ক্রীড়া প্রতিবেদক

বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই ব্রাজিলের নাম। ব্রাজিল ও ফুটবল বিশ^কাপ ফুটবল এক সূত্রে গাথা। ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে যত দলই এসেছে-গেছে, এক নাম সব সময় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেছে ব্রাজিল। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা শুধু ট্রফি জেতাতেই নয়, গ্রæপ পর্বেও নিজেদের আধিপত্য দেখিয়ে গেছে বছরের পর বছর। লাল কার্ডেও সেরা বিশ^কাপ।
ফিফার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরুর আগে ব্রাজিল বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৫ বার নিজেদের গ্রæপের শীর্ষে থেকে পরবর্তী রাউন্ডে উঠেছিল। আর ২০২৬ বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে সেই সংখ্যাকে আরও বাড়িয়েছে সেলেসাওরা। ফলে বিশ্বকাপে গ্রæপ পর্বে ধারাবাহিক সাফল্যের দিক থেকে ব্রাজিলের কাছাকাছিও নেই অন্য কোনো দল।
১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ২০২৬ পর্যন্ত প্রতিটি বিশ্বকাপেই খেলেছে ব্রাজিল। ইতিহাসে আর কোনো দল এই কীর্তি গড়তে পারেনি। শুধু অংশগ্রহণই নয়, প্রতিবারই শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে মাঠে নামে তারা। আর সেই মানসিকতাই তাদের গ্রæপ পর্বে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেয়।
তারকায় ভরা স্কোয়াড ব্রাজিলের। পেলে, গ্যারিঞ্চা, জিকো, রোমারিও, রোনালদো, রোনালদিনহো, রিভালদো. কাকা, নেইমার প্রজন্মের পর প্রজন্ম বিশ্বমানের ফুটবলার তৈরি করেছে ব্রাজিল। এবার তো ভিনি সেই রকম খেলছে। তিন ম্যাচে চার গোল। ভিনি ১. ১ ও ২ গোল করেছেন। হ্যাট্রিক তাঁর হইয়াও হইল না। একেক যুগে একেক সুপারস্টার দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ফলে গ্রæপ পর্বে তুলনামূলক দুর্বল দলের বিপক্ষে ব্রাজিল খুব কমই হোঁচট খেয়েছে।
ব্রাজিল সব সময় জয়ের জন্য খেলতে পছন্দ করে। ড্র নিয়ে সন্তুষ্ট থাকার সংস্কৃতি তাদের মধ্যে খুব একটা নেই। এ কারণেই গ্রæপ পর্বের ম্যাচগুলোতেও তারা জয়ের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং বেশিরভাগ সময় সফল হয়।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে ব্রাজিলের সবচেয়ে স্মরণীয় গ্রæপ পর্বগুলোর একটি ছিল ২০০২ বিশ্বকাপ। রোনালদো, রিভালদো ও রোনালদিনহোকে নিয়ে গড়া দলটি গ্রæপ পর্বে শতভাগ জয়ের রেকর্ড গড়ে শেষ পর্যন্ত শিরোপাও জিতেছিল। ১৯৭০ সালের কিংবদন্তি দলটিও একইভাবে গ্রæপ পর্বে আধিপত্য দেখিয়ে বিশ্বকাপ জয় করেছিল। তখন ফুটবলের রাজা পেলে ছিলেন।
২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই পুরোনো ব্রাজিলকেই যেন আবার দেখা যাচ্ছে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে গ্রæপ সি-তে শীর্ষে থেকে নকআউট পর্বে উঠেছে কার্লো আনচেলত্তির দল। টানা ১২টি বিশ্বকাপে গ্রæপের শীর্ষে থেকে শেষ করার নজিরও এখন তাদের দখলে।
বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ইতিহাস শুধু পাঁচটি ট্রফির নয়; এটি ধারাবাহিকতা, ঐতিহ্য এবং আধিপত্যের গল্প। আর সেই গল্পেরই আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বিশ্বকাপে সর্বাধিকবার গ্রæপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড। শিরোপায়, ম্যাচে, গোলে সবক্ষেত্রেই এগিয়ে ব্রাজিল। মাঠের বাইরে আলোচনায়ও এগিয়ে ব্রাজিল।

বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই ব্রাজিলের নাম। ব্রাজিল ও ফুটবল বিশ^কাপ ফুটবল এক সূত্রে গাথা। ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে যত দলই এসেছে-গেছে, এক নাম সব সময় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেছে ব্রাজিল। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা শুধু ট্রফি জেতাতেই নয়, গ্রæপ পর্বেও নিজেদের আধিপত্য দেখিয়ে গেছে বছরের পর বছর। লাল কার্ডেও সেরা বিশ^কাপ।
ফিফার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরুর আগে ব্রাজিল বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৫ বার নিজেদের গ্রæপের শীর্ষে থেকে পরবর্তী রাউন্ডে উঠেছিল। আর ২০২৬ বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে সেই সংখ্যাকে আরও বাড়িয়েছে সেলেসাওরা। ফলে বিশ্বকাপে গ্রæপ পর্বে ধারাবাহিক সাফল্যের দিক থেকে ব্রাজিলের কাছাকাছিও নেই অন্য কোনো দল।
১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ২০২৬ পর্যন্ত প্রতিটি বিশ্বকাপেই খেলেছে ব্রাজিল। ইতিহাসে আর কোনো দল এই কীর্তি গড়তে পারেনি। শুধু অংশগ্রহণই নয়, প্রতিবারই শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে মাঠে নামে তারা। আর সেই মানসিকতাই তাদের গ্রæপ পর্বে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেয়।
তারকায় ভরা স্কোয়াড ব্রাজিলের। পেলে, গ্যারিঞ্চা, জিকো, রোমারিও, রোনালদো, রোনালদিনহো, রিভালদো. কাকা, নেইমার প্রজন্মের পর প্রজন্ম বিশ্বমানের ফুটবলার তৈরি করেছে ব্রাজিল। এবার তো ভিনি সেই রকম খেলছে। তিন ম্যাচে চার গোল। ভিনি ১. ১ ও ২ গোল করেছেন। হ্যাট্রিক তাঁর হইয়াও হইল না। একেক যুগে একেক সুপারস্টার দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ফলে গ্রæপ পর্বে তুলনামূলক দুর্বল দলের বিপক্ষে ব্রাজিল খুব কমই হোঁচট খেয়েছে।
ব্রাজিল সব সময় জয়ের জন্য খেলতে পছন্দ করে। ড্র নিয়ে সন্তুষ্ট থাকার সংস্কৃতি তাদের মধ্যে খুব একটা নেই। এ কারণেই গ্রæপ পর্বের ম্যাচগুলোতেও তারা জয়ের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং বেশিরভাগ সময় সফল হয়।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে ব্রাজিলের সবচেয়ে স্মরণীয় গ্রæপ পর্বগুলোর একটি ছিল ২০০২ বিশ্বকাপ। রোনালদো, রিভালদো ও রোনালদিনহোকে নিয়ে গড়া দলটি গ্রæপ পর্বে শতভাগ জয়ের রেকর্ড গড়ে শেষ পর্যন্ত শিরোপাও জিতেছিল। ১৯৭০ সালের কিংবদন্তি দলটিও একইভাবে গ্রæপ পর্বে আধিপত্য দেখিয়ে বিশ্বকাপ জয় করেছিল। তখন ফুটবলের রাজা পেলে ছিলেন।
২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই পুরোনো ব্রাজিলকেই যেন আবার দেখা যাচ্ছে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে গ্রæপ সি-তে শীর্ষে থেকে নকআউট পর্বে উঠেছে কার্লো আনচেলত্তির দল। টানা ১২টি বিশ্বকাপে গ্রæপের শীর্ষে থেকে শেষ করার নজিরও এখন তাদের দখলে।
বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ইতিহাস শুধু পাঁচটি ট্রফির নয়; এটি ধারাবাহিকতা, ঐতিহ্য এবং আধিপত্যের গল্প। আর সেই গল্পেরই আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বিশ্বকাপে সর্বাধিকবার গ্রæপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড। শিরোপায়, ম্যাচে, গোলে সবক্ষেত্রেই এগিয়ে ব্রাজিল। মাঠের বাইরে আলোচনায়ও এগিয়ে ব্রাজিল।