আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের দুই সপ্তাহ পর মাঠে ফিরলেন লিওনেল মেসি। তবে তার প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে জয় তুলে নিতে পারেনি ইন্টার মায়ামি। নিজেদের মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরোর আত্মঘাতী গোল ও শেষ দিকে ব্রাইন মেন্দেসের সমতাসূচক গোলে শেষ পর্যন্ত ২-২ ড্র করতে হয়েছে দলটিকে।
ঘরের মাঠে ম্যাচের শুরুতে বেঞ্চে ছিলেন মেসি। ১৬তম মিনিটে প্রথমে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে গোল করেন লুইস সুয়ারেজ। এটি ছিল চলতি এমএলএস মৌসুমে তার দশম গোল এবং শেষ চার ম্যাচে সপ্তম। এই গোলের মাধ্যমে এমএলএস ইতিহাসে প্রথম তিন মৌসুমের প্রতিটিতে অন্তত ১০ গোল ও ৫ অ্যাসিস্ট করা মাত্র পঞ্চম ফুটবলার হিসেবে ইতিহাস গড়েন উরুগুইয়ান এই স্ট্রাইকার।
৩৪তম মিনিটে সমতায় ফেরে কলম্বাস। বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজের জালেই জড়িয়ে দেন কাসেমিরো। মায়ামির জার্সিতে নিজের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামা এই ব্রাজিলিয়ান তারকার শুরুটা ভালো হলো না।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে আবারও এগিয়ে যায় মায়ামি। সুয়ারেজের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে বল জালে পাঠান নোয়া অ্যালেন। এটি ছিল চলতি মৌসুমে অ্যালেনের প্রথম গোল এবং সুয়ারেজের ষষ্ঠ অ্যাসিস্ট।
৫৩তম মিনিটে ড্যানিয়েল পিন্টারের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মেসি। নামার তিন মিনিট পরই প্রথম সুযোগ পান এলএমটেন। বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া তার শট অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।
ম্যাচের ৮৪তম মিনিটে ব্রাইস মেন্দেস গোল করে কলম্বাসকে সমতায় ফেরান। এরপর যোগ করা সময়ে জয়ের একাধিক সুযোগ তৈরি করেছিলেন মেসি। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে বক্সের ভেতরে উঁচু বল পেয়ে হেডে চিপ শট নেন। তবে সেটি দূরের পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। এক মিনিট পর মেসির আরেকটি সুযোগে কাছ থেকে নেওয়া শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়।
বিশ্বকাপ শেষে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার রদ্রিগো ডি পলও এদিন ইন্টার মায়ামির হয়ে মাঠে ফেরেন। তার উপস্থিতিতে মাঝমাঠে গতি এলেও শেষ পর্যন্ত জয়ের দেখা মেলেনি দলের।
দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও শেষ পর্যন্ত ২-২ সমতায় শেষ হয় ম্যাচটি। এই ড্রয়ের ফলে এমএলএস নিয়মিত মৌসুমে টানা সাত ম্যাচ অপরাজিত থাকল ইন্টার মিয়ামি।
পয়েন্ট টেবিলে বর্তমানে শীর্ষে থাকা নাশভিলে এসসির চেয়ে দুই পয়েন্টে পিছিয়ে আছে মায়ামি। তবে এখন তাদের সব নজর ‘লিগস কাপ’-এর দিকে। আগামী বুধবার ঘরের মাঠে অ্যাতলেটিকো দে সান লুইসকে আতিথ্য দেবে মেসির দল। নকআউটে ওঠার লড়াইয়ে এরপর তারা মুখোমুখি হবে মন্টেরে ও লিওঁনের।

ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের দুই সপ্তাহ পর মাঠে ফিরলেন লিওনেল মেসি। তবে তার প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে জয় তুলে নিতে পারেনি ইন্টার মায়ামি। নিজেদের মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরোর আত্মঘাতী গোল ও শেষ দিকে ব্রাইন মেন্দেসের সমতাসূচক গোলে শেষ পর্যন্ত ২-২ ড্র করতে হয়েছে দলটিকে।
ঘরের মাঠে ম্যাচের শুরুতে বেঞ্চে ছিলেন মেসি। ১৬তম মিনিটে প্রথমে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে গোল করেন লুইস সুয়ারেজ। এটি ছিল চলতি এমএলএস মৌসুমে তার দশম গোল এবং শেষ চার ম্যাচে সপ্তম। এই গোলের মাধ্যমে এমএলএস ইতিহাসে প্রথম তিন মৌসুমের প্রতিটিতে অন্তত ১০ গোল ও ৫ অ্যাসিস্ট করা মাত্র পঞ্চম ফুটবলার হিসেবে ইতিহাস গড়েন উরুগুইয়ান এই স্ট্রাইকার।
৩৪তম মিনিটে সমতায় ফেরে কলম্বাস। বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজের জালেই জড়িয়ে দেন কাসেমিরো। মায়ামির জার্সিতে নিজের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামা এই ব্রাজিলিয়ান তারকার শুরুটা ভালো হলো না।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে আবারও এগিয়ে যায় মায়ামি। সুয়ারেজের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে বল জালে পাঠান নোয়া অ্যালেন। এটি ছিল চলতি মৌসুমে অ্যালেনের প্রথম গোল এবং সুয়ারেজের ষষ্ঠ অ্যাসিস্ট।
৫৩তম মিনিটে ড্যানিয়েল পিন্টারের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মেসি। নামার তিন মিনিট পরই প্রথম সুযোগ পান এলএমটেন। বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া তার শট অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।
ম্যাচের ৮৪তম মিনিটে ব্রাইস মেন্দেস গোল করে কলম্বাসকে সমতায় ফেরান। এরপর যোগ করা সময়ে জয়ের একাধিক সুযোগ তৈরি করেছিলেন মেসি। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে বক্সের ভেতরে উঁচু বল পেয়ে হেডে চিপ শট নেন। তবে সেটি দূরের পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। এক মিনিট পর মেসির আরেকটি সুযোগে কাছ থেকে নেওয়া শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়।
বিশ্বকাপ শেষে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার রদ্রিগো ডি পলও এদিন ইন্টার মায়ামির হয়ে মাঠে ফেরেন। তার উপস্থিতিতে মাঝমাঠে গতি এলেও শেষ পর্যন্ত জয়ের দেখা মেলেনি দলের।
দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও শেষ পর্যন্ত ২-২ সমতায় শেষ হয় ম্যাচটি। এই ড্রয়ের ফলে এমএলএস নিয়মিত মৌসুমে টানা সাত ম্যাচ অপরাজিত থাকল ইন্টার মিয়ামি।
পয়েন্ট টেবিলে বর্তমানে শীর্ষে থাকা নাশভিলে এসসির চেয়ে দুই পয়েন্টে পিছিয়ে আছে মায়ামি। তবে এখন তাদের সব নজর ‘লিগস কাপ’-এর দিকে। আগামী বুধবার ঘরের মাঠে অ্যাতলেটিকো দে সান লুইসকে আতিথ্য দেবে মেসির দল। নকআউটে ওঠার লড়াইয়ে এরপর তারা মুখোমুখি হবে মন্টেরে ও লিওঁনের।