ফিফা বিশ্বকাপ
আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত ঘানা পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে। বস্টন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে পুরো সময়জুড়ে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের উত্তেজনা থাকলেও কোনো দলই জালের দেখা পায়নি। ম্যাচ শেষে স্কোরলাইন থাকে শূন্য শূন্য।
বস্টোন স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার দিবাগত রাতের ম্যাচে গোলশূন্য ড্র করেছে ইংল্যান্ড ও ঘানা। ম্যাচজুড়ে দাপট দেখিয়ে খেললেও ঘানার দৃঢ়তাপূর্ণ রক্ষণ ভাঙতে পারেনি ইংল্যান্ড। তাই এক পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় ১৯৬৬ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নদের।
বিপরীতে ইংল্যান্ডকে রুখে দিয়েছে ২১ শতাংশ বল পজিশন নিয়ে খেলা ঘানা। গোল শূন্যে ড্র হয়েছে ম্যাচ। তবে এক পয়েন্ট আদায় করে নেওয়া আফ্রিকান দলটি জয় পাওয়ার মতো উদযাপন করছে।
এ ড্রয়ে নকআউটে যাওয়ার পথটা সহজ হয়েছে বলেই হয়তো এমন আনন্দ ঘানার।
দুই দলের পয়েন্ট অবশ্য সমান ৪। গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় ‘এল’ গ্রুপে শীর্ষে ইংল্যান্ডই।
ঘানার ২ শটের বিপরীতে বোস্টনে আজ ১৯ শট নিয়েছে ইংল্যান্ড। তবুও ঘানার রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের কাছে পরাস্ত হয়েছেন হ্যারি কেইন-বুকায়ো সাকারা।
জয় পাওয়ার সবচেয়ে সুবর্ণ সুযোগ এসেছিল ম্যাচের শেষ মুহূর্তে।
তবে ম্যাচের ৮৬ মিনিটে যেভাবে সুযোগটা মিস করলেন কেইন, তা এক কথায় অবিশ্বাস্য। ‘পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ’ দূরত্বে গোল করার সুযোগ পেয়েও বাঁ পায়ে বারের ওপর দিয়ে শট মারলেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। কেইন এমন সুযোগ পাওয়ার আগে অবশ্য ভাগ্যেকেও পাশে পায়নি ইংলিশরা। নিকো ও’রাইলির হেডটা যে বারে লেগে ফিরে আসে।
তার আগে দুর্দান্ত এক সেভ দিয়ে ঘানাকে হার থেকে বাঁচান বেঞ্জামিন আসারে। ৮৫ মিনিটে সাকার বাঁকানো শটটা জাল খুঁজে নেওয়ার আগ মুহূর্তে ডান দিকে ঝাঁপিয়ে দুর্দান্ত সেভ দেন ঘানার গোলরক্ষক। এর আগে প্রথমার্ধের খেলা বিবর্ণে।

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত ঘানা পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে। বস্টন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে পুরো সময়জুড়ে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের উত্তেজনা থাকলেও কোনো দলই জালের দেখা পায়নি। ম্যাচ শেষে স্কোরলাইন থাকে শূন্য শূন্য।
বস্টোন স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার দিবাগত রাতের ম্যাচে গোলশূন্য ড্র করেছে ইংল্যান্ড ও ঘানা। ম্যাচজুড়ে দাপট দেখিয়ে খেললেও ঘানার দৃঢ়তাপূর্ণ রক্ষণ ভাঙতে পারেনি ইংল্যান্ড। তাই এক পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় ১৯৬৬ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নদের।
বিপরীতে ইংল্যান্ডকে রুখে দিয়েছে ২১ শতাংশ বল পজিশন নিয়ে খেলা ঘানা। গোল শূন্যে ড্র হয়েছে ম্যাচ। তবে এক পয়েন্ট আদায় করে নেওয়া আফ্রিকান দলটি জয় পাওয়ার মতো উদযাপন করছে।
এ ড্রয়ে নকআউটে যাওয়ার পথটা সহজ হয়েছে বলেই হয়তো এমন আনন্দ ঘানার।
দুই দলের পয়েন্ট অবশ্য সমান ৪। গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় ‘এল’ গ্রুপে শীর্ষে ইংল্যান্ডই।
ঘানার ২ শটের বিপরীতে বোস্টনে আজ ১৯ শট নিয়েছে ইংল্যান্ড। তবুও ঘানার রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের কাছে পরাস্ত হয়েছেন হ্যারি কেইন-বুকায়ো সাকারা।
জয় পাওয়ার সবচেয়ে সুবর্ণ সুযোগ এসেছিল ম্যাচের শেষ মুহূর্তে।
তবে ম্যাচের ৮৬ মিনিটে যেভাবে সুযোগটা মিস করলেন কেইন, তা এক কথায় অবিশ্বাস্য। ‘পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ’ দূরত্বে গোল করার সুযোগ পেয়েও বাঁ পায়ে বারের ওপর দিয়ে শট মারলেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। কেইন এমন সুযোগ পাওয়ার আগে অবশ্য ভাগ্যেকেও পাশে পায়নি ইংলিশরা। নিকো ও’রাইলির হেডটা যে বারে লেগে ফিরে আসে।
তার আগে দুর্দান্ত এক সেভ দিয়ে ঘানাকে হার থেকে বাঁচান বেঞ্জামিন আসারে। ৮৫ মিনিটে সাকার বাঁকানো শটটা জাল খুঁজে নেওয়ার আগ মুহূর্তে ডান দিকে ঝাঁপিয়ে দুর্দান্ত সেভ দেন ঘানার গোলরক্ষক। এর আগে প্রথমার্ধের খেলা বিবর্ণে।