আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

ম্যাচের ৭৬ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল ফ্রান্স। এরপর ১৪ মিনিটের ম্যাজিক! এই ১৪ মিনিটে বেলজিয়ামের জালে চারবার বল পাঠালো ফরাসিরা। এতেই দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ৪-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জিনেদিন জিদানের শিষ্যরা।
গতকাল সোমবার প্যারিসের স্টেড দ্য ফ্রান্সে নেশনস লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের শেষ ১৪ মিনিট বাকি থাকা পর্যন্ত ফরাসি কোচ জিনাদিন জিদানের অপরাজিত থাকার রেকর্ড বেশ ঝুঁকিতে পড়েছিল।
ম্যাচের ৩৫তম মিনিটে দদি লুকেবাকিওর দারুণ এক গোলে এগিয়ে যায় সফরকারী বেলজিয়াম। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে একক প্রচেষ্টায় বল নিয়ে বক্সে ঢুকে চমৎকার ফিনিশিংয়ে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি।
কিলিয়ান এমবাপেকে ছাড়া খেলতে নামা ফ্রান্স প্রথমার্ধে ফিনিশিংয়ের অভাবে ভোগে। উসমান দেম্বেলে, মাগনেস আকিলিউশ, এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা এবং এস্তেবান লেপল বেশ কয়েকটি সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন।
দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে ওঠে ফ্রান্স। একের পর এক আক্রমণ করেও গোল পাচ্ছিল না তারা। অবশেষে ৭৭ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দেজিরে দুয়ের নিচু শটে সমতায় ফেরে ফরাসিরা।
এর চার মিনিট পরই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। মাইকেল ওলিসের কাটব্যাক থেকে বল পেয়ে বদলি হিসেবে নামা রায়ান শেরকি ফ্রান্সকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় ফ্রান্স।
৮৭ ও যোগ করা সময়ে আরও দুটি গোল করেন ওলিসে। দুই গোলেই সহায়তা করেন দুয়ে। ফলে শেষ ১৩ মিনিটে চার গোল করে ৪-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ফ্রান্স। জাতীয় দলের জার্সিতে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ওলিসে ২০২৬ সালে ফ্রান্সের হয়ে ১৬ ম্যাচে ১৭ গোলে সরাসরি অবদান রাখলেন।
এই জয়ে চার ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ এ১-এর শীর্ষে ফ্রান্স। বেলজিয়াম ছয় পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

ম্যাচের ৭৬ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল ফ্রান্স। এরপর ১৪ মিনিটের ম্যাজিক! এই ১৪ মিনিটে বেলজিয়ামের জালে চারবার বল পাঠালো ফরাসিরা। এতেই দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ৪-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জিনেদিন জিদানের শিষ্যরা।
গতকাল সোমবার প্যারিসের স্টেড দ্য ফ্রান্সে নেশনস লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের শেষ ১৪ মিনিট বাকি থাকা পর্যন্ত ফরাসি কোচ জিনাদিন জিদানের অপরাজিত থাকার রেকর্ড বেশ ঝুঁকিতে পড়েছিল।
ম্যাচের ৩৫তম মিনিটে দদি লুকেবাকিওর দারুণ এক গোলে এগিয়ে যায় সফরকারী বেলজিয়াম। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে একক প্রচেষ্টায় বল নিয়ে বক্সে ঢুকে চমৎকার ফিনিশিংয়ে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি।
কিলিয়ান এমবাপেকে ছাড়া খেলতে নামা ফ্রান্স প্রথমার্ধে ফিনিশিংয়ের অভাবে ভোগে। উসমান দেম্বেলে, মাগনেস আকিলিউশ, এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা এবং এস্তেবান লেপল বেশ কয়েকটি সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন।
দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে ওঠে ফ্রান্স। একের পর এক আক্রমণ করেও গোল পাচ্ছিল না তারা। অবশেষে ৭৭ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দেজিরে দুয়ের নিচু শটে সমতায় ফেরে ফরাসিরা।
এর চার মিনিট পরই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। মাইকেল ওলিসের কাটব্যাক থেকে বল পেয়ে বদলি হিসেবে নামা রায়ান শেরকি ফ্রান্সকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় ফ্রান্স।
৮৭ ও যোগ করা সময়ে আরও দুটি গোল করেন ওলিসে। দুই গোলেই সহায়তা করেন দুয়ে। ফলে শেষ ১৩ মিনিটে চার গোল করে ৪-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ফ্রান্স। জাতীয় দলের জার্সিতে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ওলিসে ২০২৬ সালে ফ্রান্সের হয়ে ১৬ ম্যাচে ১৭ গোলে সরাসরি অবদান রাখলেন।
এই জয়ে চার ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ এ১-এর শীর্ষে ফ্রান্স। বেলজিয়াম ছয় পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।