ফিফা বিশ্বকাপ
আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপে 'আই' গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে নরওয়েকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়ে রীতিমতো আগুন ঝরিয়েছেন ওসমান ডেম্বেলের। দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিকের মাধ্যমে রেকর্ড বইয়ে নাম লেখালেন তিনি। নরওয়েকে অনায়াসে হারিয়ে গ্রুপ সেরা হলো ফ্রান্স।
শুক্রবার বস্টনে ‘আই’ গ্রুপের শেষ রাউন্ডে ৪-১ গোলে জিতেছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই নরওয়েকে চেপে ধরে ফ্রান্স। ম্যাচের ২৫ সেকেন্ডের মধ্যে বল বারে মারেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। একটু পর ফ্রান্সের আরও একটি আক্রমণ ঠেকাতে হয় নরওয়েকে।
ম্যাচে লিড নিতে ৭ মিনিট অপেক্ষা করতে হয় ফ্রান্সকে। এমবাপ্পের পাস থেকে ডি বক্সের ভেতর থেকে দারুণ এক শটে বল জালে জড়ান ডেম্বেলে।
এরপর ম্যাচের ২০ মিনিটে আবারও গোল করে দলের ব্যবধান বাড়ান ডেম্বেলে। এই গোলেও অ্যাসিস্ট করেন এমবাপ্পে। তবে ২১ মিনিটেই এক গোল শোধ করেছে নরওয়ে। গোলটি করেছেন অসগার্ড।
ম্যাচের ৩২ মিনিটে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ডেম্বেলে। ডি বক্সের ভেতর চুয়ামেনির কাছ থেকে বল পেয়ে বাঁ পায়ের দুর্দান্ত এক বাঁকানো শটে বল জালে জড়ান তিনি। এতে ৩-১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ফ্রান্স।
বিরতির পর ম্যাচে ফেরার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল নরওয়ে। দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার পরপরই পেনাল্টি আদায় করে দলটি। বক্সের ভেতরে অস্কার ববকে ফাউল করলে স্পটকিকের বাঁশি দেন রেফারি। তবে সেই সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি ইয়র্গেন স্ট্রান্ড লারসেন। তার নেওয়া দুর্বল পেনাল্টি দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মাইনিয়ঁ।
এরপর ম্যাচের যোগ করা সময়ে আবারও গোলের দেখা পায় ফ্রান্স। বারকোলার অ্যাসিস্টে থেকে গোল করেন দেজিরে দুয়ে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলের বড় জয় নিশ্চিত হয় ফ্রান্সের।

বিশ্বকাপে 'আই' গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে নরওয়েকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়ে রীতিমতো আগুন ঝরিয়েছেন ওসমান ডেম্বেলের। দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিকের মাধ্যমে রেকর্ড বইয়ে নাম লেখালেন তিনি। নরওয়েকে অনায়াসে হারিয়ে গ্রুপ সেরা হলো ফ্রান্স।
শুক্রবার বস্টনে ‘আই’ গ্রুপের শেষ রাউন্ডে ৪-১ গোলে জিতেছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই নরওয়েকে চেপে ধরে ফ্রান্স। ম্যাচের ২৫ সেকেন্ডের মধ্যে বল বারে মারেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। একটু পর ফ্রান্সের আরও একটি আক্রমণ ঠেকাতে হয় নরওয়েকে।
ম্যাচে লিড নিতে ৭ মিনিট অপেক্ষা করতে হয় ফ্রান্সকে। এমবাপ্পের পাস থেকে ডি বক্সের ভেতর থেকে দারুণ এক শটে বল জালে জড়ান ডেম্বেলে।
এরপর ম্যাচের ২০ মিনিটে আবারও গোল করে দলের ব্যবধান বাড়ান ডেম্বেলে। এই গোলেও অ্যাসিস্ট করেন এমবাপ্পে। তবে ২১ মিনিটেই এক গোল শোধ করেছে নরওয়ে। গোলটি করেছেন অসগার্ড।
ম্যাচের ৩২ মিনিটে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ডেম্বেলে। ডি বক্সের ভেতর চুয়ামেনির কাছ থেকে বল পেয়ে বাঁ পায়ের দুর্দান্ত এক বাঁকানো শটে বল জালে জড়ান তিনি। এতে ৩-১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ফ্রান্স।
বিরতির পর ম্যাচে ফেরার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল নরওয়ে। দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার পরপরই পেনাল্টি আদায় করে দলটি। বক্সের ভেতরে অস্কার ববকে ফাউল করলে স্পটকিকের বাঁশি দেন রেফারি। তবে সেই সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি ইয়র্গেন স্ট্রান্ড লারসেন। তার নেওয়া দুর্বল পেনাল্টি দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মাইনিয়ঁ।
এরপর ম্যাচের যোগ করা সময়ে আবারও গোলের দেখা পায় ফ্রান্স। বারকোলার অ্যাসিস্টে থেকে গোল করেন দেজিরে দুয়ে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলের বড় জয় নিশ্চিত হয় ফ্রান্সের।