আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

ঘরের মাঠ মনুমেন্তালে প্রীতি ম্যাচে আফ্রিকান দেশ বুরকিনা ফাসোকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। একপেশে ম্যাচে ৭-০ গোলের বড় জয়ে মাঠ ছেড়েছে আলবিসেলেস্তেরা। তবে এই বিশাল ব্যবধানের পেছনে মূল আর্জেন্টিনা দলের শক্তির পাশাপাশি বুরকিনা ফাসোর চরম ভ্রমণক্লান্তি ও দলসংকট বড় ভূমিকা রেখেছে।
বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতেই আর্জেন্টিনা পেনাল্টি পায়। দ্বিতীয় মিনিটে বুরকিনা ফাসোর বেবেল দুম্বিয়ার ফাউলে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। তৃতীয় মিনিটে স্পট কিকে লাওতারো মার্তিনেজের শট ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক গুইরা রাজাক। তবে ফিরতি বল পেয়ে গোল করতে ভুল করেননি লাওতারো। ফলে শুরুতেই এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।
এরপর ৮ মিনিটে আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে আর্জেন্টিনা। বুরকিনা ফাসোর মৌমুনি দিয়ালো বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে পাঠিয়ে দেন। ১৩ মিনিটে নিজের অভিষেককে স্মরণীয় করে তোলেন জিয়ানলুকা প্রেস্টিয়ান্নি। দারুণ এক আক্রমণ থেকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে আরও এগিয়ে দেন তরুণ এই ফরোয়ার্ড। এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চলে যায় স্বাগতিকদের হাতে।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে আরও দুটি গোল করে আর্জেন্টিনা। ৩৪ মিনিটে নিকোলাস পাজ গোল করেন। তার দুই মিনিট পর, ৩৬ মিনিটে জিয়ানলুকা প্রেস্টিয়ান্নির পাস থেকে গোল করে নিজের গোলখরা কাটান হুলিয়ান আলভারেজ। প্রথমার্ধ শেষ হয় আর্জেন্টিনার বড় লিড নিয়ে।
বিরতির পর একাধিক পরিবর্তন আনেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। তাতেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া হয়নি। ৫৭তম মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে গোল করে ব্যবধান ৬-০ করেন ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো।
যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে গোল করেন জুলিয়ানো সিমিওনে। শেষ পর্যন্ত ৭-০ গোলের বড় নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্কালোনির দল।

ঘরের মাঠ মনুমেন্তালে প্রীতি ম্যাচে আফ্রিকান দেশ বুরকিনা ফাসোকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। একপেশে ম্যাচে ৭-০ গোলের বড় জয়ে মাঠ ছেড়েছে আলবিসেলেস্তেরা। তবে এই বিশাল ব্যবধানের পেছনে মূল আর্জেন্টিনা দলের শক্তির পাশাপাশি বুরকিনা ফাসোর চরম ভ্রমণক্লান্তি ও দলসংকট বড় ভূমিকা রেখেছে।
বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতেই আর্জেন্টিনা পেনাল্টি পায়। দ্বিতীয় মিনিটে বুরকিনা ফাসোর বেবেল দুম্বিয়ার ফাউলে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। তৃতীয় মিনিটে স্পট কিকে লাওতারো মার্তিনেজের শট ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক গুইরা রাজাক। তবে ফিরতি বল পেয়ে গোল করতে ভুল করেননি লাওতারো। ফলে শুরুতেই এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।
এরপর ৮ মিনিটে আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে আর্জেন্টিনা। বুরকিনা ফাসোর মৌমুনি দিয়ালো বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে পাঠিয়ে দেন। ১৩ মিনিটে নিজের অভিষেককে স্মরণীয় করে তোলেন জিয়ানলুকা প্রেস্টিয়ান্নি। দারুণ এক আক্রমণ থেকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে আরও এগিয়ে দেন তরুণ এই ফরোয়ার্ড। এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চলে যায় স্বাগতিকদের হাতে।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে আরও দুটি গোল করে আর্জেন্টিনা। ৩৪ মিনিটে নিকোলাস পাজ গোল করেন। তার দুই মিনিট পর, ৩৬ মিনিটে জিয়ানলুকা প্রেস্টিয়ান্নির পাস থেকে গোল করে নিজের গোলখরা কাটান হুলিয়ান আলভারেজ। প্রথমার্ধ শেষ হয় আর্জেন্টিনার বড় লিড নিয়ে।
বিরতির পর একাধিক পরিবর্তন আনেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। তাতেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া হয়নি। ৫৭তম মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে গোল করে ব্যবধান ৬-০ করেন ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো।
যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে গোল করেন জুলিয়ানো সিমিওনে। শেষ পর্যন্ত ৭-০ গোলের বড় নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্কালোনির দল।