আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে লড়াই করেও হেরে গেল ভারত। পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ভারত হারে ৪-০ গোলের ব্যবধানে।
গতকাল শনিবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বজায় রেখে খেলতে শুরু করে ব্রাজিল। ভারতের ডিফেন্ডাররা প্রথমার্ধে কিছু প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ব্রাজিলের তারকাখচিত আক্রমণভাগের সামনে তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।
ম্যাচের প্রথম ২৭ মিনিট পর্যন্ত ব্রাজিলকে আটকে রাখে ভারত। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয় সেলেসাওরা।
২৮ মিনিটে গোল করে ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন এস্তেভাও। ডান দিক থেকে বল নিয়ে বক্সের কিনারায় ঢুকে বাঁ পায়ের জোরালো শট নেন চেলসির এই ফরোয়ার্ড। ভারতের গোলকিপার গুরপ্রীত সিং সান্ধু বলটি হাতে ঠেকাতে পারলেও শক্তিশালী শটটি তার হাতের নিচ দিয়ে জালে জড়িয়ে যায়।
বিরতির ঠিক আগে ৪২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ব্রাজিল। ডান প্রান্তে এস্তেভাওয়ের কাছ থেকে বল পেয়ে ভারতের রক্ষণ ভেঙে বক্সে ঢুকে পড়েন পেদ্রো। দ্রুতগতির অ্যাঙ্গেল থেকে নেওয়া তার শটও গুরপ্রীতের হাত ফাঁকি দিয়ে জালে জড়ায়। দুই গোলে এগিয়ে থেকে স্বস্তিতে বিরতিতে যায় কার্লো আনচেলত্তির দল।
দ্বিতীয়ার্ধে একসঙ্গে পাঁচটি পরিবর্তন আনেন ব্রাজিলের কোচ আনচেলত্তি। মাঠে নামেন ব্রুনো গিমারায়েস, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, ভান্দেরসন, স্যামুয়েল লিনো ও দগলাস লুইজ।
৫৮ মিনিটে ভারতের রক্ষণে ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে তৃতীয় গোল করেন স্যামুয়েল লিনো। বিজয়ের কাছ থেকে বল ছুটে গেলে বক্সের বাঁ দিক দিয়ে ঢুকে নিখুঁত শটে গোল করেন ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ড।
যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে আবারও গোল করেন লিনো। বক্সের কিনারা থেকে ভেতরে ঢুকে নিচু ও জোরালো শটে কাছের পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠান তিনি।
শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল। ভারতের বিপক্ষে এই জয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হলো তাদের এবারের ফিফা উইন্ডো।

কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে লড়াই করেও হেরে গেল ভারত। পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ভারত হারে ৪-০ গোলের ব্যবধানে।
গতকাল শনিবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বজায় রেখে খেলতে শুরু করে ব্রাজিল। ভারতের ডিফেন্ডাররা প্রথমার্ধে কিছু প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ব্রাজিলের তারকাখচিত আক্রমণভাগের সামনে তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।
ম্যাচের প্রথম ২৭ মিনিট পর্যন্ত ব্রাজিলকে আটকে রাখে ভারত। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয় সেলেসাওরা।
২৮ মিনিটে গোল করে ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন এস্তেভাও। ডান দিক থেকে বল নিয়ে বক্সের কিনারায় ঢুকে বাঁ পায়ের জোরালো শট নেন চেলসির এই ফরোয়ার্ড। ভারতের গোলকিপার গুরপ্রীত সিং সান্ধু বলটি হাতে ঠেকাতে পারলেও শক্তিশালী শটটি তার হাতের নিচ দিয়ে জালে জড়িয়ে যায়।
বিরতির ঠিক আগে ৪২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ব্রাজিল। ডান প্রান্তে এস্তেভাওয়ের কাছ থেকে বল পেয়ে ভারতের রক্ষণ ভেঙে বক্সে ঢুকে পড়েন পেদ্রো। দ্রুতগতির অ্যাঙ্গেল থেকে নেওয়া তার শটও গুরপ্রীতের হাত ফাঁকি দিয়ে জালে জড়ায়। দুই গোলে এগিয়ে থেকে স্বস্তিতে বিরতিতে যায় কার্লো আনচেলত্তির দল।
দ্বিতীয়ার্ধে একসঙ্গে পাঁচটি পরিবর্তন আনেন ব্রাজিলের কোচ আনচেলত্তি। মাঠে নামেন ব্রুনো গিমারায়েস, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, ভান্দেরসন, স্যামুয়েল লিনো ও দগলাস লুইজ।
৫৮ মিনিটে ভারতের রক্ষণে ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে তৃতীয় গোল করেন স্যামুয়েল লিনো। বিজয়ের কাছ থেকে বল ছুটে গেলে বক্সের বাঁ দিক দিয়ে ঢুকে নিখুঁত শটে গোল করেন ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ড।
যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে আবারও গোল করেন লিনো। বক্সের কিনারা থেকে ভেতরে ঢুকে নিচু ও জোরালো শটে কাছের পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠান তিনি।
শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল। ভারতের বিপক্ষে এই জয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হলো তাদের এবারের ফিফা উইন্ডো।