ফিফা বিশ্বকাপ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

আগামীকাল শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৩ টায় মিয়ামিতে বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে সেমিফাইনালে দুই পরাজিত দল ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপকে বিষণ্ন বিদায় জানাতে প্রস্তুত হচ্ছে ফুটবলের দুই পরাশক্তি।
দুই দলই ফ্লোরিডায় পৌঁছেছে সেমিফাইনালের হতাশাজনক পরাজয়ের ক্ষত নিয়ে। অনেকের মতে, দুটি ফুটবল পরাশক্তির এই ব্যর্থতার বড় অংশই ছিল নিজেদের ভুলের ফল।
গত বুধবার আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলে হেরে এখন তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলতে হবে ইংল্যান্ডকে। অন্যদিকে ফ্রান্স ২-০ ব্যবধানে স্পেনের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে বিশ্বকাপ থেকে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগে দুইবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলেছে ইংল্যান্ড এবং দুইবারই তাদের মাঠ ছাড়তে হয়েছে খালি হাতে। ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে স্বাগতিক ইতালির কাছে ২-১ ব্যবধানে এবং সবশেষ ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল তারা।
অন্যদিকে, এই লড়াইয়ে ফ্রান্সের অতীত রেকর্ড বেশ সমৃদ্ধ। এর আগে তিনবার এই পজিশনের জন্য লড়েছে তারা, যার মধ্যে জয় এসেছে দুইটিতে। ১৯৫৮ সালে পশ্চিম জার্মানিকে ৬-৩ গোলে এবং ১৯৮৬ সালে বেলজিয়ামকে অতিরিক্ত সময়ে ৪-২ গোলে হারিয়েছিল ফরাসিল্যান্ড। তবে ১৯৮২ সালে পোল্যান্ডের কাছে ৩-২ ব্যবধানে হেরে রানার্সআপের ঠিক পরের স্থানটি হাতছাড়া করেছিল তারা।
এই ম্যাচটি হতে যাচ্ছে ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী কোচ দিদিয়ে দেশমের ডাগআউটে শেষ ম্যাচ। তাই ম্যাচটি জিতে দেশমকে এক জয় দিয়ে বিদায় জানাতে মুখিয়ে থাকবে ফরাসিরা।
পাশাপাশি ব্যক্তিগত অর্জনের এক বড় লড়াই অপেক্ষা করছে কিলিয়ান এমবাপ্পের সামনে। টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ‘গোল্ডেন বুট’ জয়ের সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকার সামনে। এই মুহূর্তে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় লিওনেল মেসির সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে আছেন এমবাপে। তবে অ্যাসিস্টের দিক থেকে মেসির চেয়ে এক গোলে পিছিয়ে থাকায় তালিকায় এই মুহূর্তে দুই নম্বরে আছেন তিনি। শনিবারের ম্যাচে একটি গোল বা অ্যাসিস্ট এমবাপ্পেকে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে মেসিকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে পারে।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের হ্যারি কেন ও জুড বেলিংহামের গোলসংখ্যা ছয়টি করে। হার্ড রক স্টেডিয়ামে বড় কোনো পারফরম্যান্স করলে তারাও গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শক্তভাবে ফিরতে পারেন।

আগামীকাল শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৩ টায় মিয়ামিতে বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে সেমিফাইনালে দুই পরাজিত দল ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপকে বিষণ্ন বিদায় জানাতে প্রস্তুত হচ্ছে ফুটবলের দুই পরাশক্তি।
দুই দলই ফ্লোরিডায় পৌঁছেছে সেমিফাইনালের হতাশাজনক পরাজয়ের ক্ষত নিয়ে। অনেকের মতে, দুটি ফুটবল পরাশক্তির এই ব্যর্থতার বড় অংশই ছিল নিজেদের ভুলের ফল।
গত বুধবার আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলে হেরে এখন তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলতে হবে ইংল্যান্ডকে। অন্যদিকে ফ্রান্স ২-০ ব্যবধানে স্পেনের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে বিশ্বকাপ থেকে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগে দুইবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলেছে ইংল্যান্ড এবং দুইবারই তাদের মাঠ ছাড়তে হয়েছে খালি হাতে। ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে স্বাগতিক ইতালির কাছে ২-১ ব্যবধানে এবং সবশেষ ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল তারা।
অন্যদিকে, এই লড়াইয়ে ফ্রান্সের অতীত রেকর্ড বেশ সমৃদ্ধ। এর আগে তিনবার এই পজিশনের জন্য লড়েছে তারা, যার মধ্যে জয় এসেছে দুইটিতে। ১৯৫৮ সালে পশ্চিম জার্মানিকে ৬-৩ গোলে এবং ১৯৮৬ সালে বেলজিয়ামকে অতিরিক্ত সময়ে ৪-২ গোলে হারিয়েছিল ফরাসিল্যান্ড। তবে ১৯৮২ সালে পোল্যান্ডের কাছে ৩-২ ব্যবধানে হেরে রানার্সআপের ঠিক পরের স্থানটি হাতছাড়া করেছিল তারা।
এই ম্যাচটি হতে যাচ্ছে ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী কোচ দিদিয়ে দেশমের ডাগআউটে শেষ ম্যাচ। তাই ম্যাচটি জিতে দেশমকে এক জয় দিয়ে বিদায় জানাতে মুখিয়ে থাকবে ফরাসিরা।
পাশাপাশি ব্যক্তিগত অর্জনের এক বড় লড়াই অপেক্ষা করছে কিলিয়ান এমবাপ্পের সামনে। টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ‘গোল্ডেন বুট’ জয়ের সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকার সামনে। এই মুহূর্তে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় লিওনেল মেসির সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে আছেন এমবাপে। তবে অ্যাসিস্টের দিক থেকে মেসির চেয়ে এক গোলে পিছিয়ে থাকায় তালিকায় এই মুহূর্তে দুই নম্বরে আছেন তিনি। শনিবারের ম্যাচে একটি গোল বা অ্যাসিস্ট এমবাপ্পেকে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে মেসিকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে পারে।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের হ্যারি কেন ও জুড বেলিংহামের গোলসংখ্যা ছয়টি করে। হার্ড রক স্টেডিয়ামে বড় কোনো পারফরম্যান্স করলে তারাও গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শক্তভাবে ফিরতে পারেন।