আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

ইংল্যান্ডের কাছে ৭-০ গোলে হারের পর নিজের দলকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক লুকা মদ্রিচ। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচে তিনি বিশ্রামে ছিলেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শুরুর একাদশে ফেরেন। ম্যাচ শেষে তিনি বলেছেন, এমন হারে তিনি গভীর লজ্জা পেয়েছেন। জাতীয় দলের হয়ে খেলতে গিয়ে এ রকম অনুভূতি তার আগে কখনো হয়নি।
গতকাল শনিবার রিয়েকায় উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচটি হয়। ক্রোয়েশিয়ার ফুটবল ইতিহাসে এটি সবচেয়ে বড় হার। ১৯৯১ সালে স্বাধীন দেশ হওয়ার পর এত বড় ব্যবধানে তারা কখনো হারেনি। ইংল্যান্ডের হয়ে হ্যারি কেইন ও বুকায়ো সাকা দুটি করে গোল করেন। একটি করে গোল করেন অ্যান্থনি গর্ডন, জুড বেলিংহাম ও মরগান রজার্স।
ম্যাচের শুরু থেকেই আগ্রাসী ফুটবল খেলতে থাকে ইংলিশরা। ম্যাচের অষ্টম মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। ২১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জুড বেলিংহাম। এরপর ৩৯ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডন এবং প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে, অর্থাৎ ৪৫ মিনিটে গোল করেন বুকায়ো সাকা। ফলে প্রথমার্ধেই চার-শূন্য ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের করে নেয় ইংল্যান্ড।
দ্বিতীয়ার্ধেও ইংল্যান্ডের আক্রমণের ধার কমেনি। অ্যান্ডারসনের দূরপাল্লার ক্রসে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন অধিনায়ক কেইন। আর ক্রোয়েশীয় ডিফেন্ডার জসিপ স্টানিসিচের ভুল পাসের সুযোগ নিয়ে ঠান্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন ৬-০ করেন সাকা।
ম্যাচের শেষদিকে তরুণদের সুযোগ দেন কোচ টুখেল। যোগ করা সময়ে বেলিংহামের নিখুঁত পাসে গোলরক্ষককে কাটিয়ে ফাঁকা জালে বল জড়িয়ে ইংলিশদের সপ্তম গোলটি এনে দেন অ্যাস্টন ভিলার ফরোয়ার্ড মরগান রজার্স।
এই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে ইংল্যান্ড। মুখোমুখি লড়াইয়ের সমীকরণে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে স্পেন। অন্যদিকে মাত্র ৩ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার তিনে রয়েছে ক্রোয়েশিয়া।

ইংল্যান্ডের কাছে ৭-০ গোলে হারের পর নিজের দলকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক লুকা মদ্রিচ। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচে তিনি বিশ্রামে ছিলেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শুরুর একাদশে ফেরেন। ম্যাচ শেষে তিনি বলেছেন, এমন হারে তিনি গভীর লজ্জা পেয়েছেন। জাতীয় দলের হয়ে খেলতে গিয়ে এ রকম অনুভূতি তার আগে কখনো হয়নি।
গতকাল শনিবার রিয়েকায় উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচটি হয়। ক্রোয়েশিয়ার ফুটবল ইতিহাসে এটি সবচেয়ে বড় হার। ১৯৯১ সালে স্বাধীন দেশ হওয়ার পর এত বড় ব্যবধানে তারা কখনো হারেনি। ইংল্যান্ডের হয়ে হ্যারি কেইন ও বুকায়ো সাকা দুটি করে গোল করেন। একটি করে গোল করেন অ্যান্থনি গর্ডন, জুড বেলিংহাম ও মরগান রজার্স।
ম্যাচের শুরু থেকেই আগ্রাসী ফুটবল খেলতে থাকে ইংলিশরা। ম্যাচের অষ্টম মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। ২১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জুড বেলিংহাম। এরপর ৩৯ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডন এবং প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে, অর্থাৎ ৪৫ মিনিটে গোল করেন বুকায়ো সাকা। ফলে প্রথমার্ধেই চার-শূন্য ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের করে নেয় ইংল্যান্ড।
দ্বিতীয়ার্ধেও ইংল্যান্ডের আক্রমণের ধার কমেনি। অ্যান্ডারসনের দূরপাল্লার ক্রসে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন অধিনায়ক কেইন। আর ক্রোয়েশীয় ডিফেন্ডার জসিপ স্টানিসিচের ভুল পাসের সুযোগ নিয়ে ঠান্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন ৬-০ করেন সাকা।
ম্যাচের শেষদিকে তরুণদের সুযোগ দেন কোচ টুখেল। যোগ করা সময়ে বেলিংহামের নিখুঁত পাসে গোলরক্ষককে কাটিয়ে ফাঁকা জালে বল জড়িয়ে ইংলিশদের সপ্তম গোলটি এনে দেন অ্যাস্টন ভিলার ফরোয়ার্ড মরগান রজার্স।
এই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে ইংল্যান্ড। মুখোমুখি লড়াইয়ের সমীকরণে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে স্পেন। অন্যদিকে মাত্র ৩ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার তিনে রয়েছে ক্রোয়েশিয়া।