ফিফা বিশ্বকাপ
আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকের জোড়া গোল এবং অতিরিক্ত সময়ের একেবারে অন্তিম মুহূর্তের পেনাল্টি—সব মিলিয়ে সিয়াটলে এক রোমাঞ্চকর জয়ের দেখা পেল বেলজিয়াম। শুরুতে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত সেনেগালকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ইউরোপের এই দেশ।
জয়ের পথেই ছিল সেনেগাল। শেষ ষোলোয় উঠার দোরগোড়ায় পৌঁছেই গিয়েছিল তারা। ৮৫ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে ছিল ২-০ গোলে। সেখান থেকে শেষ ৫ মিনিটে বদলে যায় ম্যাচের মোড়।
বেলজিয়াম জোড়া গোল করে ম্যাচে ফেরায় সমতা। আর এরপর ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। যেখানে ম্যাচের একদম অন্তিম মুহূর্তে পেনাল্টি পায় বেলজিয়াম। তাতেই ৩-২ গোলে স্বপ্নভাঙে সেনেগালের।
সিয়াটল স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার উতুঙ্গ উত্তেজনা ছিল শুরু থেকেই। ত্রয়োদশ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত সেনেগাল। ইসমাইল জ্যাকবসের ক্রস গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া ঝাঁপিয়ে পড়েও ক্লিয়ার করতে পারেননি।
ছুটে যাওয়া ইসমাইলা সারও ঠিকমতো শট নিতে পারেননি, কোনোমতে তার পায়ে বল লেগে পোস্টে বাধা পায়। অবশ্য বেশিক্ষণ অপেক্ষায় থাকতে হয়নি। হাবিব দিয়ারা এনে দেন উপলক্ষ।
২৫তম মিনিটে সাদিও মানে চমৎকার ক্রস দেন বক্সে, ইসমাইল সারের হেড কোর্তোয়াকে পরাস্ত করলেও পোস্টে লেগে ফিরে আসে, তবে কাছ থেকে জালে পাঠান হাবিব জা। এগিয়ে যায় সেনেগাল।
প্রথমার্ধে বেলজিয়াম তেমন কিছুই করতে পারেনি। সেনেগালও আর গোল পায়নি। তবে বিরতি থেকে ফিরেই দ্বিতীয় গোল তারা আদায় করে নেয় তারা।
মুসা নিয়াখাতের লম্বা পাস, ইসমাইলা সার অনেক পেছন থেকে এসে বুক দিয়ে দারুণভাবে বলটি নিয়ন্ত্রণে নেন, এরপর কর্তোয়াকে পরাস্ত করে হাফ-ভলিতে বল জালে জড়ান। ২-০ গোলে এগিয়ে যায় তেরেঙ্গার সিংহরা।
লিড তারা ধরে রাখে ৮৫ মিনিট পর্যন্ত। ৮৬ মিনিটে এসে প্রতি আক্রমণ থেকে ক্রস পেয়ে প্লেসিং শটে গোলকিপারের মাথার ওপর দিয়ে জালে বল জড়িয়ে খেলা জমিয়ে তোলের রুমেরো লুকাকু।
এরপর সিয়াটলে যা হলো তা রীতিমত মহানাটক। বেলজিয়াম ম্যাচে ফিরে আসল অবিশ্বাস্যভাবে। তিন মিনিটের মধ্যে ২ গোল দিয়ে সমতায় ফিরল ইউরোপের কালো ঘোড়ারা।
৮৯তম মিনিটে সমতায় ফেরে বেলজিয়াম। ডান দিক থেকে লেয়ান্ড্রো ট্রসাড ক্রস দেন বক্সে, এগিয়ে গিয়ে হেডে ফাঁকা জালে বল পাঠান টিলেমান্স। তাতে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
সেখানেও অনেক নাটকীয়তায় সেনেগালের হৃদয় ভেঙে শেষ হাসি হাসে বেলজিয়াম। অতিরিক্ত সময় শেষ হওয়ার শেষ মুহূর্তে।
উরি টিলেমান্স ফাউলের শিকার হলে রেফারি পেনাল্টি দেন।
১২৫তম মিনিটে টিলেমান্স ঠাণ্ডা মাথায় স্পট কিক জালে জড়ালে উল্লাসে মাতে পুরো বেলজিয়াম শিবির। আর হৃদয় ভাঙে সেনেগালের।

নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকের জোড়া গোল এবং অতিরিক্ত সময়ের একেবারে অন্তিম মুহূর্তের পেনাল্টি—সব মিলিয়ে সিয়াটলে এক রোমাঞ্চকর জয়ের দেখা পেল বেলজিয়াম। শুরুতে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত সেনেগালকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ইউরোপের এই দেশ।
জয়ের পথেই ছিল সেনেগাল। শেষ ষোলোয় উঠার দোরগোড়ায় পৌঁছেই গিয়েছিল তারা। ৮৫ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে ছিল ২-০ গোলে। সেখান থেকে শেষ ৫ মিনিটে বদলে যায় ম্যাচের মোড়।
বেলজিয়াম জোড়া গোল করে ম্যাচে ফেরায় সমতা। আর এরপর ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। যেখানে ম্যাচের একদম অন্তিম মুহূর্তে পেনাল্টি পায় বেলজিয়াম। তাতেই ৩-২ গোলে স্বপ্নভাঙে সেনেগালের।
সিয়াটল স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার উতুঙ্গ উত্তেজনা ছিল শুরু থেকেই। ত্রয়োদশ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত সেনেগাল। ইসমাইল জ্যাকবসের ক্রস গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া ঝাঁপিয়ে পড়েও ক্লিয়ার করতে পারেননি।
ছুটে যাওয়া ইসমাইলা সারও ঠিকমতো শট নিতে পারেননি, কোনোমতে তার পায়ে বল লেগে পোস্টে বাধা পায়। অবশ্য বেশিক্ষণ অপেক্ষায় থাকতে হয়নি। হাবিব দিয়ারা এনে দেন উপলক্ষ।
২৫তম মিনিটে সাদিও মানে চমৎকার ক্রস দেন বক্সে, ইসমাইল সারের হেড কোর্তোয়াকে পরাস্ত করলেও পোস্টে লেগে ফিরে আসে, তবে কাছ থেকে জালে পাঠান হাবিব জা। এগিয়ে যায় সেনেগাল।
প্রথমার্ধে বেলজিয়াম তেমন কিছুই করতে পারেনি। সেনেগালও আর গোল পায়নি। তবে বিরতি থেকে ফিরেই দ্বিতীয় গোল তারা আদায় করে নেয় তারা।
মুসা নিয়াখাতের লম্বা পাস, ইসমাইলা সার অনেক পেছন থেকে এসে বুক দিয়ে দারুণভাবে বলটি নিয়ন্ত্রণে নেন, এরপর কর্তোয়াকে পরাস্ত করে হাফ-ভলিতে বল জালে জড়ান। ২-০ গোলে এগিয়ে যায় তেরেঙ্গার সিংহরা।
লিড তারা ধরে রাখে ৮৫ মিনিট পর্যন্ত। ৮৬ মিনিটে এসে প্রতি আক্রমণ থেকে ক্রস পেয়ে প্লেসিং শটে গোলকিপারের মাথার ওপর দিয়ে জালে বল জড়িয়ে খেলা জমিয়ে তোলের রুমেরো লুকাকু।
এরপর সিয়াটলে যা হলো তা রীতিমত মহানাটক। বেলজিয়াম ম্যাচে ফিরে আসল অবিশ্বাস্যভাবে। তিন মিনিটের মধ্যে ২ গোল দিয়ে সমতায় ফিরল ইউরোপের কালো ঘোড়ারা।
৮৯তম মিনিটে সমতায় ফেরে বেলজিয়াম। ডান দিক থেকে লেয়ান্ড্রো ট্রসাড ক্রস দেন বক্সে, এগিয়ে গিয়ে হেডে ফাঁকা জালে বল পাঠান টিলেমান্স। তাতে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
সেখানেও অনেক নাটকীয়তায় সেনেগালের হৃদয় ভেঙে শেষ হাসি হাসে বেলজিয়াম। অতিরিক্ত সময় শেষ হওয়ার শেষ মুহূর্তে।
উরি টিলেমান্স ফাউলের শিকার হলে রেফারি পেনাল্টি দেন।
১২৫তম মিনিটে টিলেমান্স ঠাণ্ডা মাথায় স্পট কিক জালে জড়ালে উল্লাসে মাতে পুরো বেলজিয়াম শিবির। আর হৃদয় ভাঙে সেনেগালের।