভ করে পর্তুগালকে গোলবঞ্চিত করেন ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক দমিনিক লিভাকোভিচ।
প্রথমার্ধে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ভালো কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেননি তিনি। অন্যদিকে, ক্রোয়েশিয়ার হয়ে লুকা মদ্রিচও নিজের স্বভাবসূলভ খেলতে পারেনি। এতে গোলশূন্য সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দু'দল।
বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের ৫৩ মিনিটে ইভান পেরিসিচের গোলে লিড নিয়েছে ক্রোয়েশিয়া। য়োসিপ স্তানিশিচের বাড়ানো বল বক্সের ভেতর দিয়ে গড়িয়ে যায় ইভান পেরিসিচের কাছে। অভিজ্ঞ এই উইঙ্গার বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে বল জড়িয়ে দেন জালে।
ম্যাচের ৬০ মিনিটে একবার বল জালে জড়ান ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। তবে ৬৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান পর্তুগিজ অধিনায়ক। এটি চলতি বিশ্বকাপে রোনালদোর তৃতীয় গোল।
এরপর ম্যাচের যোগ করা ৯৪ মিনিটে গনসালো রামোসের গোলে লিড নেয় পর্তুগাল। রাফায়েল লিয়াও বাঁ প্রান্ত থেকে বল বাড়িয়েছিলেন। দুজন ডিফেন্ডারের মাঝখান থেকে লাফিয়ে উঠে হেডে বল জালে পাঠান রামোস।
যোগ করা সময়ের ১৩ মিনিটে মনে হচ্ছিল ক্রোয়েশিয়া ম্যাচ বাঁচিয়ে দেবে। বাম দিক থেকে পেরিসিচের শেষ মুহূর্তের ক্রস, মাতানোভিচ ফ্লিক করে ফার পোস্টে থাকা পাসালিচের কাছে পৌঁছে দেন। বল এই মিডফিল্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে গাভার্দিওলের কাছে যায়, যিনি খুব কাছ থেকে জোরাল শটে গোল করে টরন্টোতে চরম উন্মাদনা বইয়ে দেন। কিন্তু ক্রোয়েশিয়ান সমর্থকদের সেই উচ্ছ্বাস টেকেনি বেশিক্ষণ। ভিএআর রিভিউয়ে দেখা যায় পাসালিচ নিশ্চিতভাবেই অফসাইড ছিলেন। শেষ হাসি আর হাসা হল না লুকা মদরিচদের। বিদায় নিল শেষ ৩২ থেকেই।

ম্যাচের শুরু থেকে প্রবল আক্রমণে ক্রোয়েশিয়াকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখল পর্তুগাল। ক্রোয়াটরা আক্রমণের ঢেউ সামলে এবং নিজেদের জাল অক্ষত রেখে গুছিয়ে উঠল দ্বিতীয়ার্ধে, এরপর এই অর্ধে শুরুতেই নিল লিড। কিন্তু পিছিয়ে পড়ে প্রত্যাবর্তনের দুর্দান্ত গল্প লিখল পর্তুগাল। যদিও অন্তিম মুহূর্তে গোল করে ফের খেলা জমিয়ে তুলেছিল ক্রোয়েশিয়া। কিন্তু নাটকীয়তা তখনও বাকি, অফসাইডের কারণে মেলেনি গোল। শেষ পর্যন্ত রোমাঞ্চকর জয়ে ক্রোয়েশিয়াকে কাঁদিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিল ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল।
আজ শুক্রবার সকালে বিশ্বকাপে শেষ ৩২-এর ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়েছে পর্তুগাল। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধে হয়েছে তিনটি গোল। ইভান পেরিসিচের গোলে আগে লিড নেয় ক্রোয়েশিয়া। এরপর পেনাল্টি থেকে দলকে সমতায় ফেরার রোনালদো, আর শেষ দিকে জয়সূচক গোলটি করেন বদলি হিসেবে নামা গনসালো রামোস।
ম্যাচের প্রথমার্ধে ক্রোয়েশিয়ার চেয়ে পর্তুগালের দাপট ছিল বেশি। তবে ফিনিশিং দূর্বলতায় গোলের দেখা পায়নি তার। ম্যাচের চার মিনিটে রাফায়েল লিয়াওয়ের দুর্দান্ত দৌড়ে গড়ে ওঠা আক্রমণ থেকে পরপর দুটি শট নেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। তবে দুবারই দারুণ সেভ করে পর্তুগালকে গোলবঞ্চিত করেন ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক দমিনিক লিভাকোভিচ।
প্রথমার্ধে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ভালো কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেননি তিনি। অন্যদিকে, ক্রোয়েশিয়ার হয়ে লুকা মদ্রিচও নিজের স্বভাবসূলভ খেলতে পারেনি। এতে গোলশূন্য সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দু'দল।
বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের ৫৩ মিনিটে ইভান পেরিসিচের গোলে লিড নিয়েছে ক্রোয়েশিয়া। য়োসিপ স্তানিশিচের বাড়ানো বল বক্সের ভেতর দিয়ে গড়িয়ে যায় ইভান পেরিসিচের কাছে। অভিজ্ঞ এই উইঙ্গার বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে বল জড়িয়ে দেন জালে।
ম্যাচের ৬০ মিনিটে একবার বল জালে জড়ান ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। তবে ৬৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান পর্তুগিজ অধিনায়ক। এটি চলতি বিশ্বকাপে রোনালদোর তৃতীয় গোল।
এরপর ম্যাচের যোগ করা ৯৪ মিনিটে গনসালো রামোসের গোলে লিড নেয় পর্তুগাল। রাফায়েল লিয়াও বাঁ প্রান্ত থেকে বল বাড়িয়েছিলেন। দুজন ডিফেন্ডারের মাঝখান থেকে লাফিয়ে উঠে হেডে বল জালে পাঠান রামোস।
যোগ করা সময়ের ১৩ মিনিটে মনে হচ্ছিল ক্রোয়েশিয়া ম্যাচ বাঁচিয়ে দেবে। বাম দিক থেকে পেরিসিচের শেষ মুহূর্তের ক্রস, মাতানোভিচ ফ্লিক করে ফার পোস্টে থাকা পাসালিচের কাছে পৌঁছে দেন। বল এই মিডফিল্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে গাভার্দিওলের কাছে যায়, যিনি খুব কাছ থেকে জোরাল শটে গোল করে টরন্টোতে চরম উন্মাদনা বইয়ে দেন। কিন্তু ক্রোয়েশিয়ান সমর্থকদের সেই উচ্ছ্বাস টেকেনি বেশিক্ষণ। ভিএআর রিভিউয়ে দেখা যায় পাসালিচ নিশ্চিতভাবেই অফসাইড ছিলেন। শেষ হাসি আর হাসা হল না লুকা মদরিচদের। বিদায় নিল শেষ ৩২ থেকেই।